মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি দেখেছি, বিএমইটির ছাড়পত্রের জন্য অনেক তদবির আসছে

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্র নিতে অনেক তদবির আসছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি দেখেছি, বিএমইটির ছাড়পত্রের জন্য অনেক তদবির আসছে। কম্বোডিয়া নিয়ে ব্যাপক তদবির হয়। অথচ কম্বোডিয়া খুব ধনী দেশ না, অর্থনৈতিক অবস্থা খুব ভালো না। অথচ রাজনৈতিক ব্যক্তি, […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ১৯:৩০

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্র নিতে অনেক তদবির আসছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

তিনি বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি দেখেছি, বিএমইটির ছাড়পত্রের জন্য অনেক তদবির আসছে। কম্বোডিয়া নিয়ে ব্যাপক তদবির হয়। অথচ কম্বোডিয়া খুব ধনী দেশ না, অর্থনৈতিক অবস্থা খুব ভালো না।

অথচ রাজনৈতিক ব্যক্তি, সাংবাদিক, কমিউনিটির লোকজন তদবির করেন। তারা বলেন, ‘এটা একটু ছাড় দেন। আমাদেরই তো লোক, গেলেই কর্মসংস্থান।’

বুধবার (৬ মে) দুপুরে মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত অভিবাসী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, আমাদের এখন অনলাইন ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট সিস্টেম (ওপিএস) আছে। এছাড়া দূতাবাস ভেরিফাই করে। তারপর অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরও দেখেছি, কিছু ক্ষেত্রে বিএমইটি থেকে ঠিকমতো যাচাই ছাড়াই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে তিনি বলেন, বাস্তবে মালয়েশিয়ার মার্কেট বন্ধ আছে, এটাকে ‘সিন্ডিকেটে’ বলবেন নাকি ‘ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম’ বলবেন, যাই বলেন তাদের কন্ডিশনে যদি আমরা এগ্রি না করি, তাহলে মার্কেট যেভাবে বন্ধ আছে, সেভাবে বন্ধ থাকবে।

তবে আমাদের মন্ত্রী কিছুদিন আগে মিটিং করেছেন, সেখানে আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি, তোমাদের কন্ডিশনে যে ৪২৩টি লাইসেন্স আমরা এখানে দিয়েছি সেগুলো সবার জন্য ওপেন করে দাও। কারণ ওই কন্ডিশনে তারা পাশ করেছে। এটা নিয়ে এখনো আমাদের দেনদরবার চলছে। জানি না এটাকে কোন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবো।

তিনি বলেন, আমি দেখলাম মালয়েশিয়া শ্রমবাজার প্রথম ২০০৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। আবার ২০১৬ সালে চালু হয়। এরপর ২০১৮ সালে ফের বন্ধ হয়। এরপর ২০২১ সালে একটি চুক্তি হয় এবং ২০২২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। কিন্তু ২০২৪ সালে এসে আবার বন্ধ হয়ে গেছে এবং এখন পর্যন্ত বন্ধই আছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসিফ নজরুল (সাবেক উপদেষ্টা) স্যারের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। তিনি যেহেতু সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা ছিলেন, রাজনৈতিকসহ নানা বিষয় দেখতেন, সেই সুবাদে মালয়েশিয়া শ্রম বাজার নিয়ে ওনার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছে।

নুর আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৩ হাজার রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমোদিত। এর মধ্যে ন্যূনতম কিছু ক্রাইটেরিয়া মেনে ৪২৩টি এজেন্সি আছে। তাহলে ধরে নেওয়া যায়, প্রায় ৪৫০ থেকে ৫০০টি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানই আসলে এই সেবা দেওয়ার জন্য কোয়ালিফাইড। বাকিগুলো ডিসকোয়ালিফাইড।

তারপরও দেখা যায়, অনেকেই বিভিন্নভাবে একাধিক লাইসেন্স নিয়ে রাখছে। একজনের নামে দুইটা-তিনটা লাইসেন্স আছে। আমার ধারণা, এই ৪৫০–৫০০ এর বাইরেও কিছু লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান প্রতারণা বা স্ক্যামের সঙ্গে জড়িত।

তিনি বলেন, আমি জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে বলেছি, আমার ব্যক্তিগত কোনো পছন্দ নেই। আপনি সৎ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেন। কারণ এই মন্ত্রণালয়ের কয়েকটি জায়গা খুব গুরুত্বপূর্ণ যেমন বিএমইটি, ওয়েজ বোর্ড।

তিনি বলেন, আমাদের ১০৪টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার আছে। আরও ৫০টা হবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজন না থাকলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় এসব করা হচ্ছে। অনেক জায়গায় ট্রেনিং সেন্টার আছে, কিন্তু প্রশিক্ষণ নেওয়ার মতো লোক নেই।

অনেক এমপি ডিও লেটার দেন। কিন্তু বাস্তবে সেখানে ট্রেনিং সেন্টার দরকার নেই। তারপরও রাজনৈতিক সুপারিশে দিতে হয়।

নুরুল হক বলেন, এখন আমরা চেষ্টা করছি, যেখানে চাহিদা আছে সেখানে ফ্যাসিলিটি বাড়াতে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা তার সঙ্গে চারটি মিটিং করেছি।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।