রাব্বিকুল ইসলাম,দুমকী প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলায় ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে শুষ্ক মৌসুমে গভীর নলকূপের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। গত দুই বছর ধরে এসব এলাকায় শুষ্ক মৌসুম এলেই হস্তচালিত নলকূপ থেকে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা যায়, পাঙ্গাশিয়া, লেবুখালী, আঙ্গারিয়া ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পানির তীব্র সংকট চলছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে অভিযোগ জানালে কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করে জানায়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপ থেকে পানি উঠছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে খাল শুকিয়ে যাওয়া এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রোডাকশন টিউবওয়েল স্থাপনের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আরও নিচে নেমে গেছে। এর ফলে আশপাশের এলাকাগুলোতে পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুমকী উপজেলায় সরকারিভাবে ১,৫৩০টি এবং বেসরকারিভাবে প্রায় ১,০০০টি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। তবে অনেক এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে এসব নলকূপ থেকেও পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নিপা আক্তার জানান, হস্তচালিত নলকূপের পরিবর্তে সাবমারসিবল পাম্প স্থাপনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।