আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ দাবি করেছেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় সামরিক পরিস্থিতির পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে মধ্যস্থতার অনুরোধ করেছিলেন। তাঁর ভাষ্য, এরপর ট্রাম্পের উদ্যোগে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি শত্রুতা নয়’ পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে ব্যারিস্টার ফুয়াদ এটিকে ‘কার্যকর নয়’ বলে মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশের অবস্থানকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনসহ কয়েকটি কূটনৈতিক প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তবে এসব বিষয়ে তিনি কোনো প্রামাণ্য তথ্য বা নথি উপস্থাপন করেননি।
পাকিস্তান, ভারত, মিয়ানমার ও যুক্তরাজ্যকে ঘিরে প্রচলিত রাজনৈতিক বয়ান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবি পার্টির এই নেতা। তাঁর মতে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আরও বাস্তবধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।
তিস্তা প্রকল্প প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, এ বিষয়ে চীনের সাম্প্রতিক অবস্থানকে তিনি দিল্লির প্রতি একটি কৌশলগত বার্তা হিসেবে দেখেন। তাঁর দাবি, বাংলাদেশ ও চীনের সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।