বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

নারীরা সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারবে কি?

ইসলাম শুধুমাত্র একটি ধর্ম নয়, বরং মানুষের জীবনের সকল দিককে সুশৃঙ্খল করার জন্য একটি সম্পূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। ইসলামে নারী-পুরুষের সম্পর্ক, সাজসজ্জা, আচরণ এবং তাদের মধ্যে শালীনতা বজায় রাখার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। বিশেষত, সেন্ট, পারফিউম, বডি স্প্রে বা আতর ব্যবহারের বিষয়টি ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে , কারণ এটা একজনের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৭:২২

ইসলাম শুধুমাত্র একটি ধর্ম নয়, বরং মানুষের জীবনের সকল দিককে সুশৃঙ্খল করার জন্য একটি সম্পূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। ইসলামে নারী-পুরুষের সম্পর্ক, সাজসজ্জা, আচরণ এবং তাদের মধ্যে শালীনতা বজায় রাখার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

বিশেষত, সেন্ট, পারফিউম, বডি স্প্রে বা আতর ব্যবহারের বিষয়টি ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে , কারণ এটা একজনের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে। তবে, সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত এবং বিধি-নিষেধ রয়েছে, যা নারীদের জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য।

ইসলামে সুগন্ধির গুরুত্ব

ইসলামে সুগন্ধি ব্যবহার করা মুস্তাহাব, অর্থাৎ এটা একটি প্রিয় ও সুন্নত আমল। রসুলুল্লাহ সা. সুগন্ধি অত্যন্ত পছন্দ করতেন এবং নিয়মিত এটি ব্যবহার করতেন।

হজরত আনাস ইবনে মালিক রা.-এর বর্ণনায় রয়েছে, রসুল সা. যখন আমাদের দিকে আসতেন, তখন তাঁর সুগন্ধির কারণে আমরা আগে থেকেই বুঝতে পারতাম যে তিনি আসছেন। (আখলাকুন্নবী সা. ২১৮)

তবে, নারীদের জন্য সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইসলাম বিশেষ সতর্কতা প্রদান করেছে। নারীরা ঘরে, তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু গায়রে মাহরাম (যাদের সঙ্গে বিয়ে বৈধ) বা পরপুরুষের সামনে সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

ইসলাম নারীর শালীনতা ও সতীত্ব রক্ষার জন্য পর্দার বিধান দিয়েছে ও সুগন্ধি ব্যবহারের মাধ্যমে পরপুরুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা বা তাদের কামনা উত্তেজিত করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘وَلَا يُبۡدِينَ زِينَتَهُنَّ’ (সুরা আন-নুর, আয়াত: ৩১), অর্থাৎ নারীরা যেন তাদের সাজ-সজ্জা প্রকাশ না করে।

ইসলামি বিধান

রসুলুল্লাহ সা. হাদিসে বলেছেন, ‘যে নারী সুগন্ধি মেখে কোনো পুরুষের পাশ দিয়ে যায়, যাতে তারা তার গন্ধ অনুভব করতে পারে, সে নারী ব্যভিচারিণী।’ (সুনানে নাসায়ী: ৫১২৬)

ইমাম ইবনে হাজার আসকালানি রহ.-এর মতে, সুগন্ধি মানুষের যৌন কামনা উত্তেজিত করতে পারে, এজন্য এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। (ফাতহুল বারি: ২/২৭৯)

নারীদের ক্ষেত্রে ইসলামে শালীনতার গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। তাই ঘরের ভেতরে সুগন্ধি ব্যবহার জায়েজ। অথবা এমন স্থানে, যেখানে কোনো গায়রে মাহরাম উপস্থিত নেই, সেখানে সেন্ট, পারফিউম বা বডি স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে শর্ত হলো, এগুলোতে কোনো নাপাক বস্তু মেশানো থাকা যাবে না। (তুহফাতুল আহওয়াজি: ৮/৭১)

তাছাড়া, ইবাদত বা মসজিদে যাওয়ার সময়ও নারীদের সুগন্ধি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। রসুল সা. বলেছেন, ‘আল্লাহর বান্দিদের মসজিদে আসতে বারণ করো না, তবে তারা যেন সুগন্ধি ব্যবহার ছাড়া সাধাসিধাভাবে আসে।’ (আহমদ, আবু দাউদ; সহিহ জামে: ৭৪৫৭)

ইসলাম নারীর সৌন্দর্যকে অস্বীকার করে না। বরং নারীকে তার সৌন্দর্যকে উপভোগ করার সুযোগ দিয়েছে। তবে এই সৌন্দর্য প্রদর্শন সীমিত থাকবে নিজস্ব পরিবার বা মাহরামদের মধ্যে। ইসলামের এই নির্দেশনাগুলো নারীর সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

আন্তর্জাতিক

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তিনি মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করে বলেন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক, বাকি সব অনৈতিক। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ট্রাম্প যেমন […]

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

নিউজ ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ১৩:৫২

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তিনি মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করে বলেন-

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক, বাকি সব অনৈতিক। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প।

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ট্রাম্প যেমন হার মানতে চাননি এবং জনতাকে রাস্তায় নামিয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন, তেমনি সুযোগ পেলে মমতাও জনতাকে রাস্তায় নামিয়ে জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরতেন।

সাধারণত নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নিলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছাড়তে হয়।

গতকাল সাংবাদিকদের প্রশ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন-

আমরা তো হারিনি যে রাজভবনে যাব। হারলে আমি রেজিগনেশন দিতাম। এখন প্রশ্নই ওঠে না। জোর করে আমাদের হারানোর চেষ্টা হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫০৬০

ইসলাম ও জীবন

‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাতের ময়দান

আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজের মূল দিন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে পবিত্র আরাফাতের ময়দান। আত্মশুদ্ধি, পাপমুক্তি ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো মুসলমান ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ পবিত্র হজ পালন করছেন। ফজরের পর থেকেই গোটা বিশ্বের ২০ লাখের বেশি মুসলমান ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন। এর মধ্যে […]

‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাতের ময়দান

‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাতের ময়দান

নিউজ ডেস্ক

২৬ মে ২০২৬, ০৯:২৬

আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজের মূল দিন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে পবিত্র আরাফাতের ময়দান। আত্মশুদ্ধি, পাপমুক্তি ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো মুসলমান ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ পবিত্র হজ পালন করছেন।

ফজরের পর থেকেই গোটা বিশ্বের ২০ লাখের বেশি মুসলমান ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা ৭৮ হাজারেরও বেশি।

আজ ৯ জিলহজ, হজের মূল দিন। হাজিরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন। চার বর্গমাইল আয়তনের বিশাল এই সমতল ভূমি আজ সাদা এহরামে আচ্ছাদিত লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে এক অনন্য দৃশ্যে পরিণত হয়েছে।

হাজিরা এখানে অবস্থান করে জিকির-আজকার, দোয়া ও ইবাদতে সময় কাটাবেন। একই সঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন এবং হজের খুতবা শুনবেন। এ বছর আরাফাতের মসজিদে নামিরায় হজের খুতবা দেবেন মদিনার মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুজাইফি।

সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করে রাতযাপন করবেন। মিনায় জামরাতে নিক্ষেপের জন্য কংকর সংগ্রহ করবেন সেখান থেকেই।

পরদিন ১০ জিলহজ মিনায় গিয়ে হাজিদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন এবং তাওয়াফে জিয়ারত।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে গেলে শয়তান তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তখন ইব্রাহিম (আ.) শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন। সেই ঘটনার স্মরণেই হাজিরা জামরাতে প্রতীকী শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করেন।

হজের শেষ পর্বে হাজিরারা কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করবেন। এর মাধ্যমেই শেষ হবে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা।

এদিকে গতকাল সারাদিন ও রাত হাজিরা মিনায় অবস্থান করেন। লাখ লাখ তাঁবুর শহরে পরিণত হওয়া মিনায় তারা নামাজ, দোয়া ও ইবাদতে সময় কাটান।

পবিত্র হজ উপলক্ষে মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফাসহ আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সৌদি সরকার। মোতায়েন করা হয়েছে এক লাখের বেশি নিরাপত্তাকর্মী।

তীব্র গরমের মধ্যেও হজ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে কাজ করছে ৪০টিরও বেশি সরকারি সংস্থা ও আড়াই লাখ কর্মকর্তা। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি, ড্রোন ক্যামেরা এবং তথ্য বিশ্লেষণ ব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে এবারের হজ ব্যবস্থাপনায়।

ইসলাম ও জীবন

মাদরাসায় যৌন নির্যাতন রোধে কমিশন গঠন-মহিলা মাদরাসায় পুরুষ শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শ : শায়েখ আহমাদুল্লাহ

মাদরাসাভিত্তিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনাচারের অভিযোগ বন্ধে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী বক্তা শায়েখ আহমাদুল্লাহ। একইসঙ্গে এ ধরনের অভিযোগ তদন্তে আলাদা কমিশন গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে শায়েখ আহমাদুল্লাহ বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলোতে যৌন অনাচারের ঘটনা অস্বীকারের সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন পরামর্শ ও সুপারিশ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১০:৫৪

মাদরাসাভিত্তিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনাচারের অভিযোগ বন্ধে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী বক্তা শায়েখ আহমাদুল্লাহ। একইসঙ্গে এ ধরনের অভিযোগ তদন্তে আলাদা কমিশন গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে শায়েখ আহমাদুল্লাহ বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলোতে যৌন অনাচারের ঘটনা অস্বীকারের সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন পরামর্শ ও সুপারিশ দিয়ে আসছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে হজ সফরে থাকলেও দেশে ফিরে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাবনা উপস্থাপন এবং কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পোস্টে বলা হয়, মাদরাসায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিরোধে প্রতিটি কক্ষ সিসিটিভির আওতায় আনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষকদের জন্য ফ্যামিলি বাসার ব্যবস্থা, আবাসন ও শ্রেণিকক্ষ আলাদা রাখা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক খাটের ব্যবস্থা জরুরি।

এছাড়া মহিলা মাদরাসায় পুরুষ শিক্ষক বা স্টাফ নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

শায়েখ দাবি করেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনা থাকলেও কখনও কখনও নিরপরাধ আলেম বা ইমামদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়। উদাহরণ হিসেবে ফেনীর একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়, যেখানে ফরেনসিক পরীক্ষায় অভিযোগের সঙ্গে স্থানীয় ইমামের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

পোস্টে আরও বলা হয়, দেশের বড় ও পরিচিত মাদরাসাগুলোর তুলনায় অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা ছোট আবাসিক মাদরাসাগুলোতে এ ধরনের অভিযোগ বেশি শোনা যায়।

এ অবস্থায় হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়ার অধীনে আলেম ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠলে কমিশন ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তকে বিচারের মুখোমুখি করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি না পাওয়ার ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হবে।

মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি ও জনআস্থা ধরে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ এখন জরুরি হয়ে উঠেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে শায়েখ আহমাদুল্লাহ বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলোতে যৌন অনাচারের ঘটনা অস্বীকারের সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন পরামর্শ ও সুপারিশ দিয়ে আসছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে হজ সফরে থাকলেও দেশে ফিরে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাবনা উপস্থাপন এবং কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পোস্টে বলা হয়, মাদরাসায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিরোধে প্রতিটি কক্ষ সিসিটিভির আওতায় আনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষকদের জন্য ফ্যামিলি বাসার ব্যবস্থা, আবাসন ও শ্রেণিকক্ষ আলাদা রাখা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক খাটের ব্যবস্থা জরুরি।

এছাড়া মহিলা মাদরাসায় পুরুষ শিক্ষক বা স্টাফ নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

শায়েখ দাবি করেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনা থাকলেও কখনও কখনও নিরপরাধ আলেম বা ইমামদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়। উদাহরণ হিসেবে ফেনীর একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়, যেখানে ফরেনসিক পরীক্ষায় অভিযোগের সঙ্গে স্থানীয় ইমামের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

পোস্টে আরও বলা হয়, দেশের বড় ও পরিচিত মাদরাসাগুলোর তুলনায় অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা ছোট আবাসিক মাদরাসাগুলোতে এ ধরনের অভিযোগ বেশি শোনা যায়।

এ অবস্থায় হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়ার অধীনে আলেম ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠলে কমিশন ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তকে বিচারের মুখোমুখি করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি না পাওয়ার ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হবে।

মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি ও জনআস্থা ধরে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ এখন জরুরি হয়ে উঠেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।