মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিলেন হাইকোর্ট

দুদকের ব্রিফিং চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এমন ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও […]

আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিলেন হাইকোর্ট

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:২৫

দুদকের ব্রিফিং চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এমন ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এস কে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানের শুরুতেই ব্রিফিংয়ের (সংবাদ সম্মেলন) মাধ্যমে ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ মর্মে বক্তব্য এবং গণমাধ্যমে প্রচারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার রিট আবেদন করেছিলেন।

রিটে তদন্ত বা অনুসন্ধানাধীন কোনো বিষয়ে গণমাধ্যমে মানহানিকর সংবাদ সম্মেলন করা থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) বিরত থাকার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা রিটে দুদকের চেয়ারম্যান, কমিশনের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ কর্মকর্তা) ও সহকারী পরিচালককে (জনসংযোগ কর্মকর্তা) বিবাদী করা হয়েছিল।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির উপ-পরিচালক জানান, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের অভিযোগে দুদক ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায়’ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অথচ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী, কোনো অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ অনুসন্ধান শেষে ফলাফল হিসেবে ধরা হতে পারে, অনুসন্ধানের শুরুতে এমন বক্তব্য দেওয়ার কোনো আইনি এখতিয়ার নেই।

আবেদনে বলা হয়, পরে ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের সচিব গণমাধ্যমের প্রশ্নে ওই বক্তব্যকে ‘স্লিপ অব দ্য টাং’ বা মুখ ফসকে বের হয়ে যাওয়া বলে উল্লেখ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে স্বীকার করেন। কিন্তু এর কোনো আনুষ্ঠানিক ও স্পষ্ট প্রত্যাহার গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়নি।

এরপর ১০ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও, তা আমলে না নিয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে ডিএনসিসির প্রশাসক নিয়োগ, ডিসি পদায়ন, ওয়াসা, এলজিইডি, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার এবং বিদেশে অর্থপাচারসহ বহুবিধ নতুন অভিযোগ আনা হয়।

রিট আবেদনে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত দায়িত্ব বাতিলের যে বিষয়টি আনা হয়েছে, তা মূলত প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের আদেশে হয়েছে।

এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার যে পদোন্নতির কথা বলা হয়েছে, তা তিনি পদত্যাগের (১১ ডিসেম্বর, ২০২৫) প্রায় পাঁচ মাস পর (১১ মে, ২০২৬ সাল) কার্যকর হয়। ফলে, এতে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকা আইনি ও বাস্তবিকভাবে অসম্ভব।

রিটে আরও অভিযোগ করা হয়, আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে তিনি প্রার্থিতা ঘোষণার পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে এবং ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ পরিচালনার উদ্দেশে এমন ব্রিফিং করা হয়েছে, যা সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা মৌলিক অধিকার এবং ‘তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা, ২০১১’-এর পরিপন্থি।

আইন-আদালত

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, […]

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৩:১৪

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ঋণখেলাপিদের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আপিল বিভাগের এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপি যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে শিশির মনির বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় এবং নির্বাচন কমিশনের আইনগত পদক্ষেপের ওপর।

উল্লেখ্য, আপিল বিভাগ ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। আদালতের এ রায়ের পর চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

আইন-আদালত

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদেশটির লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।

আদালতে করা রিট আবেদনে বলা হয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা একটি পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারেন না। কিন্তু এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে সম্মিলিতভাবে ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত বছর এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, কয়েকজন পরিচালক ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

একই আদেশে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের বিদেশযাত্রায়ও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাদের দেশত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে […]

ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে সন্তোষ্ট নন রাষ্ট্রপক্ষ, সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৩০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে প্রসিকিউশন ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ শুরু থেকেই তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। তবে ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট নয়। তাই পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আপিল করা হবে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই হাসানুল হক ইনুকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার ভাষ্য, মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার অসঙ্গতি রয়েছে এবং আইনগত বিষয়গুলো উচ্চ আদালতে পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে ইনুকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।