হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন, তবে তিনি সেসব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর ভাষায়, এমন কোনো প্রলোভন ছিল না যা তাকে দেখানো হয়নি, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে ভোলার সার্কিট হাউসে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, বয়সের এই পর্যায়ে এসে এসব প্রলোভনে সাড়া দেওয়ার কোনো প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সবসময় নিজের বিশ্বাস ও আদর্শ অনুযায়ী চলেছেন এবং জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর আনুগত্য অটুট ছিল।
তিনি আরও বলেন, জীবনে তিনি এককভাবে পথ চলেছেন এবং সত্য মনে হলে তা প্রকাশ্যে বলেছেন। এ কারণে নানা সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে এবং দল ছাড়ার জন্য চাপও এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
স্পিকার বলেন, তিনি জিয়াউর রহমান-এর অধীনে যুদ্ধ করেছেন এবং খালেদা জিয়া তাকে স্নেহ করতেন। তিনি সবসময় তাদের প্রতি অনুগত ছিলেন। তবে দলীয় রাজনীতিতে সিনিয়র হওয়া সত্ত্বেও অনেকেই তাকে ছাড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে গেছেন—এ বিষয়েও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, দলের স্থায়ী কমিটিতে স্থান না পেলেও তিনি কখনো হতাশ হননি। বরং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাওয়াকেই তিনি প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখেছেন। এবারের নির্বাচনেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি যোগাযোগ না থাকা সত্ত্বেও তাকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন গোলাম নবী আলমগীর, মো. শহীদুল্লাহ কাওছার, মো. রাইসুল আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতারা।