বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

মার্কিন শুল্কের ধাক্কায় বিপাকে ভারতীয় পোশাক শিল্প, বিকল্প বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম

মার্কিন বাজার ধরে রাখতে তারা এখন বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া এবং গুয়াতেমালায় তাদের ১৭টি কারখানায় উৎপাদন স্থানান্তরের চিন্তা করছে

নিউজ ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ১৪:২৫

ভারতের পোশাক শিল্পে এখন ঘনিয়ে এসেছে মহাসঙ্কট। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক ভারতীয় পোশাকের ওপর হঠাৎ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তে দেশটির রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাত ভয়াবহ চাপের মুখে পড়েছে। এরইমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় ব্র্যান্ড যেমন গ্যাপ, কোলস প্রভৃতি ভারতীয় উৎপাদকদের সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে—এই অতিরিক্ত শুল্কভার ভাগ না নিলে তারা ভারত থেকে অর্ডার সরিয়ে নেবে।

ভারতের শীর্ষ পোশাক প্রস্তুতকারক পার্ল গ্লোবাল জানায়, মার্কিন বাজার ধরে রাখতে তারা এখন বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া এবং গুয়াতেমালায় তাদের ১৭টি কারখানায় উৎপাদন স্থানান্তরের চিন্তা করছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক পল্লব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল সাফ:

“সব ক্রেতাই এখন ফোন করছে, ভারত থেকে উৎপাদন সরাতে চাপ দিচ্ছে।”

এই মুহূর্তে বাংলাদেশে যেখানে শুল্ক হার ২০ শতাংশ, চীনে ৩০ শতাংশ, সেখানে ভারতকে দিতে হচ্ছে সম্পূর্ণ ৫০ শতাংশ শুল্ক। কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতির জেরেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। নয়াদিল্লি একে ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করেছে।

পার্ল গ্লোবালের মতো প্রতিষ্ঠান যারা প্রায় অর্ধেক ব্যবসা যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর, তাদের মাথায় যেন বাজ পড়েছে। শুধু পার্ল গ্লোবাল নয়, রিচাকো এক্সপোর্টস, টাইটান, রেমন্ডের মতো জুয়েলারি, ঘড়ি ও পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোও মার্কিন বাজার রক্ষা করতে ইথিওপিয়া, নেপাল ও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে ঝুঁকছে।

বিশেষত দক্ষিণ ভারতের তিরুপ্পুর—যেখানে ভারতের নিট পোশাক শিল্পের কেন্দ্র, এখান থেকে এক-তৃতীয়াংশ রপ্তানি হয়ে থাকে—সেখানে এখন চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কটন ব্লসম ইন্ডিয়ার নির্বাহী পরিচালক জানিয়েছেন, কিছু মার্কিন ক্রেতা অর্ডার স্থগিত করেছে, আবার কেউ কেউ শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগেই দ্রুত চালান পাঠাতে বলছে।

তিরুপ্পুর এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের মতে, সেখানে তৈরি কিছু পোশাকের দাম মাত্র ১ ডলার, আর টি-শার্টের দাম ৩.৫ থেকে ৫ ডলারের মধ্যে। এমন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসানো হলে রপ্তানি কার্যত ধ্বংস হয়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট শুধু ভারতের জন্য নয়—আঞ্চলিক সরবরাহ চেইন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্যও একটি বড় ধাক্কা। একদিকে যেমন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে চাপ দিচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো দ্রুত বাজার দখলে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে।

এই পরিস্থিতি ভারতের ব্যবসা-বাণিজ্য ও কূটনৈতিক অবস্থানের এক বড় ব্যর্থতাকে নগ্নভাবে তুলে ধরছে। এতদিন যেসব মার্কিন কোম্পানি ভারতকে রাজনৈতিক নিরাপদ বিকল্প হিসেবে দেখছিল, তারাও এখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১২১

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১২১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১২১

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১২১