বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলাই যেন ভারতের দুই মূর্খ নেতার চরিত্র

বাংলাদেশ নিয়ে কিছু বললেই হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় রাজনীতিবিদদের পিত্তি গলে। ভালো-মন্দ, যুক্তি-বিজ্ঞান, প্রতিবেশী সম্পর্ক কিংবা কূটনৈতিক সৌজন্য—কোনো কিছু বিবেচনা না করেই বাংলাদেশবিরোধী বিষোদ্গার যেন তাদের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এর জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে উঠেছেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দুই বিতর্কিত নেতা—ত্রিপুরার প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মা এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এই দুইজন এমন সব উগ্র, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য […]

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলাই যেন ভারতের দুই মূর্খ নেতার চরিত্র

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৭

বাংলাদেশ নিয়ে কিছু বললেই হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় রাজনীতিবিদদের পিত্তি গলে। ভালো-মন্দ, যুক্তি-বিজ্ঞান, প্রতিবেশী সম্পর্ক কিংবা কূটনৈতিক সৌজন্য—কোনো কিছু বিবেচনা না করেই বাংলাদেশবিরোধী বিষোদ্গার যেন তাদের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এর জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে উঠেছেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দুই বিতর্কিত নেতা—ত্রিপুরার প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মা এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

এই দুইজন এমন সব উগ্র, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা শুধু প্রতিবেশী দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ নয়—বরং সরাসরি হিন্দুত্ববাদী অহমিকার নগ্ন প্রকাশ।

প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মা সম্প্রতি বাংলাদেশ সম্পর্কে এমন সব কথা বলেছেন যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো দূরের কথা, সাধারণ কূটনৈতিক শালীনতারও চরম লঙ্ঘন। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, ভারতের উচিত ‘বাংলাদেশের কিছু অংশ দখল করে নেয়া’। কারণ তার দাবি, ‘ওই অংশ সবসময় ভারতেরই হতে চেয়েছে’। তিনি আরো বলেন, এতে ভারতের ‘সাগরপথ পাওয়া সহজ হবে’ এবং ‘শত শত কোটি টাকা খরচ না করেও’ সমস্যার সমাধান হবে।

এই ধরনের মন্তব্য ভারতীয় আগ্রাসী মানসিকতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। প্রদ্যোৎ মাণিক্যদের কাছে ইতিহাসের সত্য, স্বাধীনতার ত্যাগ, ও জাতীয় মর্যাদা যেন মূল্যহীন। যারা নিজেদের “আদিবাসী স্বার্থ” রক্ষার নামে স্বাধীন বাংলাদেশকে টুকরো করার হুমকি দেয়, তারা আদতে হিন্দুত্ববাদী চেতনার মোড়কে জঙ্গিবাদী রাজনীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফরে দেওয়া বক্তব্য ছিল একেবারেই বাস্তবভিত্তিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক। তিনি বলেন, “ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য স্থলবেষ্টিত, যাদের সমুদ্রপথ নেই—বাংলাদেশই তাদের জন্য একমাত্র সমুদ্রপথের সম্ভাব্য অভিভাবক।” তিনি কোনো হুমকি দেননি, বরং দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক আন্তঃসম্পর্কের সম্ভাবনার কথাই বলেছেন। এমনকি তিনি এও বলেন, “নেপাল ও ভুটানও স্থলবেষ্টিত, এবং এই পুরো অঞ্চলে যদি আন্তঃযোগাযোগ গড়ে ওঠে, তাতে বাণিজ্য ও স্থিতিশীলতা—দুই-ই উপকৃত হবে।”

কিন্তু এই বক্তব্যের গভীরতা অনুধাবন না করে প্রদ্যোৎ মাণিক্য ও হিমন্ত বিশ্বশর্মা উল্টো রণচণ্ডী হয়ে উঠেছেন। তাদের মতো হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিবিদদের কাছে আঞ্চলিক সংহতি, কূটনৈতিক সৌজন্য, এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো—সবই যেন গালি।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা তো আরও একধাপ এগিয়ে ইউনূসের মন্তব্যকে “আপত্তিকর” এবং “নিন্দনীয়” বলে ঘোষণা দিয়ে ‘চিকেনস নেক’ করিডরের চারপাশে আরও শক্তিশালী রেল ও সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরির ডাক দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিকল্প পথ তৈরি করতে হবে—যেন বাংলাদেশ নামক প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রয়োজনই না পড়ে।

এই সব বক্তব্য আসলে হিন্দুত্ববাদী পররাষ্ট্রনীতির অন্ধ চেহারা তুলে ধরে, যেখানে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সৌহার্দ্য নয়, বরং নিয়ন্ত্রণ, সন্দেহ ও দখলের রাজনীতি চলে।

প্রদ্যোৎ মাণিক্যের মূর্খতা আরও চরমে পৌঁছায় যখন তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু নয়। শেখ মুজিবই ছিল একমাত্র বন্ধু।’ অর্থাৎ, বর্তমান বাংলাদেশ সরকার, জনগণ, এবং রাজনীতি—সবই তাদের চোখে শত্রু! অথচ বাংলাদেশ প্রতিটি দুর্যোগে ভারতকে সহায়তা করেছে, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে, সীমান্তে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

এই দুই নেতার বক্তব্য শুধু প্রতিবেশী বাংলাদেশ নয়—ভারতের নিজস্ব যুক্তিবোধ ও রাজনীতিকেও ছোট করেছে। একদিকে যখন ড. ইউনূসের মতো আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত ব্যক্তি আঞ্চলিক অগ্রগতির রূপরেখা উপস্থাপন করছেন, তখন হিমন্ত-প্রদ্যোৎরা চিৎকার করে নিজেদের উন্মত্ততাকে উপহাসে পরিণত করছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ভূখণ্ড ও মর্যাদা নিয়ে কথা বলার আগে ভারতের এসব মূর্খ নেতাদের জেনে রাখা উচিত—বাংলাদেশ কোনো দয়া করা দেশ নয়। এটি রক্তে কেনা স্বাধীনতা, এখানে কারও হুমকি-ধমকিতে মাথা নোয়ানোর সংস্কৃতি নেই।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪৯

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪৯

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪৯

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৪৯