এনসিপির পদযাত্রা বিকেল সাড়ে ৪টায় কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় (জুলাই চত্বর) থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আয়োজিত জনসভা সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেষ হয়।
জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর মানুষ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলমুক্ত একটি বাংলাদেশ প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু বিএনপি সেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দলটি বিভিন্ন খাতে দখলদারি প্রতিষ্ঠা করেছে এবং আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।
বিএনপির বিরুদ্ধে প্রতীকী ‘কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “এক নম্বরে সন্ত্রাসী কার্ড বিএনপিকে, দুই নম্বরে চাঁদাবাজি কার্ড ছাত্রদলকে, তিন নম্বরে দখলবাজি কার্ড যুবদলকে এবং চার নম্বরে সমন্বিত লাল কার্ড মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হবে।”
সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কার বাস্তবায়িত না হলে প্রবাসীরা আবারও রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করতে পারেন, শ্রমিকেরা কর্মবিরতিতে যেতে পারেন এবং তরুণেরা রাজপথে আন্দোলনে নামতে পারেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিক মুজাহিদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এনসিপির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্যসচিব মাসুম মিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিডিয়া সেলপ্রধান রাশেদুজ্জামান তাওহীদ।