বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

যার সন্তান হারায়নি, সে এর যন্ত্রণা বুঝবে না: শহীদ আল আমিনের মা

 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উল্লাসে মেতে ওঠে সারাদেশ। ওই দিন দুপুরের পর থেকেই সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বিজয় মিছিল নিয়ে নেমে পড়ে রাস্তায়। সেই মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের সন্ত্রাসীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে শাহাদত বরণ করেন আল আমিন। ৫ আগস্ট দুপুরে সারাদেশের মানুষের মত রাজধানীর বাড্ডা এলাকায়ও […]

যার সন্তান হারায়নি, সে এর যন্ত্রণা বুঝবে না: শহীদ আল আমিনের মা

ছবি: সংগৃহিত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৫, ২০:৪৯

 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উল্লাসে মেতে ওঠে সারাদেশ। ওই দিন দুপুরের পর থেকেই সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বিজয় মিছিল নিয়ে নেমে পড়ে রাস্তায়। সেই মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের সন্ত্রাসীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে শাহাদত বরণ করেন আল আমিন।

৫ আগস্ট দুপুরে সারাদেশের মানুষের মত রাজধানীর বাড্ডা এলাকায়ও আনন্দ মিছিলে নামে উৎফুল্ল জনতা। মিছিলে যোগ দেন আল আমিন হোসেন আগমন চিশতীও।
পুরো রাজধানী জুড়ে যখন মানুষের বিজয় উৎসব চলছে তখনও বাড্ডা এলাকায় পুলিশ এবং আওয়ামীলিগ ও  এর বিভিন্ন  অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এর এক পর্যায়ে একটি গুলি আল আমিনের মাথায় লাগে। উপস্থিত ছাত্র-জনতা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আল আমিন হোসেন আগমনের গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার নাপিতখালী গ্রামে। তার বাবা হানিফ চিশতী (৬৬)। মা মনিহার বেগম (৪৬)। আল আমিনের তিনটি ছোট বোন রয়েছে। তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন । স্বেচ্ছাসেবক দল ভাটারা থানার যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন আল আমিন।
রাজধানীর পল্টনের অফিসে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-এর প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে গণ-অভ্যুত্থানে  শহীদ আল আমিন হোসেন চিশতীর বাবা হানিফ চিশতী এসব কথা বলেন।

শহীদ আল আমিন দরিদ্র মানুষকে সবসময় সাহায্য করতেন জানিয়ে বাবা হানিফ চিশতী বলেন, ছেলেটা আমার শান্ত স্বভাবের ছিল।  সে দরিদ্র মানুষকে সহযোগিতা করত। কার ঘরে খাবার নেই, কে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না-খোঁজ নিয়ে সবাইকে সহযোগিতা করত। আমার ছেলেটার জন্য মহল্লার মানুষ এখনও কাঁদে।
 
৫ আগস্ট দুপুর ৩ টার দিকে বাড্ডা থানায় প্রবেশের মুখের রাস্তায় (ফুলকলি মিষ্টির দোকানের সামনে) গুলিবিদ্ধ হন তিনি। ৬ আগস্ট বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর আল আমিনের লাশ ৭ আগস্ট দুপুরের দিকে বরগুনার নাপিত খালি গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

বাবা হানিফ চিশতী বলেন, ‘ও আমার একমাত্র সন্তান ছিল। বিএনপির রাজনীতি করার কারণে বিগত ১৬ বছর ওর সাথে আমার ঠিক মত দেখা হয়নি। পুলিশের গ্রেফতারের ভয়ে সে কখন কোথায় থেকেছে তার ঠিক ছিল না।’
তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন যখন শুরু হয় তখন থেকেই সে আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে পডে। বাসায় ঠিক মত আসত না। ফোনেই ওর সাথে বেশি যোগাযোগ হত।আমি অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকতাম।

শহীদ আল আমিনের বাবা হানিফ চিশতী বলেন, বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে আমার এক আত্মীয় ফোন করে জানায় আল আমিনের গুলি লাগছে। এই কথা শুনে বলি, কোথায় আছে আল আমিন? তখন সে বলে বাড্ডায় যেতে। আমি সেখানে গিয়ে শুনি ওকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে। পরে অনেক কষ্ট করে ঢাকা মেডিকেলে যাই।

সেদিন পুরো ঢাকা ছিল মিছিলের নগরী। ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছে দেখে একের পর এক লাশ আর আহত রোগী আসছে। চারদিকে শুধু মানুষের কান্নার রোল। পরে অনেক সময় খোঁজাখুজি করে মর্গে গিয়ে আল আমিনের লাশ পাই। দেখি, গুলিতে ঝাঁজরা রক্তমাখা নিথর দেহ পড়ে আছে। ডাক্তার বলেন, আপনার ছেলে মারা গেছে, দ্রুত লাশ নিয়ে যান।

গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আল আমিনের মা মনিহার বেগম বলেন, ‘যার সন্তান হারায়নি, সে সন্তান হারানোর যন্ত্রণা বুঝবে না। এখনো শুনতে পাই, আল আমিন আমাকে মা মা বলে ডাকছে। কিন্তু আমার বাবা তো চলে গেছে অনেক দূরে। বিগত ১৬ বছর আমার ছেলেডারে ঠিক মত রান্না করে খাওয়াতে পারি নাই।’

আল আমিন হোসেন শহীদ হওয়ার ঘটনায় ২১ সেপ্টেম্বর বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তাঁর মা মনিহার বেগম। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়াও এই মামলায় আরও ২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।