বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পোশাকশিল্পের সংকট কাটাতে জামায়াত আমিরের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের বৈঠক

দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতি এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ […]

পোশাকশিল্পের সংকট কাটাতে জামায়াত আমিরের সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের বৈঠক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯

দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতি এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বিজিএমইএ’র নেতারা বলেন, দেশের প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরাসরি তৈরি পোশাকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। এ খাতের সঙ্গে প্রায় তিন হাজার উদ্যোক্তা সম্পৃক্ত রয়েছেন। দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এ শিল্প বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে তৈরি পোশাক রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। তবে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটসহ বিভিন্ন কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংগঠনটির নেতারা।

বৈঠক শেষে বিজিএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি মনোযোগ দিয়ে বিষয়গুলো শুনেছেন এবং কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে শিল্পের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিরোধী দলের কাছ থেকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা চেয়েছেন তিনি।

বৈঠক শেষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, তৈরি পোশাকশিল্পের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং করণীয় সম্পর্কে ধারণা নেওয়াই ছিল এ সভার উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের জন্য তৈরি পোশাকশিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ খাতের সমস্যা সমাধানে সরকার, বিরোধী দল ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংসদের ভেতরে ও বাইরে দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে জামায়াত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা করা হবে, আবার জনস্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত হলে তার প্রতিবাদও করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে ট্রেজারি বেঞ্চ ও বিরোধী দলের মধ্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা থাকা উচিত। জ্বালানি সংকটসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে জামায়াতের বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

সভায় গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট বিশেষ গুরুত্ব পায়।

বিজিএমইএর নেতারা জানান, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে শিল্পের উৎপাদন আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি শিল্প ও অর্থনীতির স্বার্থে একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিরোধী দল হিসেবে সংসদে জনগণের স্বার্থ তুলে ধরা এবং সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা করা তাদের দায়িত্ব।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।