শেকৃবি প্রতিনিধি
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) ১০৮ জন ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীর মাঝে সার্জিক্যাল ও অবস্টেট্রিকাল বক্স বিতরণ করা হয়েছে। হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
৯ জুলাই ২০২৫, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কমপ্লেক্সের সেমিনার হলে “সার্জিক্যাল অ্যান্ড অবস্টেট্রিকাল বক্স ডিস্ট্রিবিউশন প্রোগ্রাম-২০২৫” শীর্ষক এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে অ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) অনুষদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুল লতিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসাইন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবুল বাশার। সভাপতিত্ব করেন এএসভিএম অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে সার্জারি অ্যান্ড থেরিওজেনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং প্রোগ্রাম কনভেনার ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, “সার্জিক্যাল বক্স শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এতে করে তাদের হাতে-কলমে দক্ষতা তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে তারা আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবে।”
অনুষ্ঠানে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস-এর সহযোগিতায় একটি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রাণিস্বাস্থ্য বিষয়ক পণ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন স্কয়ারের এগ্রোভেট ও ক্রপ কেয়ার ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার জয়ন্ত দত্ত গুপ্ত এবং প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন ড. মো. আশরাফুল ইসলাম।
ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে একটি বাস্তবমুখী সংযোজন, যা তাদের ভবিষ্যৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে। বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় এমন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চায়।”
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ বলেন, “আমাদের দেশে দক্ষ ভেটেরিনারি সার্জনের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য মানসম্মত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জাম অপরিহার্য। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পশু হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে ইউজিসির সঙ্গে কাজ করছি। আশা করছি, এটি রাজধানীর অন্যতম পশু হাসপাতাল হিসেবে গড়ে উঠবে।”
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত ১০৮ জন শিক্ষার্থীর মাঝে সার্জিক্যাল ও অবস্টেট্রিকাল বক্স বিতরণ করা হয় এবং এক মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।