রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ শীর্ষ ৭ নেতার বিচার শুরু আজ

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে আজ থেকে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচারপর্বে প্রবেশ করছে বহুল আলোচিত এই মামলা। সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৮

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে আজ থেকে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচারপর্বে প্রবেশ করছে বহুল আলোচিত এই মামলা। সাক্ষ্যগ্রহণও শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আইন অনুযায়ী আজ প্রসিকিউশন ওপেনিং স্টেটমেন্ট উপস্থাপন করবে। এরপর প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচারিক প্রক্রিয়া এগোবে। মামলার সাত আসামির কেউ বর্তমানে গ্রেপ্তার নেই। তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে।

অন্য পলাতক আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

গত ২২ জানুয়ারি সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে আজকের দিনটি সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য করা হয়। ওই দিন প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা। রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান।

এর আগে ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন নিয়ে উভয় পক্ষের শুনানি শেষ হয়। ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত সাতজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে সহিংস প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান, বিভিন্ন বৈঠকে কঠোর দমন-পীড়নের পরিকল্পনা এবং সশস্ত্র হামলার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। এসব কর্মকাণ্ডের জেরে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য বলে প্রসিকিউশন দাবি করেছে।

আইন-আদালত

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, […]

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৩:১৪

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ঋণখেলাপিদের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আপিল বিভাগের এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপি যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে শিশির মনির বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় এবং নির্বাচন কমিশনের আইনগত পদক্ষেপের ওপর।

উল্লেখ্য, আপিল বিভাগ ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। আদালতের এ রায়ের পর চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

আইন-আদালত

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে […]

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৩০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে প্রসিকিউশন ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ শুরু থেকেই তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। তবে ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট নয়। তাই পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই হাসানুল হক ইনুকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার ভাষ্য, মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার অসঙ্গতি রয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো উচ্চ আদালতে পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে ইনুকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ

পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৯ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তথ্যটি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জুন ২০২৬, ২২:৩৬

পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৯ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

তথ্যটি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

তুরিন আফরোজের ভাই বাদী শাহ নেওয়াজ আহাম্মদের অভিযোগ, অভিযুক্ত তুরিন আফরোজ প্রভাব খাটিয়ে এবং জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছেন।

অভিযোগের তথ্যানুযায়ী, তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর তুরিন আফরোজ জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ভুয়া হলফনামা তৈরি করে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন। এ ছাড়া তিনি প্রভাব খাটিয়ে বাদীর মায়ের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিলপত্র নিয়ে যান বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, তুরিন আফরোজ বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন, যার ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে বাদীর মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে। তদন্ত শেষে পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।