শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ভারতের সব নিষেধ আমাদের জন্যে আত্মনির্ভরশীলতার সুযোগ’

বাংলাদেশি কিছু পণ্যের ওপর ভারতের স্থলবন্দর আমদানি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, ভারতীয় নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতিকর হলেও এটি বাংলাদেশের জন্য আত্মনির্ভরশীলতার দিকে অগ্রগতির একটি সম্ভাবনাময় মুহূর্ত। বুধবার (২২ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ মে ২০২৫, ০০:২৮

বাংলাদেশি কিছু পণ্যের ওপর ভারতের স্থলবন্দর আমদানি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, ভারতীয় নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতিকর হলেও এটি বাংলাদেশের জন্য আত্মনির্ভরশীলতার দিকে অগ্রগতির একটি সম্ভাবনাময় মুহূর্ত।

বুধবার (২২ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে উপদেষ্টা লিখেন, “ব্যবসায়ীদের সাময়িক হয়তো কিছু ক্ষতি হবে, তবে দীর্ঘমেয়াদে আমরা মনে করি, এটি আমাদের আত্মনির্ভরশীলতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ।” একই কথা তিনি বলেন সাভারের জাতীয় যুব ইনস্টিটিউটে যুব সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে।

সম্প্রতি ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশ থেকে পোশাক, সুতা, প্লাস্টিক পণ্য, কনফেকশনারি এবং জুস ইত্যাদি পণ্য স্থলপথে আর প্রবেশ করতে পারবে না। এসব পণ্য এখন থেকে কেবল কলকাতা কিংবা মহারাষ্ট্রের নাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে প্রবেশের অনুমতি পাবে। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য তাৎক্ষণিক ধাক্কা হয়ে এলেও সরকারের দৃষ্টিতে এটি ঘরোয়া শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নতুন এক বাস্তবতা তৈরি করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে এই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশকে নিজস্ব প্রযুক্তি, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজার সম্প্রসারণে বাধ্য করবে, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও টেকসই করে তুলবে। অতীতে ভারতীয় নীতিগত পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশি পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে স্থানীয় উৎপাদনে যে বিকল্প সক্ষমতা গড়ে উঠেছিল, তা এখন অর্থনৈতিক উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

একইসঙ্গে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ একটি ভিন্ন প্রযুক্তিগত সম্ভাবনার দিকেও ইঙ্গিত করেন। তিনি বলেন, স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট প্রকল্প বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে এখনো অপটিক্যাল ফাইবার পৌঁছেনি, সেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। তিনি লেখেন,

“দেশের প্রতিটি জনপদে ইন্টারনেট নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। স্টারলিংক এই বাস্তবায়নে সহায়ক হবে বলে আমরা আশাবাদী।”

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ডিজিটাল সংযুক্তির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে এবং “Smart Bangladesh” ভিশনের আওতায় ২০২৫ সালের মধ্যে ১০০ শতাংশ ইন্টারনেট কাভারেজ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে স্টারলিংক সংযোগ এক নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে বলে ধারণা প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের।

সামগ্রিকভাবে, বাণিজ্য নীতিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা ও প্রযুক্তিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা—দুটি বিষয় নিয়েই উপদেষ্টার মন্তব্য বাংলাদেশের নতুন নীতিগত বাস্তবতা এবং কৌশলগত অভিযোজনকে সামনে এনে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সরকার ও বেসরকারি খাত যৌথভাবে কিভাবে এই সংকটকে সুযোগে রূপান্তর করতে পারে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।