আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আগামী ২১ জুন পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে রেড রোড এলাকায় মঞ্চ নির্মাণ ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ কারণে গত ১৪ জুন রাত থেকে ২১ জুন পর্যন্ত ওই এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
তবে এ আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি অংশ। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি ঈদের নামাজের জন্য রেড রোড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে মুসল্লিদের ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড এলাকায় নামাজ আদায় করতে হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য একই স্থানে অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা আপত্তি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিলে নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা স্বাভাবিক বিষয়। তার ভাষ্য, যেখানে যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম, সেখানেই কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে ঈদের নামাজের জন্য রেড রোড ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সাময়িকভাবে রাস্তা বন্ধ রাখা অস্বাভাবিক কিছু নয় এবং এ নিয়ে অতিরিক্ত আপত্তির কোনো কারণ নেই।
এক পর্যায়ে তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করে বলেন, যারা এ সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট, তারা চাইলে বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অতীতের কিছু চর্চা আর অব্যাহত থাকবে না।
দিলীপ ঘোষের এ বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংখ্যালঘু সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে মন্তব্যটিকে সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করা হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?