ভারতে অবস্থানরত পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের বিষয়টি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ভারতে অবস্থান করে কয়েকজন পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন বক্তব্য দিচ্ছেন, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে। তিনি জানান, তাদের অনেকেই বিভিন্ন মামলার আসামি, কারও বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং কেউ কেউ দণ্ডপ্রাপ্তও হয়েছেন।
এ কারণে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিষয়টি ভারতের কাছে নিয়মিতভাবে উত্থাপন করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে তুরাগ নদে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও আলোচনায় আসে। এ বিষয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। তিনি জানান, তদন্তে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের দায় থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকলেও দলটি আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হয়নি। এ বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবন মূল্যবান এবং সবাইকে রাষ্ট্রের আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে।