বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে। ড. আহসান এইচ মনসুর […]

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বিগত সময়ে এই খাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে।

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমগুলো পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এগিয়ে নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এখনো পুরোপুরি না কাটলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলে জানান গভর্নর। যদিও মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা এখনই ছোঁয়া সম্ভব হয়নি, তবে সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য নতুন সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিন দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সক্ষম করে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, সরকার কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ চায় না। বরং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে অর্থনীতির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করবে নতুন সরকার।

অর্থনীতি

যে কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চললেও এবার এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে না। এর বদলে স্বর্ণের দাম কমছে। জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার। গত শুক্রবার […]

যে কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৫

সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চললেও এবার এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে না। এর বদলে স্বর্ণের দাম কমছে।

জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার। গত শুক্রবার (১২ জুন) এটি নেমে আসে ৪ হাজার ২৩৫ ডলারে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো হয়ত সুদের হার কমাবে না। উলটো দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে তারা সুদের হার আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে করে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীরা খুব বেশি আগ্রহী হচ্ছেন না।

বর্তমান এই মুদ্রাস্ফীতির বড় একটি কারণ হলো হরমুজ প্রণালি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলার প্রতিবাদে যুদ্ধের শুরু থেকেই হরমুজ অবরোধ করে রেখেছে ইরান। এতে করে গ্যাস ও তেলের সরবরাহ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। যার প্রভাবে বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতি।

যুক্তরাষ্ট্রে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া দেশটির চাকরির বাজারও থমকে আছে। ফলে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদহার কমাবে এমন কোনো সম্ভাবনা খুবই কম।বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণ মুদ্রাস্ফীতি মোকাবেলার একটি হাতিয়ার (হেজ) হিসেবে কাজ করলেও, উচ্চ সুদের হার সাধারণত এই মূল্যবান ধাতুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্বর্ণকে মূলত একটি ‘মুনাফাহীন’ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ নিজস্ব মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া এটি থেকে বাড়তি কোনো আয় বা লভ্যাংশ আসে না। অন্য কথায়, স্বর্ণ থেকে মুনাফা করতে হলে কেবল এর বাজারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ওপরই নির্ভর করতে হয়।

আলজাজিরাকে আর্থিক খাতের ওয়েবসাইট ‘অপশনস্প্রেডার্স ডটকমের’ প্রধান অপশন অ্যানালিস্ট জাস্টিন কার্ডওয়েল বলেন, ‘যেকোনো সম্পদের তুলনায় স্বর্ণ প্রকৃত অর্থের (টাকার) সবচেয়ে কাছাকাছি একটি রূপ। এখান থেকে কোনো লভ্যাংশ পাওয়া যায় না, আবার দাম না বাড়া পর্যন্ত এর বাড়তি কোনো মূল্যও তৈরি হয় না। মানুষ মূলত মূল্যবৃদ্ধির ওপর ভরসা করেই স্বর্ণ কেনে।’জাস্টিন কার্ডওয়েল বলেছেন, যা সুদহার বৃদ্ধি ও স্বর্ণকে সরাসরি প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে। সুদহার বেশি থাকলে স্বর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে তার ক্ষমতা হারায় এবং মানুষ তখন বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকে।

নোবেল গোল্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কলিন প্লাম আলজাজিরাকে বলেন, যখন ডলার শক্তিশালী হয় তখন স্বর্ণ চাপটি টের পায়। যখন ডলার দুর্বল থাকে তখন স্বর্ণের দাম বাড়ে। বর্তমানে ডলার শক্তিশালী। যার চাপটি টের পাচ্ছে স্বর্ণ। তবে সামনে কি হবে সেটি নিশ্চিত নয়।

অর্থনীতি

চুক্তির সুফল কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: অর্থ উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির সুফল কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বুধবার (৬ মে) সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ১৭:৫৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির সুফল কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বুধবার (৬ মে) সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ড. তিতুমীর স্পষ্ট করেন যে, সরকার এই বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের পরিবর্তে এর প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করছে এবং এই কাঠামোর অধীনেই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে চায়।

তবে তিনি এও উল্লেখ করেন যে, চুক্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কোনো বিষয় থাকলে তা নিয়ে আলোচনার পথ সব সময় খোলা থাকবে।

অর্থ উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে কাজে লাগানো হবে। বিশেষ করে ওষুধ শিল্প খাতে রপ্তানি বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সরকারের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দর্শন ব্যাখ্যা করে ড. তিতুমীর বলেন, “বাংলাদেশ কোনো একক রাষ্ট্রের সঙ্গে এক্সক্লুসিভ বা বিশেষ সম্পর্কে বিশ্বাসী নয়, বরং আমরা সবার সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক বা ইনক্লুসিভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।

” তিনি আরও যোগ করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেমন মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও একইভাবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি সব বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গেই বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে এই নতুন বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের পণ্যের জন্য মার্কিন বাজারে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা নিশ্চিত করা এবং মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।

আজকের এই বৈঠকের মাধ্যমে সেই চুক্তির ধারাবাহিকতা ও বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনীতি

শুধু রাজনীতিতে থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, যারা মূলধারার অর্থনীতির বাইরে আছে, তাদেরকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে চাই। নাগরিক হিসেবে এটি সবার অধিকার। শুধু রাজনীতিতে গণতন্ত্র থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে। সে জন্য সরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। রোববার (১০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনানুষ্ঠানিক খাতের উন্নয়নে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ প্রকল্প ‘রেইজ’-এর ২য় […]

নিউজ ডেস্ক

১০ মে ২০২৬, ১২:৪৩

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, যারা মূলধারার অর্থনীতির বাইরে আছে, তাদেরকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে চাই। নাগরিক হিসেবে এটি সবার অধিকার। শুধু রাজনীতিতে গণতন্ত্র থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে। সে জন্য সরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনানুষ্ঠানিক খাতের উন্নয়নে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ প্রকল্প ‘রেইজ’-এর ২য় পর্যায়ের কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আমির খসরু বলেন, যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে। সেই মানদণ্ড পূরণ না করলে সরকার কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে না। পিকেএসএফ অনেক ভালো কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে কী কী প্রয়োজন, তা সরকার বিবেচনা করছে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় আফগানিস্তানের চেয়েও বেশি, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানো হবে এবং এসব সেবা জনগণের নাগালের মধ্যে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে।

আমির খসরু মাহমুদ জানান, দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের যে সম্ভাবনা এখনো অবশিষ্ট রয়েছে, সরকার তা কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে চায়।

বিশ্ববাজারে হস্তশিল্পের বড় সম্ভাবনা থাকলেও বাংলাদেশ সেই বাজার ধরতে পারছে না বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি এখনও আন্তর্জাতিক বাজারে কাঙ্ক্ষিত অবস্থান তৈরি করতে পারেনি, কারণ এ খাতে পরিকল্পিতভাবে জোর দিয়ে কাজ করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, একটি ভালো ডিজাইনই কোনো পণ্যের মূল্য কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই পণ্যের ডিজাইনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের মার্কেটিং কৌশলও জরুরি। সরকার এসব জায়গায় গুরুত্ব দিতে চায়।

বাংলাদেশের মিউজিক ও থিয়েটারও বড় সম্ভাবনাময় খাত উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের অভাবে এসব খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এশিয়ার বিভিন্ন দেশ অ্যামাজনসহ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের পণ্য ও সংস্কৃতি বিশ্ববাজারে তুলে ধরছে। বাংলাদেশকেও দ্রুত সেই পথে এগোতে হবে।

খেলাধুলাকেও বড় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, হাজার হাজার মানুষ খেলা দেখতে আসে, যা জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। কিন্তু এ খাতেও প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দেয়া হয়নি। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এসব সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ ও পরিকল্পনা বাড়াতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, নারীরা পুরো পরিবারকে আগলে রাখেন এবং কীভাবে সঞ্চয় করতে হয়, তা তারা ভালোভাবে জানেন। এজন্য ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তাদের আর্থিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। এই অর্থ গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ সৃষ্টি করবে। একইভাবে কৃষক কার্ডও দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।