রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ওসমান হাদির উপর হামলার প্রতিবাদে কুবিতে  বিক্ষোভ মিছিল

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( কুবি) শিক্ষার্থীরা।  শুক্রবার ( ১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুল ফটক এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।  এসময় শিক্ষার্থীরা, ’হাদি ভাই গুলিববদ্ধ,  ইন্টেরিম জবাব দে ’, ‘ লড়াই […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৩

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি :

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ( কুবি) শিক্ষার্থীরা। 

শুক্রবার ( ১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুল ফটক এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 

এসময় শিক্ষার্থীরা, ’হাদি ভাই গুলিববদ্ধ,  ইন্টেরিম জবাব দে ’, ‘ লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই ‘, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’, দালালী না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘দিল্লী না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা ’, ‘ তুমি কে আমি কে, হাদী হাদী ‘ ‘ ভারতীয় আদিপত্য , ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও’  ইত্যাদি স্লোগান দেন।

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরাফ ভুঁইয়া বলেন,‘জুলাই পরবর্তী সময়ে আমরা বারবার একটি কথা বলে আসছিলাম আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন ঠেকাতে হবে, আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে হবে, লীগের সন্ত্রাসীদের ঠেকাতে হবে।

গত ১৭ বছর তারা শুধু ক্ষমতা বিস্তার করেনি, তারা তাদের অস্ত্রভান্ডারও সমৃদ্ধ করেছে। অস্ত্রের জোরে টিকে থাকার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আপনারা দেখবেন এই সরকার সেই অস্ত্র উদ্ধারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কিংবা এসব সন্ত্রাসীকে ঠেকাতেও ব্যবস্থা নেয়নি।

আমরা জানি তারা কী চায়, তারা চায় জুলাই যোদ্ধাদের শেষ করে দিতে, তারা চায় বাংলাদেশ থেকে জুলাইকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে। আমরা দেখছি বাংলাদেশে হাদী ভাইয়েরা অনিরাপদ; সে বাংলাদেশে আমি আপনিও নিরাপদ নই। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই হাদী ভাইয়ের ওপর হামলাকারীদের অতি দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

ইনকিলাব মঞ্চ কুবি শাখার আহ্বায়ক হান্নান রহিম বলেন, ‘হাদী ভাই জুলাইয়ের অন্যতম যোদ্ধা। তিনি সবসময় ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। আমরা দেখেছি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে।

ভারত কখনো বাংলাদেশের বন্ধু হতে পারে না। একটা কথা আছে ভারত যাদের বন্ধু, তাদের শত্রুর প্রয়োজন হয় না। ৫ আগস্টের পর থেকেই ভারত আওয়ামী লীগকে পুনরায় ক্ষমতায় আনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যখন তারা দেখলো আওয়ামী লীগ ছাড়াই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে, তখনই তারা জুলাই যোদ্ধাদের টার্গেট করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হাদী ভাইয়ের ওপর হামলাকারীকে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তরকারিতে আলু চেক করেন এমন অচল মাল দিয়ে দেশ চলতে পারে না। সামনে বাংলাদেশ অনেক সংকটের মধ্য দিয়ে যাবে। তাই আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বহিষ্কার করতে হবে। সর্বোপরি নির্বাচনের আগে সব প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

কুবি ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক আবির বলেন, ‘২৪ জুলাইয়ের রক্তঝরা আন্দোলনে আমরা যে স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করেছিলাম, স্বাধীনতার পর আবার রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে হবে এটা কখনো কল্পনাও করিনি।

আমরা ভেবেছিলাম স্বাধীনতার পর নাগরিকের নিরাপত্তা ও অধিকার রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে। কিন্তু নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন এটাই প্রমাণ করে আমরা এখনও নিরাপদ নই। দীর্ঘ ১৭ বছর ভারতীয় আধিপত্য আমাদের গ্রাস করে রেখেছে; ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যে কণ্ঠই উঠেছে, তাকে নির্মমভাবে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, ‘বুয়েটের আবরার ফাহাদ যখন সত্য উচ্চারণ করেছিলেন, তাকে হত্যা করা হয়। ইনকিলাব মঞ্চের হাদি ভাই যখন জুলাইয়ের চেতনাকে ধরে রেখে দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, তাকেও একই কায়দায় সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

আমরা বলতে চাই জুলাইয়ে রক্ত দিয়ে যে আওয়ামী মসনদ ভেঙে দিয়েছি, কিছু নতুন শকুন আবার সেই কায়দায় আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিতে চাইছে। এখনই যদি সতর্ক না হই, তবে খুব শিগগিরই আবার বদ্ধ শিকলে ফিরতে হবে আমাদের।’

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরে বক্স কালভার্ট রোডে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ পদপ্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি গুলিবিদ্ধ হন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসারত আছেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।