শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

স্বাস্থ্য

শিশুর দুধদাঁতের যত্ন নেবেন যেভাবে

শিশুর দাঁতের যত্ন নিতে হয় গর্ভকালীন প্রথম ছয় সপ্তাহ থেকে। এ সময়ে গর্ভের শিশুর দাঁত ও হাড় গঠনে গর্ভবতীর পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবারের অভাবে দাঁতের গঠন দুর্বল হয়ে যায়। পরে যত্ন নিলেও দাঁত সহজে নষ্ট হয়ে যায়।     দাঁতের গঠন ও উজ্জ্বলতার জন্য গর্ভকালীন কোনো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ আগস্ট ২০২৪, ১৫:১২

শিশুর দাঁতের যত্ন নিতে হয় গর্ভকালীন প্রথম ছয় সপ্তাহ থেকে। এ সময়ে গর্ভের শিশুর দাঁত ও হাড় গঠনে গর্ভবতীর পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবারের অভাবে দাঁতের গঠন দুর্বল হয়ে যায়। পরে যত্ন নিলেও দাঁত সহজে নষ্ট হয়ে যায়।

 

 

দাঁতের গঠন ও উজ্জ্বলতার জন্য গর্ভকালীন কোনো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। এমনকি এ সময়ে অনেক চিকিৎসা গ্রহণ বিপজ্জনক হতে পারে। গর্ভকালীন মাড়ির রোগ বা দাঁতের ব্যথা পুষে রাখলে গর্ভের শিশুর ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন রাজ ডেন্টাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. আসাফুজ্জোহা রাজ।

অনেকে মনে করেন, শিশুর দুধদাঁতের স্থায়ীত্বকাল কম বলে যত্নের প্রয়োজন নেই। গবেষণা বলছে, শিশুদের দুধদাঁতগুলো পড়ে যাওয়ার পরও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যত্ন নিতে হবে। কারণ-

* যথাযথ পুষ্টি পেতে : সুস্থ দাঁত খাদ্যকে উপযুক্ত চর্বণের মাধ্যমে হজমোপযোগী করে, খাবারের ইচ্ছা ও রুচিকে স্বাভাবিক রাখে।

* স্থায়ী দাঁতের ওপর বিরূপ প্রভাব : দুধদাঁতের শিকড়ের নিচে স্থায়ী দাঁতের গঠন শুরু হয়। দুধদাঁতের সংক্রমণ স্থায়ী দাঁতকে ক্ষতি করতে পারে। আবার স্থায়ী দাঁত এলোমেলো বা উঁচু-নিচু হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ দুধদাঁত আগে বা পরে পড়া।

* স্পষ্ট উচ্চারণ ও মুখমণ্ডলের আকৃতি : স্বাভাবিক কথা বলা, কবিতা আবৃত্তি বা গান গাওয়া, চোয়ালের গঠন ও মুখের আকৃতি ঠিক রাখতে দুধদাঁতের সুস্থতা জরুরি। স্থায়ী দাঁতকে ঠিক স্থানে আনার দিকনির্দেশনাও দেয় দুধদাঁত।

* মানসিক বিকাশ : শিশুর মানসিক বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, আত্মবিশ্বাস, প্রাণচঞ্চলতা, লেখাপড়ায় মনোনিবেশসহ মানসিক বিকাশে অস্থায়ী দুধদাঁত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

* সার্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা : দীর্ঘ মেয়াদি দাঁতের সংক্রমণ রক্ত বাহিকায় মিশে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে আক্রান্ত করতে পারে, যেমন-হার্ট, মস্তিষ্ক, হাড়। অন্যদিকে চোয়ালের হাঁড়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

দাঁত ওঠার আগের সময়

সঠিক পরিচর্যার অভাবে ও অপুষ্ট শিশুর জিহ্বা, মাড়ি বা চোয়ালের অংশে ছত্রাক সংক্রমণ প্রায়ই দেখা যায়। এতে সাদা দইয়ের মতো প্রলেপ পড়ে, শিশু খেতে বিরক্ত করে ও কান্না করে। এ সমস্যা থেকে উপশম পেতে চিকিৎসকের পরামর্শে মুখ পরিষ্কার, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, প্রয়োজনে ছত্রাকনাশক ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। দাঁত ওঠার আগে অনেক বাচ্চা ‘টিথিং’ নামে সাত-আট দিনের জটিলতায় ভোগে।

লক্ষণ হিসাবে বিরক্তি, ঘুমের ব্যাঘাত, মাড়ির ফোলাভাব বা প্রদাহ, লালা ঝরানো, ক্ষুধা কমে যাওয়া, মুখের চারপাশে ফুসকুড়ি, হালকা তাপমাত্রা, ডায়রিয়া, কামড় বেড়ে যাওয়া বা মাড়ি ঘষা দেখা যায়। এ ধরনের সমস্যা হলে মাড়ি ম্যাসাজ, সতর্কতার সঙ্গে ঠান্ডা কোনো ফল বা শক্ত খাবার চিবানোসহ প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, শিশু যেন অপরিষ্কার কিছু মুখে না দেয় বা কিছু খেয়ে না ফেলে। অতিরিক্ত আঙুল চোষা রোধেও সচেতন থাকতে হবে। সাধারণভাবে ছয় মাসের দিকে, নিচের সামনের দাঁত ওঠা শুরু করলেও ক্ষেত্র বিশেষে বাচ্চা দাঁত নিয়ে জন্মাতে পারে, তখন চিকিৎসকের পরামর্শে তা ফেলে দিতে হয়।

শিশুর জন্য মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই, এতে মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় অতিজরুরি উপাদান আছে। যেসব মায়েদের নিরুপায় হয়ে ফিডারে খাওয়াতে হয় তাদের শিশুর মুখের যত্নে অধিক সচেতন হতে হবে। ফিডারে রাতে দুধ খাওয়ানোর সময় দুটি বোতল ব্যবহার করা উচিত। একটিতে দুধ ও অন্যটিতে পানি। কিছুক্ষণ পর পর দুধ ও পানি পরিবর্তন করে খাওয়ালে শিশুদের মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

এমনিতেই মুখের মধ্যে ব্যাকটেরিয়াসহ বিভিন্ন অণুজীব সুপ্ত অবস্থায় থাকে। অনুকূল পরিবেশ পেলে এরা সক্রিয় হয়ে নানা রোগের সৃষ্টি করে। শিশুদের দাঁত ওঠার আগে টুথপেস্টের পরিবর্তে পরিষ্কার সুতি কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে আঙুলে পেঁচিয়ে মাড়ি ও জিহ্বা নিয়মিত সকালে ও রাতে খাবার পর ভালোভাবে মুছে দিতে হবে।

দাঁত ওঠার পর

বাচ্চাদের স্বভাব মিষ্টি খাবারের প্রতি দুর্বলতা। এ জাতীয় খাবারে অভ্যস্থ করা, অভিভাবকের অবহেলা সব মিলিয়ে দুধদাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় রোগ খুব সাধারণ। র‌্যাম্পেন্ট বা নার্সিং বটল ক্যারিজ থেকে চিকিৎসার অভাবে সংক্রমণ দাঁতের গোড়াতে পৌঁছে দাঁতের গোড়া এমনকি মুখসহ ফুলে যাওয়ার ঘটনা দেখা যায়।

বেবি টুথপেস্টের গুণগত মান নিশ্চিত না হয়ে বা খেয়ে ফেলার আশঙ্কা থাকলে পেস্ট না দিয়ে নরম বেবি টুথব্রাশ পানিতে ভিজিয়ে দাঁত পরিষ্কার করে দিতে হবে।

বাচ্চারা অনুকরণ প্রিয়, তাই অভিভাবকরা তাদের সামনেই ব্রাশ করবে। এতে বাচ্চারাও দাঁতের যত্নের প্রতি আকৃষ্ট হবে। বাইরের খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে তাজা ফলমূলের জুস, শাকসবজি, সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ক্ষতিকর ফাস্টফুড, চিপস্, কোমল পানীয়, কৃত্রিম জুস, ক্যান্ডি ইত্যাদি চিনি জাতীয় খাদ্য থেকে শিশুদের বিরত রাখতে হবে। যেসব শিশুর দীর্ঘ সময় আঙুল চোষা অভ্যাস আছে, সেটাও বন্ধ করতে হবে।

দুধদাঁতের চিকিৎসা

কাঁদলে, জিদ করলে বা না খেলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব; বলে ছোটকাল থেকে শিশুদের ডাক্তার ভীতি তৈরি করেন অনেক অভিভাবক। এটা শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দুধদাঁত আক্রান্ত হলে এটি পড়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রক্ষা করার সর্বাধুনিক নিরাপদ চিকিৎসা এখন দেশের অনুমোদিত ডেন্টাল চিকিৎসকরা নিয়মিত দিচ্ছেন। তবে রোগের শুরুতে চিকিৎসা নিলে পদ্ধতি হয় সহজ ও অল্প সময়ে।

শিশুরা সহযোগিতা না করলেও আছে নানা কার্যকর চিকিৎসাব্যবস্থা। অযথা ভয়ে রোগকে পুষে রেখে বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ দিয়ে জটিলতা বাড়ানো যাবে না। এক্ষেত্রে বেশকিছু নীরবে বেড়ে ওঠা রোগের উপসর্গ মুখ গহ্বরে প্রকাশ পেতে পারে, যেমন-জন্মগত হৃদরোগ, অপুষ্টি, রক্তস্বল্পতা, ডায়াবেটিস টাইপ-১ ও শ্বাসকষ্ট।

স্বাস্থ্য

৫ আগস্টের পর থেকেই ডিস্টার্ব করতেন যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন : ডা. কামরুল

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অপচেষ্টা ও ‘মব’ তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দ্রুত রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শনিবার (১১ এপ্রিল) হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকেই জনৈক মঈন উদ্দিন (যুবদল নেতা) বিভিন্ন ধরনের মালামাল […]

নিউজ ডেস্ক

১১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:২৭

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে রাজনৈতিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অপচেষ্টা ও ‘মব’ তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দ্রুত রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১১ এপ্রিল) হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকেই জনৈক মঈন উদ্দিন (যুবদল নেতা) বিভিন্ন ধরনের মালামাল সরবরাহের কাজ চাইছিলেন। এ নিয়ে নানা সময়ে ডিস্টার্ব করতেন।

এমনকি আমার অজ্ঞাতসারে ডিম ও চালও সরবরাহ করতেন। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করি, বাজারদরের চেয়ে প্রতি কেজিতে অন্তত ১০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। আমাদের তো এটি কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয় যে এত বেশি দামে কিনবো। তখন আমরাই সরাসরি বাজার থেকে আনার সিদ্ধান্ত নেই।’

তিনি বলেন, এই অনিয়ম বন্ধ করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং ১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালে এসে ‘মব’ তৈরির চেষ্টা করেন ও কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।

‘এছাড়া এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি হাসপাতালে এসে কর্মচারীদের হুমকি দেন এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এ ঘটনায় ৩০ মার্চ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২২৬৬) করা হয়েছে।’

অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘আমরা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বলেছেন, এই ছেলে খারাপ, কাউকে মানে না। মবের পর পুলিশও ভয় পাচ্ছে দেখলাম। আমরা ভয় পাই, পুলিশও ভয় পেলে কীভাবে চলবে?’

সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৭ বছরে প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজারের বেশি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি রোগী ও স্টাফদের জন্য প্রতিদিন তিন বেলা বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেখানে স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।

এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রশাসন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অধ্যাপক কামরুল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও চাঁদাবাজমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জাতীয়

১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারাল ৯৪ শিশু

হামের প্রকোপে দেশজুড়ে বাড়ছে আতঙ্ক-উদ্বেগ আর মৃত্যু। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪ জন মারা গেছে। রাজধানীসহ দেশের চার জেলায় ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৪ শিশু। মূলত, রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় অভিভাবকদের মাঝেও ছড়িয়েছে ভয়-আতঙ্ক। গত ২৯ মার্চ থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করছে সরকার। ৬ […]

১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারাল ৯৪ শিশু

১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারাল ৯৪ শিশু

নিউজ ডেস্ক

০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১

হামের প্রকোপে দেশজুড়ে বাড়ছে আতঙ্ক-উদ্বেগ আর মৃত্যু। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪ জন মারা গেছে। রাজধানীসহ দেশের চার জেলায় ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৪ শিশু।

মূলত, রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় অভিভাবকদের মাঝেও ছড়িয়েছে ভয়-আতঙ্ক। গত ২৯ মার্চ থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করছে সরকার। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা পাবে হামের ভ্যাকসিন।

চিকিৎসকরা বলছেন, সময়মত টিকা না পাওয়ার কারনেই হামে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে শিশুদের সংখ্যা বেশি। ভ্যাকসিন দেয়ার ৩-৪ সপ্তাহের মধ্যেই শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠে। সেক্ষেত্রে, আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্মের পর সময়মত শিশুদের টিকা দেওয়া না হলে হাম নিউমোনিয়াসহ কয়েকটি জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।


উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রামে ২ জন ও কক্সবাজার জেলায় ২ জন শিশু মারা গেছে। হামের উপসর্গ সন্দেহে ঢাকাসহ ৮ বিভাগে ৯৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় ৪২ জনের হাম সনাক্ত হয়েছে।