ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে শনিবার (১১ জুলাই) ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও গাইডেড বোমা দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত আটজন নিহত এবং আরও অন্তত এক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন।
রাজধানী কিয়েভেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরের মেয়র।
কিয়েভে অবস্থানরত সাংবাদিকরা জানান, ভোররাতে পরপর দুটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। প্রথম বিস্ফোরণের কয়েক মিনিট পর শহরজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে রাশিয়া প্রায় প্রতিদিনই কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাতভর রাশিয়া ১২০টির বেশি ড্রোন এবং ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ছিল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
তিনি বলেন, বিমান হামলার সতর্কবার্তা জারির আগেই বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে জেলেনস্কি উদ্ধারকর্মীদের ধ্বংসস্তূপে কাজ করার ভিডিও শেয়ার করেন। তিনি জানান, কিয়েভে আবাসিক ভবন, অফিস এবং একটি ধর্মতাত্ত্বিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের আরও কয়েকটি অঞ্চলে উদ্ধার অভিযান চলছে।
উত্তরাঞ্চলের সুমি শহরে রাশিয়ার গাইডেড বিমান বোমা হামলায় একটি শিশুকন্যাসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরের মেয়র আরতেম কোবজার।
এ ছাড়া পূর্বাঞ্চলের স্লোভিয়ানস্ক শহরে রুশ হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলের ওডেসা শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন আরও দুজন বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?