মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

মহাসড়কের পাশে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: সড়কমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, মহাসড়কের পাশে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি নির্মাণাধীন সড়কে পড়ে থাকা যন্ত্রপাতি দ্রুত সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জনগণের অসচেতনতা ও থ্রি-হুইলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে […]

মহাসড়কের পাশে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: সড়কমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ মে ২০২৬, ১৮:৪৩

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, মহাসড়কের পাশে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি নির্মাণাধীন সড়কে পড়ে থাকা যন্ত্রপাতি দ্রুত সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জনগণের অসচেতনতা ও থ্রি-হুইলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

রোববার (১৭ মে) রাজবাড়ী পৌর মিলনায়তনে দৌলতদিয়া বাস ডুবির ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও আহতদের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, “এটি শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। সড়কে প্রাণহানি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। তবে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।”

জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ রাজবাড়ী সার্কেলের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ ও সড়ক পরিবহন বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ঈদযাত্রা সরকারের জন্য প্রতি বছরই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষ রাজধানী ছেড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করেন। এই বিশাল যাত্রীচাপ সামাল দিতে সড়ক, রেল ও নৌপথে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এবারের ঈদ উপলক্ষে প্রায় ২০৮টি ঝুঁকিপূর্ণ মোড় চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে মোবাইল কোর্ট, হাইওয়ে পুলিশ ও সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হবে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। ফেরি সম্পূর্ণভাবে ভিড়ার আগেই বাসটি সামনে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং ব্রেক বিকল হয়ে যাওয়ায় সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট পরিবহন কোম্পানিকে শোকজ করা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এর আওতায় প্রায় ৬০ হাজার চালককে প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং মাদকাসক্তি শনাক্তকরণের ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়া দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি জানান, রাজবাড়ীতে নিহত ৪৮ জন, গুরুতর আহত ২ জন ও আহত ১২ জনসহ মোট ৬২ জনকে প্রায় ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, “এটি কোনো ক্ষতিপূরণ নয়, বরং সহমর্মিতার প্রকাশ।” তিনি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে আধুনিক ঘাট ব্যবস্থাপনা এবং দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৪ সাল থেকে এ অঞ্চলের মানুষ সড়ক ও নৌপথের দুর্ঘটনা কমাতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। এ সেতু বাস্তবায়িত হলে পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নত হবে এবং এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন তা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।