বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

একটা পলাতক দল সর্বাত্মক চেষ্টা করছে দেশকে  অস্থিতিশীল করার জন্য

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “একটি পলাতক দল দেশ ছেড়ে চলে গেছে বা তাদের নেতৃত্ব দেশত্যাগ করেছে। তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করছে দেশটিকে অস্থিতিশীল করার জন্য।” অন্তর্বর্তী সরকারের সাত মাসের পথচলা, আইনশৃঙ্খলার অবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কার ও আসন্ন নির্বাচনসহ নানা ইস্যুতে বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন তিনি। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়েও […]

একটা পলাতক দল সর্বাত্মক চেষ্টা করছে দেশকে  অস্থিতিশীল করার জন্য

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৫, ১১:৪৩

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “একটি পলাতক দল দেশ ছেড়ে চলে গেছে বা তাদের নেতৃত্ব দেশত্যাগ করেছে। তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করছে দেশটিকে অস্থিতিশীল করার জন্য।”

অন্তর্বর্তী সরকারের সাত মাসের পথচলা, আইনশৃঙ্খলার অবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কার ও আসন্ন নির্বাচনসহ নানা ইস্যুতে বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন তিনি। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়েও তিনি তার মতামত প্রকাশ করেন।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির। দৈনিক সকাল পাঠকদের জন্য সংক্ষেপিত রূপে সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ তুলে ধরা হলো।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার গঠনের আগে তার কোনো ধারণাই ছিল না যে তিনি এমন একটি দায়িত্ব পাবেন। তিনি বলেন, “আমি তখন গ্রেপ্তার আতঙ্কে ছিলাম না, তবে সম্ভাবনা ছিল। আমি বিষয়টি সহজভাবে নিয়েছিলাম। সরকার যখন গঠিত হলো, তখনও আমার কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল না। হঠাৎ করেই আমি এমন একটি দেশের দায়িত্ব পেলাম, যেখানে সবকিছু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল এই ধ্বংসাবশেষ থেকে দেশের আসল চেহারা বের করে আনা এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহজ করা। এরপর ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করা এবং সংস্কারের দিকে অগ্রসর হওয়া।”

বাংলাদেশে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী সরকার কিভাবে টিকে থাকল, কেন এত দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা চলতে পারল—এসব প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার প্রয়োজন, কারণ এতদিন আমরা কোনো কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারিনি।”

আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশ-বিদেশের আস্থা অর্জনে আমরা সফল হয়েছি। দেশের মানুষ আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে, যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আইনশৃঙ্খলার কিছু খুচরো সমস্যা থাকতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি উন্নতির দিকেই যাচ্ছে।”

আইনশৃঙ্খলার পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “অপরাধের সংখ্যা মোটেই বাড়েনি, বরং আগের মতোই রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের পুলিশ বাহিনী একসময় ভয়ে রাস্তায় নামতে চাইত না, কারণ তারা নিজেরাই হামলার শিকার হয়েছে। এখন পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, তবে পুরোপুরি ঠিক হতে আরও সময় লাগবে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমার অবস্থান একই আছে, কেউ আমাকে অসমর্থন করছে না। রাজনৈতিক বক্তব্যের ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে ঐক্যের কোনো ফাটল ধরেনি।”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অভিযোগ যে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি হয়েছে—এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এমন অভিযোগ সঠিক নয়।”

ছাত্রদের নতুন দল গঠনের বিষয়ে সরকারের কোনো সহায়তা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সরকার কোনো সহায়তা করেনি। যারা রাজনীতি করতে চেয়েছেন, তারা সরকারের পদ ছেড়ে চলে গেছেন। এটা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।”

সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করছি।” সেনাপ্রধানের বক্তব্য যে সবাই একসঙ্গে কাজ না করলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে—এ বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “একটি পলাতক দল দেশ ছেড়ে চলে গেছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য তারা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। মাঝখানে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, যা অপপ্রচারের কারণে তৈরি হয়েছে। তবে আমরা এখন তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।”

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা সবাই এই দেশের নাগরিক, আমাদের সমান অধিকার রয়েছে। তবে যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিচার অবশ্যই হতে হবে।”

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যখন প্রয়োজন হয়, তখন যোগাযোগ হয়।”

নিজের রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি বলেন, “আমি কখনো রাজনৈতিক দল গঠন করিনি, করার পরিকল্পনা করেছিলাম মাত্র। তবে পরে বুঝেছি, রাজনীতি আমার জন্য নয়।”

সাক্ষাৎকারের শেষে তিনি বলেন, “আমি এই পদে আসতে চাইনি, আমাকে বারবার অনুরোধ করা হয়েছে। আমি দায়িত্ব নিয়েছি, কিন্তু আমি রাজনীতির মানুষ নই।”

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।