শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

তিন মাসে হামের ভয়াবহতা অপ্রতিরোধ্য, নেপথ্যে যে কারণ

দেশে শিশুদের মধ্যে মহামারি আকারে হাম ছড়িয়ে পড়ার পর তিন মাস পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রতিদিনই জ্যামিতিক হারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। খবর বিবিসি বাংলার। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, হাম ও এই রোগের উপসর্গে সংক্রমণের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৮৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৬৫২ শিশু। দীর্ঘ সময় পরও […]

তিন মাসে হামের ভয়াবহতা অপ্রতিরোধ্য, নেপথ্যে যে কারণ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ জুন ২০২৬, ১৪:০২

দেশে শিশুদের মধ্যে মহামারি আকারে হাম ছড়িয়ে পড়ার পর তিন মাস পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রতিদিনই জ্যামিতিক হারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। খবর বিবিসি বাংলার।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, হাম ও এই রোগের উপসর্গে সংক্রমণের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৮৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৬৫২ শিশু। দীর্ঘ সময় পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এবং এত বিপুলসংখ্যক শিশুর মৃত্যুর জন্য অব্যবস্থাপনা ও ভুল সিদ্ধান্তকেই দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. বেনজির আহমেদ এই পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার মতে, সরকারের ‘মিস ম্যানেজমেন্ট’ বা অব্যবস্থাপনার কারণেই এত বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পরও হামকে ‘মহামারি’ ঘোষণা না করা এবং দেশজুড়ে ‘স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ জারি না করাটা সরকারের একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।

জরুরি অবস্থা জারি না করার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ডা. বেনজির আহমেদ জানান, মহামারি ঘোষণা করলে এটিকে নিজেদের ব্যর্থতা বা দুর্বলতা হিসেবে গণ্য করা হবে- এমন একটি অমূলক রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত এড়াতে পারে। অথচ শুরুতেই যদি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইসিইউ সুবিধা বাড়ানো যেত এবং ডাক্তার ও নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে একসঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করা হতো, তবে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম হতো।

বাংলাদেশ থেকে প্রায় নির্মূল হয়ে যাওয়া হাম পুনরায় ফিরে আসার পেছনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তুমুল বিতর্ক চলছে। বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই সংক্রমণের জন্য বিগত আওয়ামী লীগ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, প্রতি চার বছর পর পর ‘এমআর টিকা’ ক্যাম্পেইন করার কথা থাকলেও ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর পূর্ববর্তী সরকারগুলো তা করেনি, যার প্রভাব এখন দৃশ্যমান হচ্ছে। হামের প্রাদুর্ভাবের ক্ষেত্রে আগের দুই সরকারের দায় কতটুকু, তা জানতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (ডব্লিউএইচও) একটি স্বাধীন তদন্ত করার অনানুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, প্রাদুর্ভাবের পেছনে আগের সরকারের ভূমিকা থাকলেও গত তিন মাসে এটি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার পূর্ণ দায় বর্তমান সরকারের।

সরেজমিনে ঢাকার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, সবখানেই হামের ওয়ার্ডগুলো রোগী দিয়ে প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোগীর চাপ গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

চিকিৎসকদের মতে, ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগীরা মূলত নিউমোনিয়ার মতো বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা (কমপ্লিকেশন) নিয়ে দেরিতে হাসপাতালে পৌঁছানোর কারণে তাদের বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের পরিবারগুলো চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দিনমজুর আব্দুল গণির মতো অনেক অভিভাবক ধার-দেনা করে সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগাচ্ছেন, আবার অনেকের প্রথম সন্তান হামে মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় সন্তানও একই লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে লড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১৫ দিন পর এই প্রাদুর্ভাব শুরু হয় এবং সরকার যথাসময়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণেই মৃত্যুর সংখ্যা হাজার হাজার না হয়ে তুলনামূলক কম রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের চেষ্টার কমতি নেই বলেও তিনি জানান।

বর্তমানে সরকার দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বা শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ বলয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে। তবে দুই মাস আগে এই কর্মসূচি শুরু হলেও এখনো শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে আবার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করায় সামনের দিনগুলোতে হাম পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সরকারের জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ ঢাকার আরও বেশকিছু হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, সবখানেই হামের ওয়ার্ডগুলোতে রোগি প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউটের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, রোগির চাপ আরও অনেক বেশি ছিল। গত সপ্তাহ থেকে কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।