শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

অবহেলায় পড়ে আছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার

আবু তাহের,ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার—যেখানে প্রতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরি, ফুলেল শ্রদ্ধা ও নানা আয়োজনে মুখর থাকে ক্যাম্পাস, সেখানে বছরের বাকিটা সময় শহীদ মিনার পড়ে থাকে নীরব অবহেলায়। ক্যাম্পাসে সামান্য বৃষ্টিতেই শহীদ মিনারের আশপাশে জমে যায় পানি। অনেক সময় এই জলাবদ্ধতা কয়েকদিন স্থায়ী হয়, ফলে শ্রদ্ধা নিবেদন […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৫, ০২:২৯

আবু তাহের,ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার—যেখানে প্রতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরি, ফুলেল শ্রদ্ধা ও নানা আয়োজনে মুখর থাকে ক্যাম্পাস, সেখানে বছরের বাকিটা সময় শহীদ মিনার পড়ে থাকে নীরব অবহেলায়।

ক্যাম্পাসে সামান্য বৃষ্টিতেই শহীদ মিনারের আশপাশে জমে যায় পানি। অনেক সময় এই জলাবদ্ধতা কয়েকদিন স্থায়ী হয়, ফলে শ্রদ্ধা নিবেদন বা সাধারণ ঘোরাঘুরি—দুটোই হয়ে ওঠে কষ্টকর। শিক্ষার্থীরা জানান, স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা বছর বছর একইভাবে রয়ে যাচ্ছে।

শহীদ মিনারের চারপাশে জমে থাকা শুকনো পাতা, আবর্জনা ও ধুলাবালি নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। অনেক সময় বাতাসে উড়ে আসা প্লাস্টিকের বোতল বা খাবারের প্যাকেটও পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এতে স্মৃতিস্তম্ভটির নান্দনিকতা নষ্ট হয়। শিক্ষার্থীদের দাবি, অতি দ্রুত শহিদ মিনারকে আলোকিত করার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনের ব্যবস্থা করা হোক এবং শহিদ মিনারকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হোক।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার জামান লেলিন বলেন, শহিদ মিনার একটি রাষ্ট্রীয় স্থাপনা, অথচ এটিকে চরম অবহেলার মধ্যে রাখা হয়েছে। ভাষার মাস এলে কয়েকদিনের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রঙের কাজ করে।

কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই সেই আয়োজন ভেস্তে যায়। এরপর জায়গাটি আবার অযত্নে পড়ে থাকে। শহিদ মিনারের মতো স্থাপনার পাশে ময়লার ভাগার রেখে দেওয়া হচ্ছে। এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য চরম ব্যর্থতা।

নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী তবিবুর রহমান বলেন, শহিদ মিনার এমন একটি সম্মানিত স্থান যেখানে আমরা শহিদদের স্মরণে ফুল দিই। এটি কেবল একুশে ফেব্রুয়ারির জন্য নয়; আমাদের সবার উচিত প্রতিদিনই শহিদ মিনারকে সম্মান ও মর্যাদায় রাখা।

এজন্য প্রশাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি, কারণ প্রশাসনের সদিচ্ছা ও কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া এ কাজ সম্ভব নয়। তাই প্রশাসনের উচিত শহিদ মিনারকে সুন্দর ও মর্যাদাপূর্ণ করে গড়ে তোলার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

চারুকলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরোজ হৃদী বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি ছাড়া বছরের বাকি সময়গুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার অবহেলায় পড়ে থাকে। অথচ শহিদ মিনারের নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

এখানে কোনো লাইটিং ব্যবস্থা নেই, ফলে সবসময় অন্ধকারে ঢাকা থাকে। জলাবদ্ধতা ও আবর্জনার কারণে প্রচুর মশার জন্ম হচ্ছে, যা একটি বিরূপ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করছে। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারকে যথাযথ মর্যাদা ও যত্ন দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, শহীদ মিনার আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। জলাবদ্ধতা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ইতিমধ্যে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য স্টেট অফিসারদের সাথে কথা বলেছি।

শহীদ মিনার বিষয়ে উপ-রেজিস্ট্রার (এস্টেট) এস. এম. হুমায়ুন কবির জানান, উপরে গাছপালা থাকার কারণে পরিষ্কার করার সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে জায়গাটি আবারও নোংরা হয়ে যায় এবং শ্যাওলা পড়ে। পুরো ক্যাম্পাসে ঝাড়ুদার রয়েছে মাত্র তিনজন।

সে কারণে প্রতিদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সম্ভব হয় না। জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্যারের নির্দেশে বালু ফেলার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার ব্যাপারেও দেখছি, সংশ্লিষ্টদের জানাবো, তারা কী ব্যবস্থা নেয়।

বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি অফিসিয়াল কাজে ঢাকায় আছি, তাই সরাসরি কিছু জানি না। যদিও পরিষ্কারের জন্য বলেছি। তবে আমাদের তিনজন পরিচ্ছন্ন কর্মীর মধ্যে একজন অসুস্থ, যার কারণে পরিচ্ছন্নতায় বিঘ্ন ঘটছে। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল গিয়ে বিষয়টি দেখে কি করা যায় দেখবো।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।