শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কবি নজরুল কলেজে মশার উপদ্রব, দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের গাফিলতি

রাজধানীর অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবি নজরুল সরকারি কলেজে মশার কামড়ে শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।শ্রেণিকক্ষে, লাইব্রেরিতে কিংবা কলেজের আশেপাশে সব জায়গায় মশার উপদ্রবে শিক্ষার্থীদের জন্য পরিণত হয়েছে অসহনীয় দুর্ভোগ।

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২১:০৬

কবি নজরুল কলেজ, প্রতিনিধি

রাজধানীর অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবি নজরুল সরকারি কলেজে মশার কামড়ে শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।শ্রেণিকক্ষে, লাইব্রেরিতে কিংবা কলেজের আশেপাশে সব জায়গায় মশার উপদ্রবে শিক্ষার্থীদের জন্য পরিণত হয়েছে অসহনীয় দুর্ভোগ।

কলেজের রিডিং রুম, লাইব্রেরি, কমনরুম, মাঠের পাশে বসার স্থানে সর্বত্রই মশার উপদ্রব।এতো পরিমাণে মশা যাতে শিক্ষার্থীরা মশার যন্ত্রণায় ভুগছেন বিভিন্ন রোগে।কলেজের পাশে খোলা ড্রেন,ময়লার স্তূপ, পরিত্যক্ত জিনিস সহ বাথরুম গুলো অপরিষ্কার থাকর কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। এজন্য প্রশাসন মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বা ঔষধ ছিটাচ্ছেন না।

ক্যাম্পাসের এমন কোনো জায়গা পাওয়া যায় না,যেখানে মশার উপদ্রব নেই।দিনের বেলাও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রমের সময় মশা অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা।এমনকি মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে মশার কামড় খেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

বাংলা বিভাগের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আবদুন নুর বলেন,মশার কথা বলতে গেলে বলতে হয় এ এক ভয়ঙ্কর নাম। এমনিতেই আমাদের কলেজ টা অনেক পুরানো তার মধ্যে সব জায়গায় পরিপূর্ণ আলো নেই, আর তার মধ্যে যদি ঠিকমত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকে তাহলে তো মশা জন্মাবেই। আমি যদি উল্লেখ করে বলতে চাই তাহলে আমাদের কলেজের সামনে যে ফুড কার্ড গুলো বসে এগুলো ফেলে যাওয়া ময়লা পানি জমে থাকে সেখান থেকে মশা জন্মায়, এবং কলেজের ময়লা পানি পার হওয়ার ড্রেন এতটাই বাজে অবস্থা যেখানে পানি জমে থাকে দিনের পর দিন। রাতের কথা নাই বললাম দিনের বেলায় কলেজের লাইব্রেরী এবং মাঠে কোথাও মশার যন্ত্রণায় বসা যায় না।

তিনি বলেন,এইতো অল্প কিছুদিন আগেও ডেঙ্গু মশার কামড়ে কলেজের বেশ কিছু শিক্ষার্থী জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হসপিটালে ভর্তি ছিল। তখনো কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় নি কলেজ প্রশাসনের।তাই প্রশাসনের প্রতি আহ্বান থাকবে কলেজের আঙ্গিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা প্রতি আরো মনোযোগী হওয়ার এবং মশা যাতে না জন্মায় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার।

গণিত বিভাগের ২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইউশাহ বিন আলম বলেন, কলেজের রিডিং রুম,লাইব্রেরি,বিতর্ক ক্লাব ও সাংবাদিক সমিতির রুমেও দিনে রাতে সবসময় ব্যাপক মশা থাকে। রুমের ভিতর ছাড়াও ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারে, মুক্তমঞ্চে সবখানে মশার উপস্থিতি। চারদিকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সকলে।এমন অবস্থায় ক্যাম্পাসে এতো মশার উপস্থিতি ভালো লক্ষন নয়।

রিডিং রুম ও লাইব্রেরিতে মশা তাড়ানোর কোনো ব্যবস্থা নেই কলেজ প্রশাসনের।

তিনি বলেন,সন্ধ্যার পরে রিডিং রুমে আমরা সকলে টাকা দিয়ে মশার কয়েল কিনে এনে কয়েল জ্বালিয়ে পড়াশোনা করি। কয়েলের ধোয়ায় অনেকেরই শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। কিন্তু কিছু করার নেই মশার কামড় থেকে বাঁচতে, ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে কয়েল জ্বালানো ছাড়া উপায় নেই।

ক্যাম্পাসের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো নেই, রিডিং রুমের পাশেই ওয়াসরুমের বেহাল দশা, বিতর্ক ক্লাবরুমের পাশে পরিত্যাক্ত টেবিল ফেলে রাখা হয়েছে কয়েকমাস ধরে। এগুলোর নিছে পঁচা পানি জমে থাকে যার কারণে জম্ম নিচ্ছে মশা।

তিনি আরও বলেন, অধ্যক্ষ স্যারকে ওয়াসরুমের বিষয়ে অবগত করেছিলাম গত কয়েকদিন আগে যখন স্যার লাইব্রেরি পরিদর্শনে আসলেন তখন কিন্তু স্যার কোনো আশানূরুপ কথা না বলে দায়সারা বক্তব্য দিলেন।যদি ক্যাম্পাসে মশার কামড়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হলে এর দায়ভার কলেজ প্রশাসনকেই নিতে হবে।

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন,মশার সমস্যা নিয়ে আমরা একাধিকবার সিটি কর্পোরেশন কে চিঠি দিয়েছি কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।আর নিয়মিত ফগিং না করার কারণেই মশার উপদ্রব বেড়েছে।

তিনি বলেন,এই প্রতিষ্ঠান সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত। তারা ঔষধ কম দেওয়ার কারণে মশার এত উপদ্রব বেড়েছে তিনি এই বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের গাফিলতি বলে মনে করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।