ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র সমালোচনা করেছে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক গুরুত্বপূর্ণ দেশ ইরাক। দেশটি বলেছে, এই হামলা শুধু ইরানের জন্য নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। খবর—সিএনএন।
রোববার (২২ জুন) এক বিবৃতিতে ইরাক সরকারের মুখপাত্র বাসিম আল-আওয়াদি বলেন, “এই চলমান সামরিক উত্তেজনা আমাদের অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে চরম বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমরা যুদ্ধ চাই না। সংঘাত কেবল ধ্বংস ডেকে আনে।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে এর পরিণতি সীমিত থাকবে না বরং গোটা অঞ্চল এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। এ ধরণের হামলা পরোক্ষভাবে তেল সরবরাহ, অর্থনীতি ও শরণার্থী সংকটকেও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
বিবৃতিতে ইরাক সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্ব্যর্থহীন বার্তায় জানিয়ে দেয় যে, এই উত্তেজনাকে যেকোনো মূল্যে শান্তিপূর্ণ পথে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ যুদ্ধ শুরু করা সহজ, কিন্তু তার পরিণতি থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা নতুন করে উঁকি দিচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরাকের মতো দেশের এই উদ্বেগ প্রমাণ করে যে, যুদ্ধ শুধু দুটি দেশের বিষয় নয়—এটি গোটা অঞ্চলের ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?