বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জব্দকৃত চোরাই গাছসহ আটকৃত ভ্যান টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ , পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোসাইগঞ্জ বন বিভাগে জব্দকৃত কাঠসহ ভ্যানচালক রুবেল ইসলামকে আটক করে ৫৩ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের ভিডিও প্রকাশের পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরদিন থেকেই পুলিশ ও বন বিভাগের কিছু কর্মচারীর সহযোগিতায় গোসাইগঞ্জ বন বিভাগের গাছ কাটা […]

জব্দকৃত চোরাই গাছসহ আটকৃত ভ্যান টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ , পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:০৯

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোসাইগঞ্জ বন বিভাগে জব্দকৃত কাঠসহ ভ্যানচালক রুবেল ইসলামকে আটক করে ৫৩ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের ভিডিও প্রকাশের পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ,৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরদিন থেকেই পুলিশ ও বন বিভাগের কিছু কর্মচারীর সহযোগিতায় গোসাইগঞ্জ বন বিভাগের গাছ কাটা শুরু হয়। ইতোমধ্যে বনের বড় অংশ নিধন করে আবাদি জমি তৈরি করা হয়েছে।

গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত কিছু পুলিশ সদস্য ইতোমধ্যে বদলি নিয়ে এলাকা ছেড়ে গেছেন। বন বিভাগ স্থানীয় কিছু সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ঘটনাটি অন্যদিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গাছসহ জব্দকৃত ভ্যানচালক রুবেল বলেন,গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় তোফা হোসেন, তফিজুল‌ ইসলাম তফি, বাচ্চা, বিটুলসহ কয়েকজন এসে বলে, প্রশাসনের সাথে কথা বলে রাখা আছে, ভয়ের কিছু নেই এই গাছগুলো নিয়ে যাও। তারা তিনটি ভ্যানে কাটা গাছ তুলে দেয়। পরে চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই পলাশ, এসআই আহসান হাবিব ও দুই কনস্টেবল আসলে, গাছ কাটা চক্র পালিয়ে যায়।

তিনটি ভ্যানই পুলিশ আটক করে। দুই ভ্যানের কাঠ আবুল মেম্বারের চৌরাস্তায় বিক্রি করে দেওয়া হয়, আর আমাকে‌ চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে মারধর করে চালান দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।তিনি আরও জানান, এই অবস্থায় আমি আমার ভাই জুয়েল ইসলামকে খবর দেই। পরে

আমার ভাইয়ের মাধ্যমে পুলিশের দালাল আনিছারের নেতৃত্বে এসআই পলাশ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আমাকে আমার ভ্যান সহ ছেড়ে দেয়। এবং বাকি ৩ হাজার টাকা পুলিশের দালাল আনিসার ভাগাভাগি করে।এরপরও এসআই পলাশ বন বিভাগে এসে গাছ কাটা বাহিনীদের কাছে এসে টাকা নিয়ে যায়।

দীর্ঘদিন থেকে নিয়মিত আমার সামনেই চিলাহাটির পুলিশ টাকা নিয়ে যাচ্ছে। তাদের সহযোগিতায় গোসাইগঞ্জ  বন বিভাগের গাছ কেটে বন উজার করা হচ্ছে। অনেক পুলিশ গাছের কাঠ কেটে বাড়ি নিয়ে গেছে।যা তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে।এসআই পলাশ ও হাবিব বন বিভাগে আসলে আমি তাদের বলি আমি একজন গরিব মানুষ ভ্যান চালিয়ে আমার সংসার চলে।

সুদের উপর টাকা নিয়ে আপনাদের ৫৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। তখন এসআই পলাশ ও হাবিব বনের গাছ কাটা বাহিনীদের ডেকে বলে সবাই মিলে কিছু টাকা তুলে আমাকে ফেরত দিতে।কিন্তু তারা আমাকে কোন টাকা ফেরত দিচ্ছে না।

রুবেল দাবি করেন, বিষয়টি প্রকাশ পেতেই এসআই পলাশ কয়েকজন পুলিশ নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছে। এতে তিনি আতঙ্কে আছেন।

এসআই আহসান হাবিব বলেন, তিনি রুবেলকে আটক বা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না।

এসআই পলাশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল কাদের বলেন, বিষয়টি  সম্পর্কে সত্যতা পেয়েছি এবং জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পুলিশ সুপার মহোদয় ও ডোমার সার্কেল মহোদয় কে পাঠিয়েছি।

ভোগডাবুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেয়াজুল ইসলাম কালু বলেন,

ভ্যানচালকের কাছে টাকা নেওয়ার বিষয়টি শুনেছি, তবে কোনও লিখিত অভিযোগ পাইনি। অতীতে গ্রাম্য পুলিশ দিয়ে বন বিভাগ পাহারা দেওয়া হয়েছিল এবং কিছু গাছ জব্দও করা হয়েছে।

সহকারী পুলিশ সুপার (ডোমার সার্কেল) নিয়াজ মেহেদী বলেন,

বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিভাগীয় তদন্ত শুরু হচ্ছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।