সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখতে ইইউ দল ঢাকায় আসছে ১৮ সেপ্টেম্বর

“সকল প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ এবং ভোটারদের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত হওয়া।” বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ ছাড়া একটি জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করার চেষ্টা, ইইউ-এর কাছে প্রহসনের শামিল হতে পারে বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৫, ০৩:২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে আবারও সক্রিয় হয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ রাজনীতি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে একটি প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে, যারা ৭ অক্টোবর পর্যন্ত অবস্থান করবে। এই সফরের উদ্দেশ্য একটাই—বাংলাদেশের নির্বাচন আদৌ গণতান্ত্রিক, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হতে যাচ্ছে কি না, তা মূল্যায়ন করা।

তিনজন বিদেশি ও চারজন স্থানীয় বিশ্লেষকসহ মোট সাত সদস্যের এই দল নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি-জামায়াতসহ রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, আন্তর্জাতিক সংস্থা, সাংবাদিক এবং কূটনীতিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করবে। মূলত এই অনুসন্ধানী টিমের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করবে ইইউ ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে কি না।

তবে এই সফরের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুতর রাজনৈতিক পরিবর্তন ইইউকে ভাবিয়ে তুলছে—আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দলটির নিবন্ধন স্থগিত। অন্তর্বর্তী সরকারের এই ঘোষণায় দলটির অনলাইন, নির্বাচনী প্রস্তুতি, রাজনৈতিক সভা এমনকি প্রচারণা—সবকিছু নিষিদ্ধ হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা পশ্চিমা কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন তুলছে: আসন্ন নির্বাচন কি সত্যিই হবে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’?

ইইউ পূর্বেও স্পষ্টভাবে বলেছে—তাদের কাছে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মানে হচ্ছে

“সকল প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ এবং ভোটারদের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত হওয়া।”

বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ ছাড়া একটি জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করার চেষ্টা, ইইউ-এর কাছে প্রহসনের শামিল হতে পারে বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এই পরিস্থিতি ইইউ-কে জটিল এক কূটনৈতিক চাপে ফেলেছে। একদিকে তারা গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও সুশাসনের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বাংলাদেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়। অন্যদিকে, শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নির্বাচন থেকে নির্বাসন আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচনকে সন্দেহজনক করে তুলতে পারে। এ অবস্থায়, ইইউ যদি মনে করে যে নির্বাচন পর্যাপ্ত অংশগ্রহণমূলক নয়, তারা ‘পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ দল’ পাঠানো থেকে সরে দাঁড়াতে পারে।

ইইউর একটি সূত্র স্পষ্ট করে বলেছে—

“আমরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করি তখনই, যখন অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা বজায় থাকে।”

আর তাই আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা যদি তাদের দৃষ্টিতে গণতন্ত্রের পরিপন্থী হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তারা এই নির্বাচনের স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানাতেও পারেন।

স্মরণযোগ্য যে, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ইইউ পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ দল পাঠায়নি। তারা সীমিত অনুসন্ধানী দল পাঠিয়েছিল, যা একটি রাজনৈতিক বার্তা বহন করেছিল। একইভাবে এবারও তারা পুরো মূল্যায়ন শেষে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে যে—এই নির্বাচন ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং ‘অনির্বাচনী শাসনের ধারাবাহিকতা’।

একইসাথে, ১৩ জুন লন্ডনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে নীতিগত ঐক্যমত্য হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা থাকবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে তারিখ ঘোষণা করেনি। এই বিলম্বকেও ইইউ মূল্যায়নের অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে পারে, কারণ নির্বাচন যত পিছাবে, তত আন্তর্জাতিক সন্দেহ বাড়বে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রাক-নির্বাচনী দল বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ, নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নাগরিক স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা—এসব নিয়েই একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন তৈরি করবে। এই রিপোর্টটি ব্রাসেলসে ইইউ সদর দপ্তরে পাঠানো হবে এবং সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—এটা একটি ‘ভোট’ হবে, নাকি আরেকটি ‘ভাওতাবাজি’।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।