সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ছোটবেলা থেকেই টিস্যু ব্যবহার করে পকেটে রাখি, তারপর ডাস্টবিনে ফেলে দিই: প্রধানমন্ত্রী

দেশকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে নাগরিকদের ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হলে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল-বাটাজোর খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। নিজের […]

ছোটবেলা থেকেই টিস্যু ব্যবহার করে পকেটে রাখি, তারপর ডাস্টবিনে ফেলে দিই: প্রধানমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ জুলাই ২০২৬, ২০:১৯

দেশকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে নাগরিকদের ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হলে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল-বাটাজোর খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

নিজের ব্যক্তিগত অভ্যাসের উদাহরণ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ব্যবহৃত টিস্যু যেখানে-সেখানে না ফেলে পকেটে রেখে পরে নির্ধারিত স্থানে ফেলে দেন তিনি। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই এ অভ্যাস গড়ে তুলেছেন, যাতে নিজের কাজের মাধ্যমে অন্যদেরও উৎসাহিত করা যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার পকেটে হাত দিলে টিস্যু পাওয়া যাবে। ব্যবহার করার পর আমি টিস্যু পকেটে রেখে দিই। রাতে বাসায় গিয়ে ডাস্টবিনে বা নির্দিষ্ট স্থানে সেগুলো ফেলে দিই।”

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু কয়েকজনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। মানুষ যদি নিজেদের অভ্যাস পরিবর্তন করে, তাহলে দেশকে পরিষ্কার রাখা অনেক সহজ হবে।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে হবে। পানির বোতল, প্যাকেটসহ ব্যবহার শেষে যেসব জিনিসের প্রয়োজন থাকে না, সেগুলো রাস্তাঘাটে ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, “নিজের ঘর যেমন আমরা পরিষ্কার রাখি, দেশকেও তেমন নিজের ঘরের মতো ভাবতে হবে। বাইরে থেকে কেউ এসে আমাদের দেশ পরিষ্কার করে দিয়ে যাবে না। দেশকে সুন্দর করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনেই পড়ে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও এর নেতিবাচক ফল ভোগ করতে হয়।

সরিকল-বাটাজোর খালে ভাসমান প্লাস্টিকের বোতল দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েকজন মানুষ পরিষ্কার রাখলেও অন্যরা নিয়মিত ময়লা ফেললে কোনো স্থান পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। তাই সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি বলেন, “দেশটাও ঘরের মতো। কয়েকজন পরিষ্কার করবে আর সবাই ময়লা করবে—এভাবে দেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। যেখানে ময়লা ফেলার জায়গা, সেখানেই ময়লা ফেলতে হবে।”

বাজার, সড়ক ও জনসমাগমস্থলে ছড়িয়ে থাকা আবর্জনা পরিবেশের পাশাপাশি দেশের সৌন্দর্যও নষ্ট করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই সচেতন হলে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে নতুন খনন করা সরিকল খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর গৌরনদীতে পৌঁছায়। সেখানে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ স্থানীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানান।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।