দেশজুড়ে আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদিন দুপুর ১২টায় কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দুর্লভ ও ঔষধি গুণসম্পন্ন নাগলিঙ্গমগাছ রোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ উপলক্ষে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেল ও বন বিভাগ সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে। নাগলিঙ্গমগাছের পাশাপাশি বৈলাম, গর্জনসহ আরও তিনটি গাছের চারা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের মালুমঘাট এলাকায় সংরক্ষিত বনে একটি জায়গা প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে ইতিমধ্যে চারা রোপণের জন্য ২ হাজার গর্ত করা হয়েছে।
রোপণের জন্য বন বিভাগ আট প্রজাতির ২ হাজার চারাগাছ প্রস্তুত করেছে। এসবের মধ্যে রয়েছে গর্জন, ঢাকি জাম, তেলসুর, দারমেরা, সিভিট, নিম, চম্পা ও ছাতিম। এ ছাড়া আরও ১২ প্রজাতির বনের উপযোগী চারাগাছ রাখা হয়েছে।
ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নাগলিঙ্গমগাছের চারা প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বৈলাম, গর্জনসহ মোট তিন প্রজাতির চারাও রাখা হয়েছে। আরও একটি সুন্দর গাছের চারা আনা হচ্ছে।’
চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব বলেন, পূর্বনির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও মোনাজাতে অংশ নেবেন তিনি। ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানস্থলের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামীকাল সকাল ৯টায় বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী-মাছুয়াখালী খাল খনন উদ্বোধন ও সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেবেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, এরপর সড়কপথে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন।
এরপর বেলা ১টায় জুলাই আন্দোলনে পেকুয়া উপজেলার সন্তান শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বেলা দেড়টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও মোনাজাতে অংশ নেবেন। সেখান থেকে পেকুয়ায় গিয়ে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে তিনি চকরিয়া উপজেলার উদ্দেশে রওনা দেবেন। বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ফিরে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কক্সবাজারে সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সর্বশেষ রাত ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?