মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার না হতে হ্যাঁ ভোটের কোন বিকল্প নেই : ফয়েজ আহম্মদ তৈয়্যব

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর প্রতিনিধি : প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহম্মদ তৈয়্যব বলেছেন, কোন প্রধানমন্ত্রী যাতে ফ্যাসিস্ট না হতে পারে সেজন্য গণভোটের কোন বিকল্প নেয়। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী সকলকে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মেহেরপুর আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার উদ্বোধানকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি […]

ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার না হতে হ্যাঁ ভোটের কোন বিকল্প নেই : ফয়েজ আহম্মদ তৈয়্যব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:২৫

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর প্রতিনিধি :

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহম্মদ তৈয়্যব বলেছেন, কোন প্রধানমন্ত্রী যাতে ফ্যাসিস্ট না হতে পারে সেজন্য গণভোটের কোন বিকল্প নেয়। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী সকলকে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মেহেরপুর আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার উদ্বোধানকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, বিগত দিনে যে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন তাঁর হাতেই ক্ষমতা ছিলো। তিনিই সংসদীয় নেতা, সরকার প্রধান, মন্ত্রী পরিষদ নেতা, বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করেন। বিচার বিভাগের উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। তাঁর হাত ধরেই নিয়াগ হন প্রধান বিচারপতি ও সংসদে আইনও পাশ করা হয়।

তাঁর ইচ্ছার বাইরে গিয়ে পুলিশ প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, দুদক কেউ্ই কাজ করতে পারেনা। ফলে বার বার ফ্যাসিস্ট ফিরে আসে। এজন্য এই দেশে ক্ষমতার ভারসম্য, ক্ষমতার বিকেকন্ত্রীকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক স্¦ক্ষমতা দরকার।

তিনি আরো বলেন আমাদের দেশের সরকারের প্রধান দু’টি সমস্যা। একটি হলো প্রতিষ্ঠাগুলো সবচাইতে দূর্বল, রাজনৈতিক কতৃত্ববাদের বিপরিতে গিয়ে নিজেদের ইচ্ছাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেননা।

অন্যটি হলো আমাদের প্রশাসন স্বজনপ্রীতি ও দূর্ণীতিতে আচ্ছন্ন। এ অবস্থায় বিচার বিভাগকে ক্ষময়ায়ীত না করি, শাসন বিধান, বিচার বিভাগ ও সংসদ এই তিনটিকে আলাদা করতে না পারি। 

তাহলে ব্যাক্তি প্রধান মন্ত্রীর পিএস, তার ব্যাক্তিগত কর্মকর্তা, মন্ত্রনলায়ের মন্ত্রী ও সচিবের চাইতে বেশি মাত্রায় ক্ষমতাবান হয়ে যায়। এই কুফলগুলো থেকে যদি বাংলাদেশকে মুক্ত করতে হয় তাহলে হ্যাঁ ভোটের কোন বিকল্প নেয়। ফলে প্রতিবারই যে প্রধানমন্ত্রী হন সে স্বৈরাচর হয়ে যায়। এভাবে ৫৪ বছর ধরে একাধীক স্বৈরাচর আমরা দেখেছি।

সূতারং জুলাই গণ অভ্যূত্থানে দুই হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ দেওয়ার পরও ব্যাক্তি প্রধাননমন্ত্রী যাতে আবারও স্বৈরাচারী না হয়ে উঠতে পারে সেজন্য পরিবর্তনের পক্ষে হ্যাঁ ভোটের কোন বিকল্প নেয়।

একই অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার বলেছেন, যে দৃষ্টি নন্দন আইটি পার্ক নির্মিত সেখানে যেন ছবি তরুণরা তোলাই ব্যাস্ত না থাকে। এটিকে কাজে লাগিয়ে আইটি বিসয়ক বিবিন্ন প্রশিক্ষনের মাধ্যমে নিজেদেরকে দক্ষ জনবল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

শুধু নিজ দেশেই নয়, আইটির উপর জ্ঞান লাভ কওে অবদান রাখতে হবে বর্হিবিশ্বেও। কৃষি নির্ভও এ জেলায় আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কৃষির মান উন্নয়ন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ মোহাম্মদ সাইফুল হাসান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য মেখ বখতিয়ার উদ্দীন, জেলা প্রশাসক সেয়দ এনমুল কবির, পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়।

আইটি ট্রেনিং ইএকিউবেশন সেন্টার স্থান ২য় সংশোধীত প্রকল্পের আতায় ৬৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ১০ হাজার টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে এই আইটি পার্ক।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।