শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

থাকতে চান ভারতেই, জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য ‘ক্ষমা চাইবেন না’ শেখ হাসিনা

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের জন্য তার কোনো ব্যক্তিগত দায় নেই। পাশাপাশি স্পষ্ট করে বলেছেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে যে কোনো সরকার গঠিত হলে তিনি দেশে ফিরবেন না এবং আপাতত ভারতে অবস্থান করবেন।

নিউজ ডেস্ক

৩০ অক্টোবর ২০২৫, ০০:২২

গত বছরের ছাত্রদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ চলাকালে নিহতদের বিষয়ে ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের জন্য তার কোনো ব্যক্তিগত দায় নেই। পাশাপাশি স্পষ্ট করে বলেছেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে যে কোনো সরকার গঠিত হলে তিনি দেশে ফিরবেন না এবং আপাতত ভারতে অবস্থান করবেন।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ভারতে অবস্থান করছেন। ক্ষমতা হারানোর পর এটিই তার প্রথম আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকার। ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার বুধবার রয়টার্স ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক দ্য ইনডিপেনডেন্ট-এ প্রকাশিত হয়।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধাপরাধ বিচারের আদালত—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল—শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি শেষ করেছে। অভিযোগ রয়েছে, গত বছরের আন্দোলনে তার নেতৃত্বে সংঘটিত দমন-পীড়নের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন, হত্যাকাণ্ড ও গুমের ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সে সময় অন্তত ১ হাজার ৪০০ জন নিহত এবং কয়েক হাজার মানুষ আহত হন।

নিহত বিক্ষোভকারীদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইবেন কি না—এমন প্রশ্নে শেখ হাসিনা দ্য ইনডিপেনডেন্ট-কে বলেন,

“জাতি হিসেবে আমরা আমাদের সন্তান, ভাইবোন, আত্মীয় ও বন্ধুকে হারিয়েছি। তাদের প্রত্যেকের জন্য আমি শোকাহত এবং আমার সমবেদনা অব্যাহত রাখব।”

তবে তিনি আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তার ভাষায়,

“আমি কোনো ব্যক্তিগত দায় স্বীকার করছি না। নিরাপত্তা বাহিনীর শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার কারণেই এ ধরনের প্রাণহানি ঘটেছে। একজন নেতা হিসেবে আমি সামগ্রিক দায় নিচ্ছি, তবে আমি কাউকে গুলি চালানোর নির্দেশ দিইনি, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

বর্তমানে তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম দেশে নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে রয়টার্স-কে ই-মেইলে শেখ হাসিনা বলেন,

“আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা শুধু অন্যায়ই নয়, আত্মঘাতীও বটে।” তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—সরকারে হোক বা বিরোধী দলে—এবং তার পরিবারের নেতৃত্ব থাকা জরুরি নয়।

তিনি আরও বলেন,

“এটা আমি বা আমার পরিবারের ব্যাপার নয়। বাংলাদেশ যে ভবিষ্যৎ চায়, তা অর্জন করতে হলে সাংবিধানিক শাসন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হবে। কোনো একক ব্যক্তি বা পরিবার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না।”

তবে তার এই বক্তব্য তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পূর্ববর্তী মন্তব্যের সঙ্গে ভিন্ন। ওয়াশিংটনে বসবাসরত জয় গত বছর রয়টার্স-কে বলেছিলেন, প্রয়োজন হলে তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

শেখ হাসিনা রয়টার্স-কে আরও জানান, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচিত সরকারের অধীনে তিনি দেশে ফিরবেন না এবং আপাতত ভারতে থাকবেন। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি বলেন,

“আমি দেশে ফিরতে চাই, তবে শর্ত একটাই—সেখানে বৈধ সরকার থাকতে হবে, সংবিধান অটুট থাকতে হবে এবং প্রকৃত আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানকালে সহিংস দমন-পীড়ন, গুমসহ নানা অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলমান রয়েছে। এর আগে ট্রাইব্যুনাল গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর যেকোনো “বিদ্বেষমূলক বক্তব্য” প্রকাশ বা প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল।

অন্যান্য

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন। তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং […]

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ২০:৫২

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং সংসদের মূল্যবান সময় বাঁচাতে সেগুলো প্যাকেজ আকারে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো দিয়েছি, কিন্তু কোনোটি গৃহীত হতে দেখিনি। সময়ের সদ্ব্যবহার ও রেওয়াজের প্রতি সম্মান রেখে আমরা সব ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করছি।”

এরপর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানান, ট্রেজারি বেঞ্চ বিষয়টি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দাবির পর ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো সরাসরি ভোটে উপস্থাপন করা হবে।

পরে স্পিকার দাবি নম্বর ৩৪ উত্থাপনের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

অন্যান্য

জাবিতে ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসি ভবনের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদ (রাজ) নামে এক বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। জানা গেছে, রিয়াজ আহমেদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযোগ […]

জাবিতে ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ১২:১৮

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসি ভবনের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদ (রাজ) নামে এক বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, রিয়াজ আহমেদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে প্রবেশ করলে এক শিক্ষার্থী তাকে সেখানে দেখতে পান। পরে তিনি অভিযুক্তের পরিচয় ও সেখানে প্রবেশের কারণ জানতে চাইলে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশে থাকা শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্তের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ধারণ করা একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়। এছাড়া ফোনে এমন কিছু টেলিগ্রাম চ্যানেলের তথ্যও পাওয়া গেছে, যেগুলোর সঙ্গে এ ধরনের ভিডিও আদান-প্রদানের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। মোবাইলে পূর্বে ধারণ করা নারীদের আরও কিছু ভিডিওও পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ও প্রক্টোরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর আলী বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা হওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যান্য

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ […]

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও সুপারিশপত্র জাল বা ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমপিও সুবিধা বাতিল হওয়া ১৩ শিক্ষক হলেন— মো. নুরুজ্জামান (গোলকপুর সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ), মো. মাহবুব রশিদ (তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট কামিল মাদ্রাসা, রংপুর), মো. আব্দুর রহমান ও মো. মাসুম বিল্লাহ (বাটাজোড় আলিম মাদ্রাসা, পিরোজপুর), মো. হারুনুর রশিদ (নেওয়াশী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কুড়িগ্রাম), করিমা খাতুন (মল্লিকেরবেড় ফাজিল মাদ্রাসা, বাগেরহাট), বিশ্বজিৎ সমাদ্দার (পাতাখালি ফাজিল মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা), শহীদুল হক (পাঁচখুবী আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, কুমিল্লা), মো. রোকনুজ্জামান (বেলাশী মদিনাতুল উলুম বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর), জালাল উদ্দিন (সাতবাড়ীয়া শাহ আমানত (র.) দাখিল মাদ্রাসা, ঢাকা), হাসিনা (বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, গাজীপুর), মো. মাহফুজুর রহমান (একডালা আউয়ালিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর) এবং নাসরিন সুলতানা (শেখেরগাঁও জামিউল উলুম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, নরসিংদী)।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা এ পর্যন্ত বেতন-ভাতা হিসেবে সরকারের কাছ থেকে যে অর্থ উত্তোলন করেছেন, তা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।