বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দাগিরির বার্তা অত্যন্ত বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ

রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর নজরদারি চালানোর বার্তা দেওয়াকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক ও প্রমাণিত ফ্যাসিবাদী চরিত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ)। একই সঙ্গে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি এড়িয়ে ডাইরেক্ট পারচেজ মেথড (ডিপিএম) বা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে […]

বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দাগিরির বার্তা অত্যন্ত বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩

রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর নজরদারি চালানোর বার্তা দেওয়াকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক ও প্রমাণিত ফ্যাসিবাদী চরিত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ)।

একই সঙ্গে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি এড়িয়ে ডাইরেক্ট পারচেজ মেথড (ডিপিএম) বা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ডের নামে হাজার কোটি টাকার অনিয়ম ও চক্রান্ত চলছে বলেও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সরকারের কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

পোস্টের শুরুতে প্রশ্ন তুলে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ‘একজন প্রধানমন্ত্রী কি রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে বিরোধীদলের উপর গোয়েন্দাগিরি করার ঘোষণা প্রকাশ্যে দিতে পারেন? রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কি কোন দলের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার কথা? নাকি দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করার কথা?

বিরোধীদলের উপর গোয়েন্দা সংস্থা লেলিয়ে দেওয়ার এই সংস্কৃতি আমাদের তো হাসিনার আমলের কথাই মনে করিয়ে দেয়।’ তিনি উল্লেখ করেন, রঙ-বেরঙের কার্ড ছাপানোর কর্মসূচিতে নানা অনিয়মের কথা শোনা গেলেও সরকার আজ পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো তদন্তের উদ্যোগ নেয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি লেখেন, ‘রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে দিয়ে বিরোধীদলের উপরে গোয়েন্দাগিরি করার যে বার্তা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন সেটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ

ও মৌলিক কাজ থেকে সরিয়ে শুধুমাত্র বিরোধী রাজনৈতিক দলের পিছনে লেলিয়ে দেওয়া এবং বিরোধী দলকে টার্গেট করে নজরদারি প্রযুক্তির অপব্যবহার করা প্রমাণিতভাবে একটি ফ্যাসিবাদী চরিত্র। প্রধানমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে অপব্যবহারের গভীরতর বার্তা দেয়, যা নিন্দনীয়।’

উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বা ওপেন টেন্ডার এড়িয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণের অভিযোগ এনে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে যে বিএনপি সরকার উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিকে পাশ কাটিয়ে বড় প্রায় সকল প্রকল্পে ডিপিএম পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে।

তিনি অভিযোগ করেন, অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে এখানেও তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠান কিংবা আন্তঃবাহিনী পরিচালিত বিএমটিএফকে সামনে রাখছে, অথচ পেছনের কাজগুলো নিজেদের দলের নেতাদের পাইয়ে দেওয়ার ফন্দি আঁটছে।

কার্ড প্রকল্পের আর্থিক অসঙ্গতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড এবং ফার্মার কার্ডে সেনাবাহিনী কিংবা নৌবাহিনী কিংবা আন্তঃবাহিনীর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে বিএনপি নেতারা দুর্নীতি ও লুটপাটের যে মহড়া সাজিয়েছে, তাতে করে আমাদের বাহিনী গুলোর সম্মান ধুলায় মিশবে।

বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে ডেবিট কার্ড কিংবা ক্রেডিট কার্ড সরবরাহকারী একজন বিএনপি-এমপির প্রতিষ্ঠান যেখানে ১২৫-১৩০ টাকায় প্লাস্টিক কার্ড সরবরাহ করে, সেখানে ফার্মার কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডে সর্বমোট দাম পড়ছে প্রায় ৩০০ থেকে ৩৬৫ টাকা খরচের যৌক্তিকতা কী? উপরন্তু ডাটাবেজ করার নাম করে ২০১০ কোটি টাকা হাতানোর চক্রান্ত শুরু হয়েছে।’

বিকল্প ও সুলভ পদ্ধতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সবসময় দেশের গরিব মানুষের ডাটাবেজ হালনাগাদ করে। এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং ডেটা, বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাস বিলের মতো ইউটিলিটি তথ্য, মোবাইল টপআপ, ক্ষুদ্র ঋণের তথ্য কিংবা খানা আয়-ব্যয় জরিপের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজেটেই অতিদরিদ্র মানুষের প্রায় নিখুঁত ডাটাবেজ তৈরি সম্ভব। ফলে দুর্নীতি ও লুটপাটের উদ্দেশ্য ছাড়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তথাপি ২০১০ কোটি টাকার অপখরচের প্রকল্প সাজানো হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, এসব প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জানার বা ইচ্ছার বাইরে হচ্ছে—এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই; কারণ প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রতিটি সভা-সেমিনারে ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ডের প্রচারণা চালান এবং বিরোধী দলকে খোঁচা দেন।

তিনি বলেন, কার্ড ক্রয়ের নামে লুটপাটকে জায়েজ করতে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীকে ডিপিএমের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কলঙ্কিত করার চক্রান্ত চলছে। সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের এখন মেরুদণ্ড শক্ত করে বলার সময় এসেছে যে মানুষকে ভাতা দিতে জনতুষ্টিবাদী প্লাস্টিক কার্ডের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন স্বয়ংক্রিয় ও টেকসই ডেটাবেজ। দারিদ্র্যের ডেটাবেজ কোনো প্রকল্প দিয়ে হতে পারে না, কারণ প্রকল্প শেষ হলে এই ডেটাবেজ কে হালনাগাদ করবে—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

অতীতের প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত আবদুল্লাহ সতর্ক করে বলেন, ‘এমনিতেই শেখ হাসিনা আমাদের সামরিক ও আধা-সামরিক বাহিনীগুলোকে দিয়ে ক্রমাগতভাবে রাজনৈতিক গুম, খুন, ক্রসফায়ারসহ বিচারবহির্ভূত হত্যা করে, আমাদের এজেন্সিগুলোকে জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কলঙ্কিত করেছে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাও এসেছে।

“আই হ্যাভ এ প্ল্যান”-এর ভেতরে এজেন্সিগুলোর সাইনবোর্ডকে কাজে লাগিয়ে ডিপিএম লুটপাটের মহাপরিকল্পনাকে আমরা নিন্দা জানাই। এবং একই সাথে বাংলাদেশের এজেন্সিগুলোকে বিএনপি নেতাদের লুটপাটের ভাগীদার না হতে আগাম সতর্কতা জানাই।’

রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর বাহিনীগুলো গত দুই বছর রাজনৈতিক অপব্যবহার থেকে কিছুটা বের হয়ে এসেছিল উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘কিন্তু তারেক রহমান আবারও এজেন্সিকে দিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নেতাদের টার্গেট করার বার্তা দিয়েছেন।

এই উভয় রাজনৈতিক ও আর্থিক লুটপাটের অপচর্চা, অপব্যবহার হওয়া থেকে আমাদের সকল সামরিক বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। বাংলাদেশ ক্যান নট এফোর্ড অ্যানাদার ফেইজ অব অটোক্র্যাটিক জার্নি।’

পোস্টের শেষে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ‘রাষ্ট্রীয় বাহিনী সরকারি দলের সম্পত্তি নয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো দলের দলদাস হওয়ার জন্য তৈরি করা হয় নাই। বরং রাষ্ট্রীয় বাহিনী বাংলাদেশের জনগণের সেবক।

সরকার এবং বিরোধীদলসহ ১৮ কোটি মানুষের হয়ে কাজ করার জন্যই সকল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে দেশের বদলে দলের হীন স্বার্থ রক্ষার কাজে লাগানো মানে শুধু সাধারণ একটা নিয়ম ভঙ্গ করা না; বরং এটি জনগণের অর্পিত দায়িত্বের সাথে সরাসরি প্রতারণা করা।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪৪০

রাজনীতি

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক, বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে। দলের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার সকাল ১০টায় বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ রাজনৈতিক পর্ষদের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। […]

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক, বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

দলের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার সকাল ১০টায় বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ রাজনৈতিক পর্ষদের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে দলটি। এতে সংবিধান সংশোধনী কমিটি, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জাতিসংঘ সফর, বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৬৬

রাজনীতি

‘সরকার স্টেপ নেওয়া শুরু করেছে,এটা গুড সাইন, পত্রিকায় নাম আসা হামলাকারীদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে’: আসিফ মাহমুদ

রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় সরকার পদক্ষেপকে ‘গুড সাইন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। এর কিছুক্ষণ আগেই গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় বিএনপির দলের সংরক্ষিত আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। এরপরই প্রতিক্রিয়া […]

‘সরকার স্টেপ নেওয়া শুরু করেছে,এটা গুড সাইন, পত্রিকায় নাম আসা হামলাকারীদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে’: আসিফ মাহমুদ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪৭

রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় সরকার পদক্ষেপকে ‘গুড সাইন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

এর কিছুক্ষণ আগেই গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় বিএনপির দলের সংরক্ষিত আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। এরপরই প্রতিক্রিয়া জানান আসিফ মাহমুদ।

স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় সরকার স্টেপ নেওয়া শুরু করেছে, এটা গুড সাইন। তবে যেহেতু এটা একটা ফৌজদারি অপরাধ সেহেতু আইনের শাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে জড়িত সবাই শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও লেখেন, ‘হামলায় সরাসরি জড়িত এমন যাদের নাম পত্রিকায় এসেছে তাদের অনেককেই আমরা অন্য আরেকজন সংরক্ষিত এমপির সাথে পরবর্তীতেও ঘটনাস্থলে প্রেসের সামনে আসতে দেখেছি। তাদেরকেও যথাযথ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’a

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৬৬

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪৪০