রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কবি নজরুল কলেজে মশার উপদ্রব, দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের গাফিলতি

রাজধানীর অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবি নজরুল সরকারি কলেজে মশার কামড়ে শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।শ্রেণিকক্ষে, লাইব্রেরিতে কিংবা কলেজের আশেপাশে সব জায়গায় মশার উপদ্রবে শিক্ষার্থীদের জন্য পরিণত হয়েছে অসহনীয় দুর্ভোগ।

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২১:০৬

কবি নজরুল কলেজ, প্রতিনিধি

রাজধানীর অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবি নজরুল সরকারি কলেজে মশার কামড়ে শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।শ্রেণিকক্ষে, লাইব্রেরিতে কিংবা কলেজের আশেপাশে সব জায়গায় মশার উপদ্রবে শিক্ষার্থীদের জন্য পরিণত হয়েছে অসহনীয় দুর্ভোগ।

কলেজের রিডিং রুম, লাইব্রেরি, কমনরুম, মাঠের পাশে বসার স্থানে সর্বত্রই মশার উপদ্রব।এতো পরিমাণে মশা যাতে শিক্ষার্থীরা মশার যন্ত্রণায় ভুগছেন বিভিন্ন রোগে।কলেজের পাশে খোলা ড্রেন,ময়লার স্তূপ, পরিত্যক্ত জিনিস সহ বাথরুম গুলো অপরিষ্কার থাকর কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। এজন্য প্রশাসন মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বা ঔষধ ছিটাচ্ছেন না।

ক্যাম্পাসের এমন কোনো জায়গা পাওয়া যায় না,যেখানে মশার উপদ্রব নেই।দিনের বেলাও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রমের সময় মশা অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা।এমনকি মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে মশার কামড় খেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

বাংলা বিভাগের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আবদুন নুর বলেন,মশার কথা বলতে গেলে বলতে হয় এ এক ভয়ঙ্কর নাম। এমনিতেই আমাদের কলেজ টা অনেক পুরানো তার মধ্যে সব জায়গায় পরিপূর্ণ আলো নেই, আর তার মধ্যে যদি ঠিকমত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকে তাহলে তো মশা জন্মাবেই। আমি যদি উল্লেখ করে বলতে চাই তাহলে আমাদের কলেজের সামনে যে ফুড কার্ড গুলো বসে এগুলো ফেলে যাওয়া ময়লা পানি জমে থাকে সেখান থেকে মশা জন্মায়, এবং কলেজের ময়লা পানি পার হওয়ার ড্রেন এতটাই বাজে অবস্থা যেখানে পানি জমে থাকে দিনের পর দিন। রাতের কথা নাই বললাম দিনের বেলায় কলেজের লাইব্রেরী এবং মাঠে কোথাও মশার যন্ত্রণায় বসা যায় না।

তিনি বলেন,এইতো অল্প কিছুদিন আগেও ডেঙ্গু মশার কামড়ে কলেজের বেশ কিছু শিক্ষার্থী জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হসপিটালে ভর্তি ছিল। তখনো কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় নি কলেজ প্রশাসনের।তাই প্রশাসনের প্রতি আহ্বান থাকবে কলেজের আঙ্গিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা প্রতি আরো মনোযোগী হওয়ার এবং মশা যাতে না জন্মায় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার।

গণিত বিভাগের ২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইউশাহ বিন আলম বলেন, কলেজের রিডিং রুম,লাইব্রেরি,বিতর্ক ক্লাব ও সাংবাদিক সমিতির রুমেও দিনে রাতে সবসময় ব্যাপক মশা থাকে। রুমের ভিতর ছাড়াও ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারে, মুক্তমঞ্চে সবখানে মশার উপস্থিতি। চারদিকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সকলে।এমন অবস্থায় ক্যাম্পাসে এতো মশার উপস্থিতি ভালো লক্ষন নয়।

রিডিং রুম ও লাইব্রেরিতে মশা তাড়ানোর কোনো ব্যবস্থা নেই কলেজ প্রশাসনের।

তিনি বলেন,সন্ধ্যার পরে রিডিং রুমে আমরা সকলে টাকা দিয়ে মশার কয়েল কিনে এনে কয়েল জ্বালিয়ে পড়াশোনা করি। কয়েলের ধোয়ায় অনেকেরই শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। কিন্তু কিছু করার নেই মশার কামড় থেকে বাঁচতে, ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে কয়েল জ্বালানো ছাড়া উপায় নেই।

ক্যাম্পাসের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো নেই, রিডিং রুমের পাশেই ওয়াসরুমের বেহাল দশা, বিতর্ক ক্লাবরুমের পাশে পরিত্যাক্ত টেবিল ফেলে রাখা হয়েছে কয়েকমাস ধরে। এগুলোর নিছে পঁচা পানি জমে থাকে যার কারণে জম্ম নিচ্ছে মশা।

তিনি আরও বলেন, অধ্যক্ষ স্যারকে ওয়াসরুমের বিষয়ে অবগত করেছিলাম গত কয়েকদিন আগে যখন স্যার লাইব্রেরি পরিদর্শনে আসলেন তখন কিন্তু স্যার কোনো আশানূরুপ কথা না বলে দায়সারা বক্তব্য দিলেন।যদি ক্যাম্পাসে মশার কামড়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হলে এর দায়ভার কলেজ প্রশাসনকেই নিতে হবে।

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন,মশার সমস্যা নিয়ে আমরা একাধিকবার সিটি কর্পোরেশন কে চিঠি দিয়েছি কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।আর নিয়মিত ফগিং না করার কারণেই মশার উপদ্রব বেড়েছে।

তিনি বলেন,এই প্রতিষ্ঠান সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত। তারা ঔষধ কম দেওয়ার কারণে মশার এত উপদ্রব বেড়েছে তিনি এই বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের গাফিলতি বলে মনে করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।