মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

রাজনৈতিক মেরুকরণের পথে পবিপ্রবি প্রশাসন, শিক্ষকদের পদলালসায় হতাশ শিক্ষার্থীরা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের পর যখন নতুন প্রত্যাশায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এগিয়ে চলার কথা, তখন পুরনো নিয়মেই চলছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি)। ক্ষমতার পালাবদলে কেবলমাত্র চেয়ারেরই রূপান্তর হয়েছে। আদতে দৃশ্যমান কোনো সংস্কার হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। শিক্ষকদের মধ্যকার রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রতিযোগিতা হতাশ করেছে শিক্ষার্থীদের। যেখানে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, সেখানে শিক্ষকরা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০২৫, ১৩:৪৯

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের পর যখন নতুন প্রত্যাশায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এগিয়ে চলার কথা, তখন পুরনো নিয়মেই চলছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি)। ক্ষমতার পালাবদলে কেবলমাত্র চেয়ারেরই রূপান্তর হয়েছে।

আদতে দৃশ্যমান কোনো সংস্কার হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। শিক্ষকদের মধ্যকার রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রতিযোগিতা হতাশ করেছে শিক্ষার্থীদের।

যেখানে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, সেখানে শিক্ষকরা আছেন পদবি পাওয়া কিংবা না–পাওয়া নিয়ে এক অসুস্থ প্রতিযোগিতায়।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালকের পদবি না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দেন। পাশাপাশি তিনি প্রশাসনের তীব্র সমালোচনাও করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রশাসন ‘জামায়াতীকরণ’ করেছে— এমন অভিযোগ তোলেন তিনি।

তার এই মন্তব্যের পরেই বিশ্ববিদ্যালয় মহলে শুরু হয় আলোচনা–সমালোচনা। প্রশাসন কি তবে শিক্ষার মান নিশ্চিতের চেয়ে বরং বিশ্ববিদ্যালয়কে রাজনৈতিক মেরুকরণের দিকেই ঝুঁকাচ্ছে— এমন প্রশ্ন উঠেছে শিক্ষার্থীদের মনে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রধান প্রধান পদগুলোতে রাজনৈতিক শিক্ষকদের আধিপত্য রয়েছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ পদই বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দখলে, বাকি ২০ শতাংশ রয়েছে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের হাতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ২৯টি পদের অনুসন্ধানে এমন পরিসংখ্যান পাওয়া যায়— যেখানে ২৩টি পদে বিএনপিপন্থী ও ৬টি পদে জামায়াতপন্থী শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দখলকৃত পদগুলো হলো— বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস–চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের ডিন,

ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিন, রিজেন্ট বোর্ড সদস্য–১, রিজেন্ট বোর্ড সদস্য–২, রিজেন্ট বোর্ড সদস্য–৩, পোস্ট–গ্রাজুয়েট স্টাডিজের ডিন, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক,

কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক, পিএসটিইউ ইনোভেশন ডিসেমিনেশন সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক,

পরিবহন কর্মকর্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান হল–১-এর প্রভোস্ট, শহীদ জিয়াউর রহমান হল–২-এর প্রভোস্ট, কবি সুফিয়া কামাল হলের প্রভোস্ট, বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট, সুলতানা রাজিয়া হলের প্রভোস্ট এবং সৃজনী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক।

অন্যদিকে জামায়াতপন্থী শিক্ষকরা রয়েছেন— ট্রেজারার, আরটিসির পরিচালক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিন, আইসিটি সেলের পরিচালক, এম. কেরামত আলী হলের প্রভোস্ট এবং তাপসী রাবেয়া বসরী হলের প্রভোস্ট হিসেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষক ও ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক মামুন-অর-রশিদ ‘জামায়াতীকরণ’ প্রসঙ্গে বলেন,

“ইউট্যাবের কেউ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতীকরণ হচ্ছে— এমন বক্তব্য দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই। যদি দিয়ে থাকে, তা কেন দিয়েছে সেটি আলোচনার বিষয়। আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করবো।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী শিক্ষক ও গ্রীন ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মামুন-উর-রশিদ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে সমস্ত দায়িত্ব ও বিভিন্ন কমিটিতে একটি রাজনৈতিক দলের একচ্ছত্র অংশগ্রহণেই চলছে সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম।

কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের বলয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব ও দায়িত্ব বণ্টন হওয়া উচিত যোগ্যতা এবং নৈতিকতার মানদণ্ডে।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস–চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমি সবসময় চেষ্টা করেছি যোগ্যতম শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে যোগ্যতম জায়গায় পদায়ন করতে।

আর এই যোগ্যতার পদায়নই হলো সর্বশেষ ছাত্র–নির্দেশনা শাখার পরিচালকের নিয়োগ। আমার প্রশাসন দল ও আদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সঠিক ব্যক্তিকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে নিয়োগ দেয়— সেটির উদাহরণ হলো সর্বশেষ শিক্ষক নিয়োগ, যেখানে ১৬ জনের মধ্যে বেশিরভাগেরই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই।”

আপনার নিয়োগকৃত যোগ্য শিক্ষক–কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও তো বিভিন্ন সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে— এ প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, “আমার নিয়োগের পর অল্প সময় পেয়েছি সবাইকে বোঝার জন্য।

বাইরে থেকে তো আর সবাইকে সমানভাবে চেনা যায় না। কোনো চেয়ারে বসার পরই আসল চরিত্র ফুটে ওঠে। তবে আমার প্রশাসন এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে সবসময় ব্যবস্থা নিচ্ছে।”

এসময় তাকে কোনো বিশেষ দলের রাজনৈতিক মেরুকরণ হচ্ছে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যে ২৯টি পদের ব্যাপারে প্রশ্ন আছে, সেগুলোর বেশিরভাগই পদায়ন করা হয়েছে আমার নিয়োগের আগে।

তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান প্রোভিসি অধ্যাপক হেমায়েত জাহান। এ ব্যাপারে তিনিই ভালো বলতে পারবেন।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।