মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

পবিপ্রবিতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুই কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে অর্থ জমা না নিয়ে দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ২১ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মো. ইকতিয়ার উদ্দিনের পৃথক দুটি অফিস আদেশে তাঁদের বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া দুজন হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাশ ফান্ড অ্যান্ড পেনশন বিভাগের উপপরিচালক মো. রাজীব মিয়া ও হিসাব […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৫, ০০:০২

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে অর্থ জমা না নিয়ে দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

২১ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মো. ইকতিয়ার উদ্দিনের পৃথক দুটি অফিস আদেশে তাঁদের বরখাস্ত করা হয়।

বরখাস্ত হওয়া দুজন হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাশ ফান্ড অ্যান্ড পেনশন বিভাগের উপপরিচালক মো. রাজীব মিয়া ও হিসাব বিভাগের ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট আবু সালেহ মো. ঈসা। এর আগে তাঁদের বিরুদ্ধে অন্তত ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ২০১১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) থেকে মোটরযান ও কম্পিউটার ক্রয়ে ঋণ চালু করা হয়। পরবর্তী সময়ে নানা ক্যাটাগরিতে ঋণ নেন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

শর্ত অনুযায়ী ঋণ পরিশোধও করেন তাঁরা। অথচ সেই অর্থ সংশ্লিষ্টরা ব্যাংকে জমা না করে ভুয়া ব্যাংক রসিদের (রিসিট) মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। চলতি মাসে অভিযোগটি সামনে এলে ১০ আগস্ট তদন্ত কমিটি করে প্রশাসন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযানও চালায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. জসীম উদ্দিন জানান, ১০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক আবদুল লতিফকে প্রধান করে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তিনি নিজেও ওই কমিটির সদস্য।

তিনি বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ঋণসংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে ব্যাংকের ভুয়া ব্যাংক রসিদ পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে পেছনের অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত সব নথি পর্যালোচনা করা হবে। প্রাথমিক তালিকায় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকার গরমিল পাওয়া গেছে।

ঋণের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ যাবতীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করলে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে। এর মধ্যে জড়িতরা আত্মসাৎ করা ৩২ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা করেছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইকতিয়ার উদ্দিন বলেন,তদন্তের আলোকে তাদের দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত এখনো চলমান আছে, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না।

গত ১৭ আগষ্ট দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে অভিযান চালিয়েছেন এবং পটুয়াখালী কার্যালয়ের দুদকের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস জানান, অভিযানে ২০২০-২১ অর্থবছরের ৬৬ জন ঋণগ্রহীতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের পরিশোধ করা ৫০ লাখের অধিক টাকা ব্যাংকে জমা হয়নি।

এ ছাড়া ২০১৮ সালে ঋণ গ্রহীতাদের পরিশোধ করা টাকা ব্যাংকে জমা না হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযানকালে ভুয়া ব্যাংক রসিদসহ বেশ কিছু নথিপত্র জব্দ করা হয়। জব্দ করা নথিপত্র অনুযায়ী আরও ২ কোটি ২৮ লাখ টাকার গরমিল পাওয়া গেছে। টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

২০১৮-১৯ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত ঋণসংক্রান্ত নথিপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে চাওয়া হয়েছে। অভিযানের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রধান কার্যালয়ে দাখিল করে অধিকতর তদন্তের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। প্রধান কার্যালয় থেকে অনুমতি পেলে অধিকতর তদন্ত করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের জ্যেষ্ঠ সহকারী শান্তা ইসলাম বলেন, তিনি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩ লাখ টাকা ঋণ নেন। ২০২২ সালের মধ্যে সব টাকা পরিশোধ করেছেন।

ঋণ পরিশোধের বিপরীতে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে ভুয়া ব্যাংক রসিদ সরবরাহ করেন। টাকা আত্মসাতের বিষয়টি সামনে এলে তিনি অভিযুক্তদের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানতে চান। তাঁরা টাকা ব্যাংকে জমা দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

অ্যাম্বুলেন্সের চালক মো. আলমগীর আলম বলেন, জিপি ফান্ড থেকে তিনি ৩ লাখ টাকা ঋণ নেন। কিস্তি হারে সব টাকা পরিশোধ করলেও ৭৬ হাজার ৭২৮ টাকা ব্যাংকে জমা হয়নি। এ বিষয়ে জানতে ১১ আগস্ট এ ঘটনায় জড়িত আবু সালেহ মো. ঈসার কাছে গেলে তিনি টাকা ফেরত দেন।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঋণ শাখার পেনশন বিভাগের উপপরিচালক মো. রাজীব মিয়া ও ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট আবু সালেহ মো. ঈসাকে একাধিকবার কল করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।অনুসন্ধান করে জানা গেছে ১৭ আগস্ট দুদক অভিযানের পর থেকেই তাঁরা গা ঢাকা দিয়েছেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।