মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সম্পদ বিতর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের হলফনামায় ভিন্ন চিত্র

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তার নির্বাচনী হলফনামা এবং পারিবারিক ব্যবসা-সংক্রান্ত নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, মীর শাহে আলমের নামে ১ হাজার ৮২৪ শতাংশ জমি এবং ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য […]

সম্পদ বিতর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের হলফনামায় ভিন্ন চিত্র

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২২

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তার নির্বাচনী হলফনামা এবং পারিবারিক ব্যবসা-সংক্রান্ত নতুন তথ্য সামনে এসেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, মীর শাহে আলমের নামে ১ হাজার ৮২৪ শতাংশ জমি এবং ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য উল্লেখ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি বিধি অনুসারে স্বার্থের সংঘাত এড়াতে তিনি পারিবারিক ব্যবসার মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান।

তিনি জানান, পরবর্তীতে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার, পরিচালনা এবং মালিকানাসংক্রান্ত দায়িত্ব পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে ব্যবসাগুলো পরিবারের সদস্যরাই পরিচালনা করছেন।

ব্যবসার পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে জাতীয় নির্বাচনের আগে, চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি পরিবারের মালিকানাধীন রোমা অটো রাইস মিল ৪২ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়। নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া এ বিক্রয়ের ক্রেতা ছিলেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ব্যবসায়ী রবিউল আলম। তিনি জানান, মিলটির মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট সব দায়িত্ব তিনি বুঝে নিয়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বগুড়ার শিবগঞ্জের মীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কৃষি, শিল্প ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এবং এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে পরিচিত।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রতিমন্ত্রীর সম্পদ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়। ওই প্রতিবেদনে ৩১ শতাংশ জমির তথ্য উল্লেখ করা হলেও, নির্বাচনী হলফনামায় ১ হাজার ৮২৪ শতাংশ জমি ও ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য রয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রীর নামে নতুন করে ২৪২ শতাংশ জমি কেনার যে দাবি করা হয়েছে, তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান। তার ভাষ্য, আলোচিত জমিটি ব্যক্তি হিসেবে মীর শাহে আলমের নামে নয়; বরং রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেডের নামে কেনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, মীর শাহে আলম দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি ব্যবসার মালিকানা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে তারা জানেন। তার মতে, একটি মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে বিতর্কিত করতেই অপপ্রচার চালাচ্ছে।

অন্যদিকে, শিবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রউফ রুবেল বলেন, আলোচিত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ও উপস্থাপিত তথ্যের মধ্যে যথেষ্ট সামঞ্জস্য ছিল না। তার মতে, আকর্ষণীয় শিরোনাম থাকলেও প্রতিবেদনে পূর্ণাঙ্গ তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়নি।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।