শেকৃবি প্রতিনিধি
আধুনিক কৃষি শিক্ষায় প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে কৃষি প্রকৌশল অনুষদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ বলেছেন, কৃষি উৎপাদন বাড়াতে ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও গবেষণার বিকল্প নেই।
২২ ও ২৩ আগস্ট শেকৃবি কম্পিউটার ক্লাব ও কৃষি প্রকৌশল বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী “বাস্তব জীবনে ব্যবহারভিত্তিক সাইট প্রশিক্ষণ” শীর্ষক জিআইএস প্রশিক্ষণ সেমিনারের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপাচার্য এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, “কৃষি খাতে প্রযুক্তির অবদান অপরিসীম। কৃষি প্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য শীঘ্রই আমরা কৃষি প্রকৌশল অনুষদ চালু করবো। সীমিত সম্পদ দিয়ে বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর খাদ্যচাহিদা পূরণে প্রযুক্তিই একমাত্র সমাধান। জিআইএস এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রের সহায়তায় গবেষণা ও পরিকল্পনা করা সম্ভব।”
শিক্ষক-গবেষকরা মনে করছেন, নতুন অনুষদ চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বৈচিত্র্যময় শিক্ষার সুযোগ পাবে এবং গবেষণার মান আরও উন্নত হবে। শিক্ষার্থীরাও আশা প্রকাশ করেছেন, এ উদ্যোগ কর্মসংস্থান ও গবেষণার নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল বাশার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলী, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশাবুল হক, কৃষি প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াদুদ আহমেদ এবং কম্পিউটার ক্লাবের উপদেষ্টাবৃন্দ।
প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীরা মৌলিক মানচিত্র অঙ্কন, তথ্য উপস্থাপন, কেস স্টাডি, মূল্যায়ন, কুইজ ও অ্যাসাইনমেন্টে অংশ নেন। প্রশিক্ষক ছিলেন জিআইএস বিশেষজ্ঞ ও কৃষি প্রকৌশল অনুষদের খণ্ডকালীন শিক্ষক সব্যসাচী নিলয়। কোর্স সমন্বয়ক ছিলেন কৃষি প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক মোস্তফিজুর রহমান।
অ্যাসাইনমেন্টে প্রথম হন কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী আদিব এবং দ্বিতীয় হন সৌরভ ঘোষ। পুরস্কার হিসেবে তাদের হাতে লাকি ব্যাম্বু গাছ তুলে দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র প্রদান করা হয়।