সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

এবার পরিবর্তন করা হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নাম

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর নাম পরিবর্তন করে এখন থেকে ‘বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১’ রাখা হয়েছে। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে নতুন নামকরণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকারের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১) এর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন […]

এবার পরিবর্তন করা হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নাম

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৫, ১৬:৫৮

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর নাম পরিবর্তন করে এখন থেকে ‘বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১’ রাখা হয়েছে। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে নতুন নামকরণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরকারের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১) এর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন করেছেন। এ অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে স্যাটেলাইটটির পরিচিতি আরও বিস্তৃত হবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ নামে পরিচিতি লাভ করবে। তবে কিছু মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পর কেন হঠাৎ এই পরিবর্তন করা হলো এবং এর পেছনে আসল কারণ কী?

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা ও নীতিনির্ধারকরা উল্লেখ করেন যে, স্যাটেলাইটটি এখন কেবল একটি নির্দিষ্ট নামের সঙ্গে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো দেশের পরিচয় বহন করবে। তাই ‘বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১’ নামটি উপযুক্ত বলে মনে করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নাম পরিবর্তনের ফলে স্যাটেলাইটটির কার্যক্রম ও ব্র্যান্ডিং আরও বিস্তৃত হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ একটি জাতীয় সাফল্যের প্রতীক হিসেবে আরও শক্তিশালীভাবে উপস্থাপিত হবে।

তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে বলছেন, বঙ্গবন্ধুর নাম সরিয়ে ফেলা মানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে মুছে ফেলার চেষ্টা। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পরিবর্তনের উদ্দেশ্য কেবল প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সহজ করা।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নাম পরিবর্তনের ফলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশ আরও স্বতন্ত্রভাবে উপস্থাপিত হবে এবং ভবিষ্যতে নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রেও এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ফরম্যাট হয়ে উঠবে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ এর নতুন লোগো ও ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম শুরু হবে, যাতে এটি নতুন নামে সব প্ল্যাটফর্মে পরিচিত হয়। এর পাশাপাশি স্যাটেলাইট পরিচালনায় ব্যবহৃত সরকারি নথিপত্র, ওয়েবসাইট ও প্রযুক্তিগত নথিতেও নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, নাম পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি সেবা প্রদান বা স্যাটেলাইটের কার্যকারিতায় পড়বে না। তবে এটি বাংলাদেশের মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সাধারণ জনগণের প্রতিক্রিয়া নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সরকারের উচিত ছিল বিষয়টি নিয়ে গণপরিষদের মাধ্যমে পরামর্শ নেওয়া। তবে সরকার বলছে, এটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং দেশের স্বার্থেই এটি নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং পূর্ব আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। নাম পরিবর্তনের পর স্যাটেলাইটটির কার্যক্রম ও লক্ষ্য আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।