বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দীর্ঘ একযুগ অনিয়ম-দুর্নীতিতে ভরা রাজশাহী জেলা ট্রাক মালিক সমিতির

জয়নাল আবেদিন প্রতিনিধিঃ রাজশাহী জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মো: আবুল কালাম আজাদ এর নেতৃত্বে এখনো অনিয়ম-দুর্নীতি চলোমান। এই বিষয়ে ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘অন্যারা টাকা তুলছে আমরাও তুলছি। ট্রাক মালিক সমিতির তো একটা খরচ আছে আমি কি এই খরচের টাকা বাসা থেকে নিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:১৭

জয়নাল আবেদিন প্রতিনিধিঃ

রাজশাহী জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মো: আবুল কালাম আজাদ এর নেতৃত্বে এখনো অনিয়ম-দুর্নীতি চলোমান।
এই বিষয়ে ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘অন্যারা টাকা তুলছে আমরাও তুলছি। ট্রাক মালিক সমিতির তো একটা খরচ আছে আমি কি এই খরচের টাকা বাসা থেকে নিয়ে এসে খরচ করবো। এটায় যদি হয় চিত্র তাহলে ৫ই আগষ্টের আন্দোলনের মূল্য কি থাকলো ? দীর্ঘ একযুগ ধরে অনিয়ম ও দুর্নীতি ভরা রাজশাহী জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি যেটা এখনো চলোমান।

আসুন ফিরে দেখি ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের দীর্ঘ (১) যুগ।

দীর্ঘ একযুগ ধরে ট্রাক মালিক সমিতির কোন নির্বাচন হয় নাই। সভাপতি আবুল কালাম আজাদ তার পেশি শক্তি খাঁটিয়ে ও আওয়ামী স্বৈরাচার গত সরকার দলীয় রাজশাহী মহানগরের কিছু নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় অবৈধ ভাবে সভাপতির চেয়ার দখল করে আছেন। আবুল কালাম আজাদ তার প্রভাব খাঁটিয়ে ট্রাক মালিক সমিতিতে কোন নির্বাচন ও করতে দেন নাই।

বিগত আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের শাসন আমলে স্বৈরাচার সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে ও তার চেয়ার ধরে রাখতে নির্বাচন থেকে শুরু করে এমন কোন অনৈতিক কর্মকান্ড নাই যে তিনি স্বৈরাচারী সরকারের কার্যকালাপে সহযোগিতা করেন নাই। এই স্বৈরাচারী কার্যকালাপের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ বলেন, যখন যে দিক থেকে বৃষ্টি আসে সেদিকে ছাতা ধরে চলি।

তিনি সিটি করপোরেশনের নির্বাচন থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে স্বৈরাচারী সরকারের সকল নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর হয়ে মাঠে কাজ করেছেন। এখন তো স্বৈরাচার সরকারের পতন হয়েছে, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ নিজেকে বিএনপির নিবেদিত প্রান বলে দাবি করছেন।

আমার প্রশ্ন জাতির বিবেকের কাছে? ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ কি সত্যিই বিএনপি আদর্শের মানুষ ? নাকি সে আওয়ামী মার্কা বিএনপি। ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক দিয়ে

প্রতিদিন (১) এক থেকে সাড়ে ১২ শত যানবাহন চলাচল করে। এই চলাচল রত যানবাহন থেকে চারটি টোকেনের মাধ্যমে প্রতিটি ট্রাক, ট্যাংকলরি, কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক্টর থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদা উঠানো হতো ৫ই আগষ্টের আন্দোলনের আগ পর্যন্ত রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া এলাকায়।

প্রতিদিন এই রুটে (১) এক থেকে সাড়ে ১২ শত যানবাহন দাঁড় করিয়ে ৭-৮ জন ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এর নিজস্ব লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে মাসে অন্তত অর্ধ কোটি টাকা চাঁদা উত্তোলন করান। এই চাঁদা দৈর্ঘ্য (১) এক যুগ ধরে চলোমান ছিল ৫ই আগষ্টের আন্দোলনের আগ পর্যন্ত।

চাঁদা আদায় করে সভাপতি আবুল কালাম আজাদ গড়েছেন কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়।
এতে করে ট্রাক চালক ও মালিকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিলেও এর কোনো সমাধান হয়নি।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নগরীর নওদাপাড়া এলাকায় ট্রাক টার্মিনালের সামনে ঢাকা-চাঁপাইনাববগঞ্জ ও রাজশাহী নওগাঁ মহাসড়কের পাশে লাঠি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ৭-৮ জন ব্যক্তি। ট্রাক টার্মিনালের সামনে আসামাত্র ট্রাকগুলো লাঠি হাতে নিয়ে ইশারা করে দাঁড় করাচ্ছেন তাঁরা।

এর পর সেই ট্রাক থেকে চারটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে আদায় করা হচ্ছে ১০০ টাকা করে। এর মধ্যে ৩০ টাকার একটি স্লিপ ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাজশাহী ট্রাক টার্মিনালের ঠিকাদারের নামে, ৩০ টাকার আরেকটি স্লিপ ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাজশাহী জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়নের নামে, ৩০ টাকার অপর একটি সিল্প ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাজশাহী জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির নামে এবং ১০

টাকার একটি স্লিপ ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন পরিচালিত হাসপাতালের উন্নয়ন ব্যায়ের নামে। একইভাবে নগরীর বিআরটিএ ভবনের সামনেও ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও ট্যাংকলরি দাঁড় করিয়ে চাঁদা তোলা হচ্ছে। রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক হয়ে যেসব পন্যবাহী যানবাহন ঢাকার দিকে যাচ্ছে সেসব যানবাহন থেকে এখানে চাঁদা তোলা হচ্ছে।

চাঁদা প্রদানকারী একজন ট্রাক চালক লালন উদ্দিন বলেন,আমার কাছ থেকে গাড়ী দাঁড় করে ১০০ টাকা নিলো। পাথর বোঝাই ট্রাক হঠাৎ দাঁড় করাতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। তার পরেও লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিকরা কয়েকটা রশিদ হাতে ধরে দিয়ে টাকা নিল। দিতে না চাইলে গাড়ী যেতে দিবে না তারা। তাই বাধ্য হয়ে চাঁদা দিতে হয়। এ যে চাঁদা উঠাচ্ছে, এই টাকার মুখ সাধারণ শ্রমকিরা কখনোই দেখতে পাই না। এই টাকা ভাগ হয় শ্রমিক এবং মালিক সমিতির নেতাদের মাঝে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাক ট্রামিনালের নামে চলন্ত ট্রাক থেকে চাঁদাবাজির কোনো এখতিয়ার নাই। তার পরেও জোর করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে আমাদের কাছ থেকে।
অন্য ট্রাক চালক আসগর আলী বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর কয়েক দিন এখানে চাঁদাবাজি বন্ধ ছিল। হঠাৎ করে আবার শুরু হয়েছে। নিশ্চয় প্রশাসন আর নেতাদের ম্যানেজ করে এটি করা হচ্ছে। আমরা এই চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। এখানে টাকা দিয়ে কোনো উপকার নাই।

বরং ট্রাক থামাতে গিয়ে ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হয় আমাদের। প্রতিদিন (১) এক থেকে সাড়ে ১২ শত ট্রাকসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। প্রতিটি পণ্যবাহী যানবাহন থেকেই তারা চারটি টোকেন ধরিয়ে দিয়ে ১০০ টাকা করে চাঁদা তুলছে। কিন্তু এ টাকার হদিশ পাই না আমরা শ্রমিকরা।’

চাঁদা আদায় বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, কাভার্ডভ্যান ও শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রাস্তায় দাঁড় করিয়ে ট্রাক থেকে চাঁদাবাজির নিয়ম নাই। তার পরেও সংগঠন চালানোর জন্য করতে হচ্ছে। আমাদের টাকা শ্রমিকদের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হয়।’ কিন্তুু বাস্তব চিত্র পুরোটাই উল্টো এই চাঁদার টাকা শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক উন্নয়ন ব্যয় হয় না। ব্যয় করা হয় সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এর নিজের উন্নয়নে।

সম্প্রতি বিএনপি দলীয় কিছু নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় ঘরোয়া বৈঠক করছে আবুল কালাম আজাদ তার অনিয়ম-দুর্নীতি ধামাচাপা দিয়ে চেয়ার ধরে রাখরার জন্য। এই অনিয়ম-দুর্নীতি বিষয়ে ট্রাক মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মালিক সমিতির মিটিংয়ে মালিকদের দীর্ঘ (১) এক যুগ ধরে আয় ব্যয়ের কোন হিসাব নিকাশ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রদান করেন নাই।

তিনি (১) এক যুগ ধরে সে কোন ব্যাংকের হিসাব দেন নাই। আবুল কালাম আজাদ যে নিজেকে বিএনপির নিবেদিত প্রান বলে দাবি করছেন এই বিষয়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হুদার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির তিনি কেউ নয়।

আবুল কালাম আজাদ রাজশাহী মহানগর বিএনপির কখনো কোন পদে ছিলো না। ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের দোষর। তিনি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাচন থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে স্বৈরাচারী সকল নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর হয়ে মাঠে কাজ করেছেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।