প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, সময় ও পরিস্থিতি অনুকূল হলে এবং প্রয়োজন দেখা দিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন।
শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিদেশ সফরের সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থ ও দ্বিপাক্ষিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে নেওয়া হবে। কোন দেশে কখন সফর করা হবে, তা বাংলাদেশ নিজেই নির্ধারণ করবে।
হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সফরের সিদ্ধান্তও প্রয়োজন ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোনো বাহ্যিক চাপ বা নির্দিষ্ট দেশের প্রভাব দ্বারা পরিচালিত নয়। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
মালয়েশিয়া ও চীন সফর প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, সফর দুটি পরিকল্পিত এবং ফলপ্রসূ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মালয়েশিয়া সফরে আসিয়ান সদস্যপদ, শ্রমবাজার এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে। অন্যদিকে চীন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বিভিন্ন সহযোগিতার বিষয় আলোচনায় থাকবে।
বিদেশ সফরের ব্যয় সম্পর্কে তিনি বলেন, জনগণের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সব সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে যাচাই-বাছাই করা হয়। এগুলো অপচয়মূলক নয়, বরং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট মূল্যভিত্তিক সফর।
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, এটি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার এবং এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে।