শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চরবাংলায় কৃষি খাস জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

পটুয়াখালীর গলাচিপায় চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা এলাকায় সরকারি কৃষি খাস জমি জোরপূর্বক দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় চরবাংলার পোটকারচর এলাকায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিলও করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন চরবিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ফোরকান হাওলাদার, চরবাংলা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনোয়ার […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৫, ২০:৫২

পটুয়াখালীর গলাচিপায় চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা এলাকায় সরকারি কৃষি খাস জমি জোরপূর্বক দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় চরবাংলার পোটকারচর এলাকায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিলও করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন চরবিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ফোরকান হাওলাদার, চরবাংলা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হাওলাদার, স্থানীয় বাসিন্দা মনির হাওলাদার, মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার, মোক্তার হোসেন হাওলাদার, মো. আরিফ, আজিজুল শিকদার, মোসা. রেপতি বেগম ও পিয়ারা বেগম প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ভূমি অফিস থেকে প্রত্যায়ন পাওয়া ভূমিহীন কৃষকরা চাষাবাদে নামলে একটি ভূমিদস্যু চক্র জোরপূর্বক কৃষি খাস জমি দখলের চেষ্টা করছে। গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিএনপি নেতা আলী আশরাফ মোল্লার নির্দেশে ভূমিদস্যু গ্রুপ কৃষকদের তরমুজ ক্ষেতের ঘর ভেঙে হামলা চালায়।

বাধা দিতে গেলে কৃষকদের মারধর করা হয়। এতে একাধিক কৃষক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আহতদের বিরুদ্ধে আবার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন কৃষক সমিতির সভাপতি সিরাজ খা।

তারা আরও বলেন, সিরাজ খা ভূয়া ‘বিত্তবান কৃষক সমবায় সমিতি’র সভাপতি পরিচয়ে খাস জমি ইজারা নিয়ে তার সহযোগী শাহাবুদ্দিন তালুকদার, জালাল তালুকদার, ফারুক মীরসহ কয়েকজনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে জমি ভোগদখল ও চাঁদাবাজি করছে।

প্রকৃত ভূমিহীনদের নামে ডিসিআর না দিয়ে চরবাংলার বাইরের লোকজনের নামে টাকা নিয়ে ডিসিআর আনা হচ্ছে। দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনৈতিক কারণে ভূমিহীনরা জমি ভোগদখল করতে পারেনি। এখন আনোয়ার হাওলাদারের নেতৃত্বে যখন প্রকৃত ভূমিহীনরা জমিতে ভোগদখল ও চাষাবাদ শুরু করতে চাইছে তখনই ভূমিদস্যু চক্র বাধা দিচ্ছে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা দ্রুত ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রকৃত ভূমিহীন কৃষকদের মাঝে খাস জমি বণ্টনের নিশ্চয়তা এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও হামলার ঘটনায় দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান।

এ বিষয়ে চরবিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ফোরকান হাওলাদার বলেন, “চরবাংলার সংঘর্ষে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাকের বিশ্বাস ও সাংগঠনিক সম্পাদককে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে জড়ানো হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এটি ভূমিহীন জনগণ ও সমবায় সমিতির দ্বন্দ্ব। বিএনপি নেতাদের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ মোল্লা বলেন, আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ টাকা দিয়ে মানববন্ধন করাচ্ছে। চরবাংলার খাস জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিত্তহীন কৃষক সমবায় সমিতি ভোগদখলে আছে সরকারও তাদের ডিসিয়ার দিয়েছে।

কিন্তু ভূমিদস্যুরা কৃষকদের চাষাবাদে বাঁধা দিয়েছে। আমি রাজনীতি করি ভুক্তভোগীরা আমরা কাছে আসলে আমি শুধু তাদের আইনি সহায়তা নিতে পরামর্শ দিয়েছি। এর বাইরে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন।

গলাচিপা থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মো. জিলোন শিকদার জানান, চরবাংলার ঘটনায় উভয় পক্ষই পৃথক এজাহার দিয়েছে। এতে প্রায় ৫৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৩ নবেম্বর) পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরবাংলায় খাস জমির দখলকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৬০ জন কৃষক ও দুই নারী আহত হন। আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।