সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

২০২৫ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ সংকট ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন

২০২৫ সালটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক কঠিন পরীক্ষার বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একদিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, অন্যদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা অভিযানের নামে ‘পুশ-ইন’ ও ‘পুশব্যাক’ প্রক্রিয়া দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে এক বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি করেছে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:২৪

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট

২০২৫ সালটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক কঠিন পরীক্ষার বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একদিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, অন্যদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা অভিযানের নামে ‘পুশ-ইন’ ও ‘পুশব্যাক’ প্রক্রিয়া দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে এক বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি করেছে।

ভারতের দাবি অনুযায়ী, কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশি সুরক্ষা বাহিনী (BGB) ভারতীয় নাগরিকদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ভারতীয় পাশে থেকে জোর করে বাংলাদেশের ভেতরে ঠেলে দেয় একে পুশ-ইন বলা হয়।

২০২৫ সালের মে এবং জুন মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সীমান্ত নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালের মে মাসের শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনেই প্রায় ১,২২১ জন মানুষকে বাংলাদেশের ১৮টি জেলা সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক পুশ-ইন করা হয়েছে। জুন মাসের শুরুতে এই সংখ্যা ২,০০০ ছাড়িয়ে যায়।

২০২৫ সালে (জানুয়ারি-নভেম্বর পর্যন্ত) ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (BSF) সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ৫,২০০ জন বাংলাদেশি নাগরিক ভারত থেকে পুশব্যাক করা হয়েছে।এর মধ্যে পুরুষ প্রায় ৪,১৫০ জন, নারী প্রায় ৭০০ জন এবং শিশু (১৮ বছরের কম)প্রায় ৩৫০জন। অন্যদিকে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৮০–২২০ জন “ভুলভাবে পুশ-ইন” করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।  

ভারতের গুজরাট, দিল্লি, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্র থেকে তথাকথিত ‘অবৈধ অভিবাসী’ সন্দেহে লোকজনকে বিমানে বা ট্রেনে করে সীমান্তে নিয়ে আসা হয় এবং রাতের আঁধারে বিজিবিকে না জানিয়ে পুশ-ইন করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা উদ্বেগজনক। উদাহরণস্বরূপ, গত ৪ মে গুজরাট থেকে পাঠানো ৩০০ জনের মধ্যে ২০০ জনই ছিল নারী ও শিশু। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে পুরুষের তুলনায় নারী ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি (প্রায় ৬০-৬৫%)।

২০২৫ সালের এই অভিযানের সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হলো প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের ভুলবশত বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং মহারাষ্ট্রের অন্তত ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে যারা জন্মসূত্রে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক এবং যাদের কাছে বৈধ ভারতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতা হাইকোর্টে ‘হেবিয়াস কর্পাস’ পিটিশন দাখিল করা হয় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হস্তক্ষেপে কয়েকজনকে ভারত ফিরিয়ে নেয়।

কেবলমাত্র বাংলা ভাষা বলা বা মুসলিম পরিচয় থাকার কারণে যাচাই-বাছাই ছাড়াই অনেককে আটক করা হয়, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এই পুশ-ইন এবং পুশব্যাকের প্রভাব দুই দেশের সম্পর্কের ওপর বহুমাত্রিক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

পুশ-ইনের এই প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী মনোভাবকে উসকে দিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সাধারণ জনগণ একে একটি ‘একতরফা ও আগ্রাসী’ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের দিকে সম্পর্কের অবনতি এতটাই চরমে পৌঁছায় যে, নিরাপত্তা অজুহাতে ভারত তাদের অনেক ভিসা সেন্টার বন্ধ করে দেয় এবং বাংলাদেশও কয়েকটি মিশন থেকে কনস্যুলার সেবা স্থগিত করে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর (সেভেন সিস্টার্স) নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের সহযোগিতা অপরিহার্য। পুশ-ইন ইস্যুকে কেন্দ্র করে যদি গোয়েন্দা সহযোগিতা কমে যায়, তবে সেটি ভারতের নিজস্ব নিরাপত্তার জন্যই ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

জোরপূর্বক পুশ-ইন করার ফলে সীমান্তে নিয়মিত বিবাদ এবং উত্তজনা সৃষ্টি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই ‘পুশব্যাক’ প্রক্রিয়াকে বিনা বিচারে নির্বাসন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে, যা ভারতের ‘আঞ্চলিক নেতা’র ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

২০২৫ সালের এই সীমান্ত সংকট কেবল একটি শরণার্থী ইস্যু নয়, এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ভারতের আধিপত্য বনাম বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। এই সংকট নিরসনে একটি সুনির্দিষ্ট ‘যাচাইকরণ প্রক্রিয়া’ এবং উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সংলাপ জরুরি। নতুবা, সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত এই মানবিক সংকট দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধনকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।