বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ হঠাৎ রাজপথে নেমে আসছে, যা জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাবি আদায়ের প্রয়াস সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। বিশেষত ঢাকায় রাজপথ দখল করে একের পর এক কর্মসূচি পালনের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। পাশাপাশি গাজীপুর ও আশুলিয়ার শ্রমিকঘন অঞ্চলেও মহাসড়ক অবরোধের মতো অচলাবস্থা […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:৫৯

নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ হঠাৎ রাজপথে নেমে আসছে, যা জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাবি আদায়ের প্রয়াস সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

বিশেষত ঢাকায় রাজপথ দখল করে একের পর এক কর্মসূচি পালনের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। পাশাপাশি গাজীপুর ও আশুলিয়ার শ্রমিকঘন অঞ্চলেও মহাসড়ক অবরোধের মতো অচলাবস্থা থেকে মুক্তি মিলছে না।

সম্প্রতি বিভিন্ন ইস্যুতে ঢাকার একাধিক খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সংঘাতে লিপ্ত হয়েছেন। এর আগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরাও একাধিকবার রাজপথ অবরোধ করেছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

ভুক্তভোগী ছাড়াও অপরাধ ও সমাজ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনশৃঙ্খলা ফেরাতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে নৈরাজ্য মোকাবিলা করা কঠিন। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পক্ষ থেকেও নাগরিকদের আরও দায়িত্বশীল আচরণে সহযোগিতা চাওয়া হয়।

সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক  বলেন, ঢাকায় নানা দাবি-দাওয়াকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনা ঘটছে। এটি মোকাবিলায় জোরালো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোথাও সরব, আবার কোথাও নীরব। দিনক্ষণ ও স্থান ঘোষণা দিয়েও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে কেউ কেউ এসবের ভেতর ইন্ধনের কথা বলছেন। গোয়েন্দাদের খুঁজে বের করতে হবে ঘটনার পেছনেও কোনো ঘটনা রয়েছে কিনা।

 

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন অধিকারকেন্দ্রিক আন্দোলন ও দাবি-দাওয়া থাকতেই পারে। তবে আন্দোলন যৌক্তিক কাঠামোর মধ্যে থাকা বাঞ্ছনীয়। তবে উন্মাদনা ভালো ফল আনে না। এসবের বিরুদ্ধে জোরালো ও কঠোর বার্তা দেওয়া জরুরি। সংঘাত-সহিংসতায় জড়ালে কারও পরিচয় মুখ্য নয়, যে হোক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আবার কেউ কেউ জনদুর্ভোগ ঘটিয়ে দাবি-দাওয়া আদায় করার চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ ছাড়া বাড্ডার ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের এক ছাত্র চিকিৎসা অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম ঘটনা ঘটে। ৩৫টি কলেজের শিক্ষার্থীরা একত্র হয়ে প্রথমে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি কবি নজরুল কলেজ এবং ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতাল ও কলেজে হামলা-ভাঙচুর করে। পরে আগাম ঘোষণা দিয়ে সোমবার সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীরা রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়ান। লন্ডভন্ড করা হয়েছে মোল্লা কলেজ।

এ ব্যাপারে মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওবায়দুল্লাহ নয়ন বলেন, অকল্পনীয় এই সংঘাতে ছাত্রদের কেউ ব্যবহার করেছে কিনা, নিশ্চয় গোয়েন্দারা তা বের করবে। আগের দিন ঘোষণা দিয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়েছে। সব তছনছ করা হয়েছে। প্রশাসনকে বিষয়টি আগেভাগে জানানোর পরও সময়মতো কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। যখন সবকিছু শেষ হয়ে গেছে, তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী হাজির হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক ছাত্র এখন সামান্য বিষয় নিয়ে উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছে। তারা শিক্ষক ও অভিবাবকদের কথা শুনতে চায় না। আমরা মেসেজ দিয়ে, বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি সামাল দেওয়ার কথা বলে ব্যর্থ হয়েছি।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় বলেন, ধীরে ধীরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কে অনাস্থা তৈরি হচ্ছে। ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণ করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে ছাত্র-শিক্ষক, গণমাধ্যমসহ সবার ভূমিকা আছে। নিজের স্বার্থে একজনকে ছোট করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা কিছু লিখে দেওয়ার যে মনোবৃত্তি, এখান থেকে বের হতে না পারলে ঘৃণা বাড়বে।

তিন কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘাত ছাড়াও সম্প্রতি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) ও ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লতিফ হলের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। একই সঙ্গে কয়েক দিন ধরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ও মালিকরা বিভিন্ন দাবি আদায়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন। সোমবার ব্যাটারিচালিত যানবাহন বন্ধে হাইকোর্টের আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ফের সড়ক অবরোধ করেন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা।

পুলিশ সদরদপ্তরের মুখপাত্র এআইজি ইনামুল হক সাগর বলেন, প্রত্যাশা থাকবে, নাগরিক জীবন বিপন্ন হোক এমন কোনো পরিস্থিতি যাতে না ঘটে। নগরবাসীকে বিপাকে ফেলে কারও কর্মসূচি প্রত্যাশিত নয়।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর প্রথমে কিছুদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকার রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। সচিবালয়ে আনসার সদস্যদের বিক্ষোভও ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। এমন পরিস্থিতিতে ২৬ আগস্ট বাংলাদেশ সচিবালয় ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার আশপাশে যে কোনো ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়। এর পরও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে দাবি-দাওয়া জানানো হচ্ছে। ঘর থেকে বের হলেই আকস্মিক বিপাকে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় যানজটে আটকা পড়ছেন তারা। রাস্তাঘাট বন্ধ করে অন্যদের জিম্মি করার মধ্য দিয়ে এসব অপ্রীতিকর ঘটনা দাবি আদায় বা চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে মনে করছেন অনেকে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ডিসি তালেবুর রহমান বলেন, সবাইকে ধৈর্যশীল ও সহনশীল আচরণ করতে হবে। কোনো দাবি থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সঠিক মাধ্যমে উপস্থাপন করা যেতে পারে। চলমান পরিস্থিতি পুলিশ আইনের প্রতি যত্নশীল হয়েই দায়িত্ব পালন করছে।

 

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।