সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

রাবির দ্বাদশ সমাবর্তন নিয়ে বিতর্ক, দিনক্ষণ, অতিথি নির্বাচন ও রেজিস্ট্রেশন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ

আতিকুর রহমান, রাবি প্রতিনিধি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দ্বাদশ সমাবর্তন আগামী ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সমাবর্তনের আয়োজন হলেও দিনক্ষণ নির্ধারণ, অতিথি নির্বাচন এবং রেজিস্ট্রেশনের সময় না বাড়ানো—এসব বিষয়ে সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নানা বিতর্কের মাঝেই অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রাবির ৭২ বছরের ইতিহাসে মাত্র ১১টি সমাবর্তন […]

রাবির দ্বাদশ সমাবর্তন নিয়ে বিতর্ক, দিনক্ষণ, অতিথি নির্বাচন ও রেজিস্ট্রেশন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:০৪

আতিকুর রহমান, রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দ্বাদশ সমাবর্তন আগামী ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সমাবর্তনের আয়োজন হলেও দিনক্ষণ নির্ধারণ, অতিথি নির্বাচন এবং রেজিস্ট্রেশনের সময় না বাড়ানো—এসব বিষয়ে সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নানা বিতর্কের মাঝেই অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

রাবির ৭২ বছরের ইতিহাসে মাত্র ১১টি সমাবর্তন হয়েছে। ২০১৯ সালের পর এটি প্রথম সমাবর্তন হলেও ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বহুবার তারিখ ঘোষণা করে আবার স্থগিত করা হয়। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারির তারিখও হঠাৎ বাতিল হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত ও হতাশ হয়েছেন।

দ্বাদশ সমাবর্তনের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা সাবেক শিক্ষার্থী আলী ইউনুস হৃদয় বলেন,

“অনেকেই চাকরির প্রস্তুতি বা আর্থিক সংকটের কারণে সময়মতো রেজিস্ট্রেশন করতে পারেনি। সবাই ভেবেছিল রাবি হয়তো রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়াবে। কিন্তু হঠাৎই জানা গেল, সুযোগ আর বাড়ছে না। এতে অনেকেরই অংশগ্রহণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেল।

পাঁচ বছর অপেক্ষার পর যে সমাবর্তন, সেটাকে স্মরণীয় করার জন্য অতিথি নির্বাচন আরও গুরুত্ব দিয়ে করা যেত। আমরা আরও অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব আশা করেছিলাম।”

সাবেক শিক্ষার্থী সারমিন বন্ধন জানান,

“আমাদের দাবির বিষয়ে প্রশাসনের কোনো গুরুত্বই নেই। পুরো ব্যাপারটাই ডোন্ট কেয়ার ভাব।ফেসবুকে ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’সহ বিভিন্ন গ্রুপে সমাবর্তন নিয়ে অসংখ্য পোস্ট দেখা যাচ্ছে।”

সাবেক শিক্ষার্থী মো. রেজাউল করিম লেখেন

এটা কি সত্যিই সমাবর্তন, নাকি প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ করার অনুষ্ঠান? অফ ডে না দেখে তারিখ দেওয়া, অতিথি বাছাই—সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে সাবেক শিক্ষার্থীরা আর গুরুত্ব পাওয়ার মতো কেউ নয়। এক বছর পিছিয়ে নিলেই বা ক্ষতি কী ছিল? অন্তত সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কিছু হতো।

রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, “সাবেক ভাইবোনেরা আমাকে মেনশন করে জানতে চাইছেন, রাকসু থাকতে এমন দায়সারা আয়োজন কীভাবে হয়? প্রশাসন রাকসুর মতামতকে কতটা গুরুত্ব দেয়, এ আয়োজনেই তা স্পষ্ট।

যাদের অতিথি করা হয়েছে, তারা শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার মতো কেউ নন। চাইলে সাবেকরা একযোগে সমাবর্তন বর্জন করে টাকা ফেরতের দাবি তুলতে পারেন। প্রয়োজনে আলাদা ‘ছায়া সমাবর্তন’ও আয়োজন করা যেতে পারে।”

সমালোচনার পর রাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ উদ্দিন খান জানান, সমাবর্তন নির্ধারিত তারিখেই হবে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তাই শিক্ষা উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আমরা বৃহস্পতিবার বা রবিবার চেয়েছিলাম, কিন্তু অতিথিদের সময় না মেলায় বুধবার ঠিক করতে হয়েছে। এতে চাকরিজীবী গ্র্যাজুয়েটরা কিছুটা অসুবিধায় পড়বেন—এর জন্য আমরা দুঃখিত। টেকনিক্যাল কারণে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ানো সম্ভব হয়নি। যারা অংশ নিতে পারেননি, তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।