বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ওয়াজ মাহফিলে সব ধরণের রাজনৈতিক বক্তব্য নিষিদ্ধ : প্রধান উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর বিধিনিষেধের পরামর্শ দিয়েছেন একাধিক জেলা প্রশাসক (ডিসি)। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ৬৪ জেলার ডিসি এবং আট বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভায় এই প্রস্তাব ওঠে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় জাতীয় নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তুতি, চ্যালেঞ্জ এবং প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা নিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:০২

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর বিধিনিষেধের পরামর্শ দিয়েছেন একাধিক জেলা প্রশাসক (ডিসি)। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ৬৪ জেলার ডিসি এবং আট বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভায় এই প্রস্তাব ওঠে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় জাতীয় নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তুতি, চ্যালেঞ্জ এবং প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

সভায় দুইজন ডিসি মত প্রকাশ করেন—ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধ করা জরুরি। তাদের মতে, ধর্মীয় মাহফিলকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধ বাড়ছে। এই কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধিতে একটি স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা যুক্ত করা উচিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “ডিসিদের প্রস্তাবটি ভালো। নির্বাচন কমিশন এটি পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।” তিনি আরও বলেন, ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য যুক্ত হলে সংঘাত ও ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে। তাই অনুমতি দেওয়ার সময় শর্ত যোগ করার প্রয়োজন রয়েছে।

এ সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা রাজনৈতিক প্রচারণায় যুক্ত হওয়া নিয়েও আলোচনায় তোলপাড় হয়। ডিসিরা জানান—যারা রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে বেতন পান, তারা আবার নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে যাচ্ছেন এবং পরবর্তীতে তারাই ভোটের দিন প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এতে সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। এ কারণে এমপিওভুক্তদের রাজনৈতিক প্রচারণায় অংশগ্রহণ সীমিত করার প্রস্তাব উঠে আসে।
রাজশাহীর এক ডিসি বলেন, “শিক্ষকরা মূল বেতন সরকারের কাছ থেকে পান। তারা রাজনৈতিক প্রচারণায় প্রকাশ্যে জড়ালে ভোটকেন্দ্রে নিরপেক্ষতা হুমকির মুখে পড়ে।” পূর্বেও ঝিনাইদহের তৎকালীন ডিসি মনিরা বেগম এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সরকারি কর্মচারীর মতো বিধিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছিলেন—যাতে শিক্ষকতার বাইরে অন্য পেশায় যুক্ত হওয়া ও রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়া নিরুৎসাহিত করা যায়।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ আব্দুর রশীদের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে প্রশাসন, নিরাপত্তা ও আচরণবিধি বাস্তবায়নে ডিসিদের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন তারা।

ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য নিষিদ্ধের প্রস্তাব এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে—এটি নির্বাচন কমিশন কত দ্রুত ও কীভাবে বাস্তবায়ন করে, তা নজরে রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।