মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কর্মীসভা হলেও, এক বছর ধরে দেখা নেই নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ছাত্রদল কমিটির

আবু তাহের, জাককানইবি ৫ বছর ধরে আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই চলছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে গতবছর ২১ মে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হলেও, এক বছর ধরে দেখা নেই নতুন কমিটির। ফলে হতাশা বাড়ছে নেতাকর্মীদের মাঝে। ২০২১ সালের ৬ জুন ইমরান হোসেন প্রধানকে আহ্বায়ক এবং আল আমিনকে সদস্য সচিব করে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় […]

কর্মীসভা হলেও, এক বছর ধরে দেখা নেই নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ছাত্রদল কমিটির

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২২

আবু তাহের, জাককানইবি

৫ বছর ধরে আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই চলছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে গতবছর ২১ মে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হলেও, এক বছর ধরে দেখা নেই নতুন কমিটির। ফলে হতাশা বাড়ছে নেতাকর্মীদের মাঝে।

২০২১ সালের ৬ জুন ইমরান হোসেন প্রধানকে আহ্বায়ক এবং আল আমিনকে সদস্য সচিব করে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ২৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ ৩ মাস হলেও পাঁচ বছরেরও অধিক সময় ধরে আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই চলছে ইউনিটটির সাংগঠনিক কার্যক্রম।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ মে কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাকির আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওমর সানি এবং মোঃ রিসালাত ইসলাম সজীবকে দায়িত্ব প্রদান করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। সম্মেলনে অতি দ্রুত নতুন কমিটি ঘোষণার আশ্বাসও দেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

এদিকে ২৭ সদস্যের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির ২০ জন সদস্যই মাঠে সক্রিয় নন, এমনকি অধিকাংশ নেতাকর্মীর ছাত্রত্বও শেষ হয়েছে অনেক আগেই। তবে ৫ আগস্টের পর নিজেদের নির্যাতিত-বঞ্চিত দাবি করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ছাত্রত্ব ফিরে পেয়েছেন নতুন কমিটিতে পদপ্রত্যাশী একাধিক ছাত্রদল নেতা। এসবকিছুর পরেও নতুন কমিটি গঠন না হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝেও হতাশা বিরাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হিমেল আহম্মেদ বলেন, ২০২৫ সালের ২১ মে নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মী সম্মেলন নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করলেও দুঃখজনকভাবে সেই প্রত্যাশার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেনি; বরং পরবর্তীতে রাজনৈতিক সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।

নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের ব্যক্তিকেন্দ্রিক তৎপরতা এবং ২৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনেকের সাংগঠনিক নিষ্ক্রিয়তা ছাত্রদলের কার্যক্রমকে দুর্বল করে দিচ্ছে। ফলে ক্যাম্পাসে একটি স্পষ্ট নেতৃত্ব শূন্যতা তৈরি হওয়ার পথে, যার সুযোগ নিচ্ছে সক্রিয় গুপ্ত সংগঠনগুলো।

পরিবর্তনশীল সময়ে সাংগঠনিক উপস্থিতি দুর্বল থাকায় গুপ্ত সংগঠনগুলো কৌশলগতভাবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এ মুহূর্তে সময়োপযোগী ও শক্তিশালী কার্যকর সাংগঠনিক কাঠামো অত্যাবশ্যক।

শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ ফরাজি বলেন, কর্মীসভা হয়েছে প্রায় ১ বছর। কর্মীসভার পরে আসলে চেইন অব কমান্ড ভেঙে পরে। এ কারণে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এখন আর সুসংগঠিত নেই।

আমি চাই খুব দ্রুতই যেনো শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি করা হয় এবং যারা বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে হামলা-মামলার শিকার হয়েও মাঠে থেকেছে এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শের পক্ষে লড়াই করে গেছে, তাদেরকে যেনো মূল্যায়ন করা হয়। একটি সঠিক নেতৃত্ব নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত করবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।

শাখা ছাত্রদলের আরেক যুগ্ম-আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় আছি। কেন্দ্রের ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে,তারা সময়মতো হয়তো কমিটি গঠন করবে। দীর্ঘদিন যারা মাঠ পর্যায়ে থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করেছে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ তাদের মূল্যায়ন করবে বলে আশা রাখি।

আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মামুন সরকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না হওয়ায় সংগঠন গতি হারাচ্ছে এবং যোগ্য নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মেধাবী ও ত্যাগী কর্মীরা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ছেন। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ বিভক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিভিন্ন গ্রুপ-উপগ্রুপ তৈরি হচ্ছে, যা সংগঠনের ঐক্য নষ্ট করছে।

বিগত সময় ধরে যারা ছাত্র রাজনীতি করে আসছে তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়েও শঙ্কা বাড়ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি অনুরোধ দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য একটি কমিটি গঠন করা হোক। আমি মনে করি যোগ্যতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা উচিত।

শাখা ছাত্রদলের কর্মী শাহাদাত হোসেন চঞ্চল বলেন, পরিবর্তনশীল সময়ের চাহিদা অনুযায়ী যে ধরনের ছাত্ররাজনীতি প্রয়োজন সেটি সম্ভব হচ্ছে না অস্থিতিশীল রাজনৈতিক সংকট থাকায়। শিক্ষার্থীরাও এই সংকট অনুভব করছে।

শিক্ষার্থী বান্ধব যুগোপযোগী নেতৃত্ব নিয়ে আগ্রহ রয়েছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গতিশীল ছাত্ররাজনীতি ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন হিসেবে ছাত্রদলের প্রতি সকল স্তরের মানুষের ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই সকলের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, ইউনিটটির টিম লিডার এবং কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শাকির আহমেদের পছন্দের প্রার্থীকে সুযোগ দিতেই বিলম্ব করা হচ্ছে কমিটি। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমার পছন্দের কোনো ক্যান্ডিডেট নেই। আমার কারণে কমিটি গঠনে বিলম্ব হচ্ছে, বিষয়টা এমন না।

এখানে বেশকিছু জটিলতা রয়েছে। স্থানীয় অভিভাবক ও নেতাকর্মীরাও চাচ্ছিলেন নির্বাচনের পর যেন কমিটি হয়। মূলত রানিং স্টুডেন্টদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত রয়েছে। সেক্ষেত্রে দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রেও পরিপক্বতার বিষয় রয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী সবকিছু যাচাই-বাছাই চলছে, আমরাও চেষ্টা করছি। আশা করি এ মাসের মধ্যেই কমিটি ঘোষণা করা হবে।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান হোসেন প্রধান বলেন, ছাত্রদলের কমিটি গঠন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা করেছি। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে প্রশাসনের সাথেও একাধিকবার আমরা আলোচনায় বসেছি।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ যদি নতুন কমিটি গঠনের প্রয়োজনবোধ করে, সেটিকে আমরা স্বাগত জানাই। এর মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব উঠে আসবে এবং সংগঠনও গতিশীল হবে বলে আশা রাখি।

কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাসির বলেন, প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারাবাহিকভাবে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি গঠনের বিষয়েও আমরা নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিটি গঠন করার।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।