সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

রাজনীতির মূলমন্ত্র আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করতো না: পার্থ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, আওয়ামী লীগের মতো দল মাস শেষ হয়ে গেল, একটা নেতাকর্মী অফিস তো দূরের কথা, একটা মুরগিরও ক্ষোভ পেল না। আওয়ামী লীগের রাজনীতিটাই শত্রু আর ষরযন্ত্র। আমরা যখনই যা কিছু করতা তা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হতো। রাজনতির যে মূলমন্ত্র সেগুলো আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করতো না। একটি বেসরকারি […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৪:১৪

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, আওয়ামী লীগের মতো দল মাস শেষ হয়ে গেল, একটা নেতাকর্মী অফিস তো দূরের কথা, একটা মুরগিরও ক্ষোভ পেল না। আওয়ামী লীগের রাজনীতিটাই শত্রু আর ষরযন্ত্র। আমরা যখনই যা কিছু করতা তা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হতো। রাজনতির যে মূলমন্ত্র সেগুলো আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করতো না।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন আন্দালিভ রহমান পার্থ।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে ফেরা খুবই ডিফিকাল্ট ফর আওয়ামী লীগ, পলিটিকালি ভাবনায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কোনও কমিটমেন্ট নেই, কমিটমেন্ট ছিল পাওয়ারের উপরের, কমিটমেন্ট ছিল শুধুমাত্র অর্থের উপরই। আওয়ামী লীগের যে সাম দাম দণ্ড রাজনীতি বন্ধ করে সেগুলো বিশ্বাস করত না।

সলিমুল্লাহ স্যার বলেছেন যে আওয়ামী লীগ কোনও দিন ফিরে না আসলে, উনার লেখা পড়াই বৃথা। নানক সাহেব রহমান, দীপু মনি যারা আছেন তাদের কারোই গ্রহণযোগ্যতা জনগণের কাছে নাই।

অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির ভবিষ্যৎ কি, তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা কতটুকু আর ফিরে আসলেও নেতৃত্বে কারা থাকতে পারেন? এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি আওয়ামী পরিবারের সদস্য না। আওয়ামী লীগ আমার আত্মীয়, আমার পরিবার, আমার, আমার ফ্যামিলি আমার বাবার সাইট আলাদা। কারণ, ভবিষ্যদ্বাণী তো আমরা করতে পারি না।

আমরা পলিটিশিয়ান আমরা এনালাইসিস করতে পারি। আমাদের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আমরা ক্যালকুলেশন করতে পারি। ভবিষ্যৎ তো আল্লাহর হাতে, এটা আমরা জানি না। আমি মনে করি এই প্রশ্নটা আজকে আওয়ামী লীগের যতো লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী বা তাদের যারা ভোটার আছেন প্রতিদিনই তারাই চিন্তা করেন এবং নিজেদের মধ্যে তারা আলাপ করেন।

আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘কিছু কম্পারেটিভ স্টাডিতে দেখুন, আপনার বাড়ির পাশে মাঠ থাকলে কিন্তু আপনি ম্যারাডোনা হবে না। আপনার এখানে অনুশীলনের ব্যাপার আছে। রাজনীতি মাত্র প্র্যাক্টিস। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী যখন ৭৫ এর পরে ৮১ সালে দেশে ফিরে আসে, তখন কিন্তু একটা সিকান্দরের অ্যাকসেপটেবল পলিটিশিয়ান ছিল। রাজ্জাক সাহেব ছিলেন, আমির হোসেন আমু সাহেব ছিলেন, তোফায়েল আহমেদ ছিলেন, আব্দুস ছামাদ আজাদ ছিলেন, জিল্লুর রহমান ছিলেন, তাজউদ্দীন সহ আরও অনেকে ছিলেন। একটা বড় টিম ছিল, যে যার কারণে উনি ফিরে আসার পর উনাকে পলিটিকাল গাইডলাইন পলিটিকাল গাইড্যান্স এই জিনিসগুলি দেওয়া সম্ভব ছিল এবং যার কারণে একটা বড়ভাবে এত বড় একটা ক্রাইসিস ৭৫ এর ১৫ অগস্টের পরে উনারা কিন্তু কামব্যাক করেছেন রাজনীতিতে এবং ভালোভাবে কামব্যাক করেছেন।

এই ট্রেনিংটা জায়গাটা আজকে জিরো। গত ছয় সাত বছরে আওয়ামী লীগের দ্বি পলিটিসাইজড হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগ পলিটিক্স বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আওয়ামী লীগের ওই নেতা এক সেকেন্ডে কেউ আর জনগণের কাছে অ্যাকসেপ্টেড কেউ আসেনি। এখানে সব নেতাদের সভানেত্রী নিজে পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছেন যে আমি ছাড়া সবাইকে কেনা যায়। তার মানে বেসিকালি সবাই চোর।

আর এখানে আওয়ামী লিগের একটা স্টাইল ছিল যে একজন ব্যক্তিকে আলোকিত করা হত। হঠাৎ রাজনীতিতে এ রকম হয়ে গেছে যে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ছিলেন একটি সিটে। আর বাকি সব ঝাড় বাতি, ইলেকট্রিসিটি নেই কেউই নেই। এভাবে কোনওদিন একটা রাজনৈতিক দল কিন্তু চলতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, ‘আপনি যদি সেকেন্ডের পলিটিশিয়ান হন। যেমন আজকে কি হচ্ছে, এরশাদ সাহেবের পতনের পরে তার কিছুদিনের মধ্যেই কিন্তু মিজান চৌধুরী অফিস খুলে বসেছিল। ওয়ান ইলেভেনের সময় খোন্দকার দেলোয়ার সেই ন্যাম ভবনে অফিস খুলে বসে এবং জিল্লুর রহমান সাহেব অফিস খুলে বসে। তো আজকে আওয়ামী লীগের মতো একটা দল সাড়ে চার মাস শেষ হয়ে গেল।

একটা নেতাকর্মী অফিস তো দূরের কথা, একটা মুরগির খোপ পেল না। যেখান থেকে দাঁড়িয়ে বলবে আসেন নেতাকর্মীরা ভালো থাকেন, এটা থাকেন ওটা থাকেন নাই। ওবায়দুল কাদেরের মতো মানুষ যারা আছেন এখন তো অনলাইন আছে অনেক কিছু করা যেতে পারে। মাঠ পর্যায়ে যারা নেতা আছেন উনারাও চিন্তা করে আমরা কার জন্য করব।’

পার্থ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের একটা ছেলে মনে করে আমরা করব, বেনিফিট পাবে শামীম ওসমান। কসবার কেউ চিন্তা করে আমরা করব বেনিফিট পাবেন নন পলিটিক্যাল আনিসুল হক। নওয়াবগঞ্জের কেউ চিন্তা করে আমরা করব বেনিফিট পাবে দরবেশ। তো আমর করে লাভ হবে কি?

আলটিমেটলি কেউ না কেউ উপর থেকে চলে আসবে হাইব্রিড এবং তারাই করবে। নিচের যারা কর্মীরা আছে তারা চিন্তা করে যে এই যে আজিজ খানের দায়দায়িত্ব, দরবেশের দায়দায়িত্ব, নজরুলের দায়দায়িত্ব লক্ষ কোটি টাকা করাপশন এই হত্যার দায়িত্ব আমরা নেব কেন? কার জন্য, কীসের জন্য নেব? সুতরাং বিশ্বাসের জায়গাটা নষ্ট হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘ভালো মানুষ যারা রাজনীতি করে বা করতো তারা চিন্তা করছে আমরা কার জন্য রাজনীতি করব। আওয়ামী লিগের সেকেন্ড বয় এবং সেকেন্ড ৩০ আর যারা আছে নানক সাহেব, রহমান সাহেব, দীপু মনি যারা আছেন তাদের কারোই গ্রহণযোগ্যতা জনগণের কাছে নাই। আপনি সূর্য হন, চাঁদ হন কিন্তু আপনার রাজনীতিতে ধারা রাখতে হবে আশেপাশে। না হলে কিন্তু আপনি টিকবেন না পলিটিক্সে।

আমার মনে হয় এই কারণে সলিমুল্লাহ স্যার যেভাবে বলেছেন যে আওয়ামী লীগ কোনওদিন ফিরে আসলে ওনার লেখাপড়ায় বৃথা, আমি অত কড়াভাবে বলব না। কিন্তু আমি আমার জায়গা থেকে দেখি এটা খুবই ডিফিকাল্ট ফর আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক সময় লাগবে এবং যখন আওয়ামী লীগ অনুশোচনা করে আবার শুরু করবে অথবা নেতৃত্ব পরিবর্তনের চিন্তা করবে, না ঠিক আছে যা হয়েছে হয়েছে, আমরা এভাবে করি, আমরা করি।

আমার কথা হল আওয়ামী লীগ যদি এখনই সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে, গণ অভ্যুত্থানকে চ্যালেঞ্জ করে, প্রতিটা মানুষের আত্মত্যাগকে চ্যালেঞ্জ করে এবং বলে এগুলো ষরযন্ত্র, এগুলো শত্রু। আওয়ামী লীগের রাজনীতিটাই শত্রু আর ষরযন্ত্র। আমরা যখনই যা কিছু করতা তা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হতো। রাজনতির যে মূলমন্ত্র সেগুলো আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করতো না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৪

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৪
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৯

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৪