শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘আমরা ইনসাফের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি নিরাপদ রাখব’: সাদিক কায়েম

আমরা একটা ইনসাফের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। তাই তোমাদেরকে সাথে নিয়ে এই বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে নিরাপদ রাখব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার আয়োজনে এসএসসি/দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে […]

‘আমরা ইনসাফের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি নিরাপদ রাখব’: সাদিক কায়েম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩:৫০

আমরা একটা ইনসাফের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। তাই তোমাদেরকে সাথে নিয়ে এই বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে নিরাপদ রাখব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার আয়োজনে এসএসসি/দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমরা গত ৫৫ বছর যাবত লড়াই করছি। গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশে আমাদের অসংখ্য নেতৃত্ব এসেছে।

অনেকে আমলা হয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েছেন এবং সমাজের অনেক প্রভাবশালী মানুষ আমাদেরকে নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু এই জাতির মুক্তি আসেনি।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে শহীদ আনাসের মতো ১৩৩ জন শিশুরা জীবন দিয়েছে এবং ১৪০০ এর অধিক আমাদের ভাইবোনেরা জীবন দিয়েছে। সেই জীবন দেওয়ার মূল্য উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে নতুনভাবে পুনর্গঠন করা।

এই বাংলাদেশকে নতুনভাবে পুনর্গঠন স্বপ্ন দেখি আজকের অনুষ্ঠানের কৃতী শিক্ষার্থী ভাই-বোনেরা যারা তোমরা আমার সামনে বসে আছো, তোমাদের হাত ধরে। তাই তোমাদেরকে আগামীর জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’

সাদিক কায়েম বলেন, ‘জীবনের সফলতা হলো একজন ভালো মানুষ হতে পারা। তোমাদের মতো এমন অসংখ্য শিক্ষার্থীরা এসএসসিতে বা এইচএসসিতে এ প্লাস পেয়েছে বা গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। তারপর ঢাবি, বুয়েটসহ বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে।

তারপর সরকারি আমলা হয়েছে, মন্ত্রী হয়েছে, এমপি হয়েছে কিংবা প্রধানমন্ত্রী হয়েছে। কিন্তু তারা এই জাতির কল্যাণের কারণ হতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদির সময়ের চিত্র দেখি। যারা আমাদের এমপি-মন্ত্রী ছিল, তারা কী মানুষের কল্যাণের কারণ হতে পেরেছে? তারা অভিশাপের কারণ হয়েছে। তারা মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে, আয়নাঘর তৈরি করেছে।

তারা হেলিকপ্টারে করে গুলি করে রিয়া গোপের মতো একজন শিশুকে হত্যা করেছে। তাই আমরা তো তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি না বরং অভিশাপ দিই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমরা দেখতে পাই রাজনীতিবিদ মানে হলো দুর্নীতিবাজ। হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তারা এইদেশ থেকে নিয়ে যায়। কিন্তু আমরা ব্যতিক্রমও দেখতে পেয়েছি। বাংলাদেশ রাষ্ট্র যখন দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, ওই সময় দুইজন বাংলাদেশের মন্ত্রী ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে একটা পয়সার দুর্নীতি কেউ দেখাতে পারেননি।

তারা তাদের সততা, দক্ষতা ও দেশপ্রেমের পরিচয় কথা ও কাজের সাথে মিল রেখেছেন। তারা হলেন- শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুজাহিদ। তারা তিনটা মন্ত্রণলয়ের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে একটা পয়সার দুর্নীতি কেউ দেখাতে পারেনি।

তাই এইরকম নেতৃত্ব যদি আমরা বাছাই করতে পারি তাহলে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের চেহারা পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ।’

সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমরা যখন জুলাই বিপ্লব করলাম তারপরে এই জাতিকে বলেছিলাম আমরা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতি বির্নিমাণ করব। আমরা বিগত সময়গুলোতে ক্যাম্পাসগুলোতে যে সন্ত্রাসীর রাজনীতি দেখেছি, গণরুম-গেস্ট রুমের রাজনীতি দেখেছি সেগুলোর কবর রচনা করব। আমরা বলেছি আমরা সুস্থ ধারার রাজনীতি করব।

সেটা আমরা ঢাবিসহ বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাসে প্রমাণ করেছি এবং ডাকসুসহ ৫টা ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা আমাদের উপর আস্থা রেখেছে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরে প্রমাণ করেছি কীভাবে একটা নিরাপদ ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে হবে। কীভাবে আমাদের বোনদের জন্য একটা নিরাপদ ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি কীভাবে আমাদের শিক্ষার্থীদের মৌলিক সংকটগুলো দূর করতে হবে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, খাদ্য সমস্যা, পরিবহন সংকট, স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রত্যেকটি জায়গায় আমরা কাজ করার চেষ্টা করেছি।

তার ফলে শিক্ষার্থীরাই বলে আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যে কাজ করেছি, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এত কাজ কেউ করতে পারেনি। সেটা আমাদের কথা ও কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছি। আমরা দেখিয়েছি একটা ভাঙা ক্যাম্পাস, ভাঙা সোসাইটি এবং এই ক্যাম্পাসকে কীভাবে গড়তে হবে।

ইনশাল্লাহ আমরা স্বপ্ন দেখি একটা ইনসাফের বাংলাদেশ। তাই তোমাদেরকে সাথে নিয়ে এই বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে নিরাপদ রাখব ইনশাল্লাহ।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা। এছাড়া স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯০

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯০

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৭