সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

আরাশ ২: সীমানা ছাড়িয়ে শত্রুর ঘাঁটি তছনছ করে দেয়া ইরানি ড্রোন

আরাশ ২ নামে পরিচিত ড্রোনটি আরাশ ১-এর একটি নতুন ও আরও উন্নত সংস্করণ, যা প্রথমবার জনসম্মুখে প্রদর্শিত হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ইরানের সামরিক মহড়ায়। ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প বিশেষজ্ঞরা এটি নকশা ও খণ্ডাংশে প্রস্তুত করেছেন এবং ব্যাপক মাত্রায় উৎপাদন চালানো হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

১৮ অক্টোবর ২০২৫, ০২:২৫

আরাশ ২ নামে পরিচিত ড্রোনটি আরাশ ১-এর একটি নতুন ও আরও উন্নত সংস্করণ, যা প্রথমবার জনসম্মুখে প্রদর্শিত হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ইরানের সামরিক মহড়ায়। ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প বিশেষজ্ঞরা এটি নকশা ও খণ্ডাংশে প্রস্তুত করেছেন এবং ব্যাপক মাত্রায় উৎপাদন চালানো হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শাহেদ ১৩৬-কে ছাড়াও আরাশ ২ দ্রুত মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। পার্সটুডে অনুসারে এর দীর্ঘ পাল্লা, লক্ষ্যনিরূপণ ক্ষমতা ও রাডার ব্যবস্থাকে বাইপাস করার সক্ষমতার কারণে এটি আক্রমণাত্মক ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরানের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। সামরিক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, আরাশ ২ তৈরি করা হয়েছে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলা এবং নির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য ধ্বংসের জন্য।

আরাশ ২-র নকশা ডেল্টা আকৃতির ডানা বহন করে যা দ্রুতগতির জন্য উপযোগীভাবে তৈরি। এই ধরনের নকশা ড্রোনটিকে দীর্ঘতর সহনশীলতা এবং জ্বালানি সংরক্ষণে সহায়তা করে। ড্রোনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.৫ মিটার এবং ডানার বিস্তার প্রায় ৪ মিটার। চেহারায় এটি দেখতে কিছুটা কিয়ান-২ ড্রোনের অনুরূপ, তবে ক্ষমতা ও ব্যাপ্তিতে এটি আলাদা। ইরানের স্থল বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিওমারস হেইদারি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বলেন, আরাশ ২-কে ইসরায়েলের উপকূলীয় শহর তেল আবিব ও হাইফা লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে।

আরাশ ২-কে একটি দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর কার্যকর পাল্লা প্রায় ২০০০ কিলোমিটার, ফলে এটি মধ্যপ্রাচ্যীয় বিস্তারের অনেক স্থানে কৌশলগত হুমকি তৈরি করতে সক্ষম। ড্রোনটিতে সাধারণত পিস্টন ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়, যা ঘণ্টায় প্রায় একশো আশি থেকে দুইশো কিলোমিটারের মধ্যে গতিবেগ প্রদান করে এবং হাজারের ওপর উচ্চতায় অভিযান চালাতে সক্ষম করে। এর বহুমুখী ক্ষমতার কারণে ইরানি কমান্ডাররা এটিকে নির্ভুল আঘাত, শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের একটি কার্যকর উপকরণ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। লক্ষ্য আক্রমণের আগ পর্যন্ত এটি বারবার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, ফলে নির্ভুলতা ও ধ্বংসাত্মক ফলাফল বাড়ে।

ছাত্রসামগ্রী ও লঞ্চ ব্যবস্থার দিক থেকেও আরাশ ২-কে দ্রুত মোতায়েনযোগ্য হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এটি ট্রাক-ভিত্তিক প্যাকেজ লঞ্চ বা জেট সহায়তা প্রস্থান ব্যবস্থার মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ বিভিন্ন ভূখণ্ডে স্থাপন করে উৎক্ষেপণ করা যায়, ফলে অপারেশনাল নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়। ইরানি সামরিক সূত্র দাবি করে, সাম্প্রতিক সংঘাতকালে আরাশ-শ্রেণির ড্রোনগুলো পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে শত্রু ভূখণ্ডে প্রবেশ করে কাঙ্খিত ফলও অর্জন করেছে।

কৌশলগত দিক থেকে আরাশ ২-র উত্থান ইরানের ড্রোন প্রযুক্তিতে দ্রুত উন্নয়নকে প্রতিফলিত করে এবং দেশটিকে দূরপাল্লার ড্রোন প্রযুক্তি গঠনে একটি শক্তিধর অবস্থানে নিয়ে এসেছে। এই ড্রোনের ব্যাপ্তি ও আঘাত ক্ষমতা কেবল আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ভারসাম্যেই বদল আনছে না, তা আমেরিকা ও তার মিত্রশক্তির সামরিক উপস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি দেশীয় ও স্বল্পমূল্যের ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়ন ইরানকে প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী প্রতিউত্তর গঠনে সহায়তা করছে এবং ভবিষ্যতে খরচ কার্যকর রাস্তা ধরে শক্তিশালী প্রতিযোগীদের বিরুদ্ধে কৌশলগত স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে আরাশ ২-কে কেন্দ্র করে বিতর্ক ও প্রশ্নও উঠছে। এর বিস্তৃত পাল্লা ও লক্ষ্যক্ষমতা যেকোনো অস্থিতিশীল অবস্থায় স্থিরতা বিরাজ করার চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করতে পারে এবং বেসামরিক প্রাণহানি বা অবাঞ্ছিত বিস্তারে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা শাসনে এ ধরনের ড্রোন প্রযুক্তির বর্ধিত ব্যবহার উত্তেজনা বৃদ্ধি করে অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

চূড়ান্তভাবে, আরাশ ২ বিশ্বের আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির এক শক্তিশালী উদাহরণ। এটি ইরানের সামরিক কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে আঞ্চলিক সঙ্কট ও কৌশলগত ভারসাম্যের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখবে—এমনটাই সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৮

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৮

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৮

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৮