বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আওয়ামী ঘুড়ি আর বাংলাদেশে উড়তে দেওয়া হবে না: আসিফ মাহমুদ

আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, “আওয়ামী ঘুড়ি আর বাংলাদেশে উড়তে দেওয়া হবে না। জনগণের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা এই ফ্যাসিবাদী শক্তিকে প্রতিহত করতে সব গণতান্ত্রিক ও মুক্তিকামী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মাটিতে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ আর কখনোই ঘাঁটি গাড়তে […]

আওয়ামী ঘুড়ি আর বাংলাদেশে উড়তে দেওয়া হবে না: আসিফ মাহমুদ

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ মার্চ ২০২৫, ০১:২১

আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, “আওয়ামী ঘুড়ি আর বাংলাদেশে উড়তে দেওয়া হবে না। জনগণের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা এই ফ্যাসিবাদী শক্তিকে প্রতিহত করতে সব গণতান্ত্রিক ও মুক্তিকামী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মাটিতে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ আর কখনোই ঘাঁটি গাড়তে পারবে না। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার স্বার্থে আওয়ামী লীগের সকল ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে জাতিকে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। যে দলটি জনগণের রায়কে বারবার উপেক্ষা করেছে এবং ভোটাধিকার হরণ করে জনগণের কণ্ঠ রোধ করেছে, তাদের জন্য গণতান্ত্রিক রাজনীতির দরজা চিরতরে বন্ধ করতে হবে।”

আসিফ মাহমুদ এই মন্তব্য করেন তাঁর ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে। তিনি এই বক্তব্য দেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের একটি স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে। তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তাঁর স্ট্যাটাসে আওয়ামী লীগের চরিত্র সম্পর্কে বলেন, “আওয়ামী লীগ কোনো দেশীয় শক্তি নয়; এটি মূলত বিদেশ থেকে ট্রান্সপ্লান্ট করা একটি শক্তি। এর সকল কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা ও নেতৃত্ব পরিচালিত হয় বহির্বিশ্ব থেকে। এটি দিল্লি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি ঘুড়ি, যা বাংলাদেশে উড়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু এই ঘুড়ি আর কখনোই বাংলাদেশের আকাশে উড়তে দেওয়া হবে না।”

মাহফুজ আলমের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, “আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে সরিয়ে দিতে আমাদের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে। দলটি শুধু দেশের অভ্যন্তরে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। বিদেশী শক্তির মদদে পরিচালিত আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করার জন্য প্রতিটি নাগরিককে সজাগ ও সক্রিয় থাকতে হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা যারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছি, আমাদের দায়িত্ব হলো আওয়ামী লীগের মতো দেশবিরোধী ও ফ্যাসিবাদী শক্তির বিপরীতে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের পক্ষে সব শক্তিকে একত্রিত করে নতুন বিপ্লবের সূচনা করতে হবে। এই দেশপ্রেমিক আন্দোলনে দেশের সকল নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।”

এছাড়াও, আসিফ মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলকেও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ফ্যাসিবাদী শক্তির দমনমূলক নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সোচ্চার হতে হবে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান জানাই, তারা যেন আওয়ামী লীগের এই স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশের জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবিকে সমর্থন জানায়।”

তিনি তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, “এই মাফিয়া চক্রকে রাজনীতির মঞ্চ থেকে চিরতরে উৎখাত না করা পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে। দেশকে স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্ত করে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে এনসিপি ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক শক্তি সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৯

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫২
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫২

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৯